সর্বশেষ আপডেট : ৩ মিনিট ৩৩ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

গোলাপগঞ্জের চাঞ্চল্যকর খালেদ হত্যা মামলার রায় আজ বুধবার

unnamedজাহিদ উদ্দিন, গোলাপগঞ্জ: গোলাপগঞ্জের চাঞ্চল্যকর সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির মেধাবী ছাত্র খালেদুজ্জামান খালেদ(২০) হত্যা মামলার রায় আজ বুধবার।

প্রাপ্ত সংবাদে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২১ জুলাই রমজান মাসে ইউনিভার্সিটির মেধাবী ছাত্র গোলাপগঞ্জ উপজেলার লক্ষীপাশা ইউনিয়নের নিমাদল পশ্চিম পাড়া গ্রামের সালেহ আহমদ ছল্লুছ মিয়ার পুত্র খালেদুজ্জামান খালেদ (২০) কে বিয়ানীবাজার উপজেলার রামধা উত্তর চন্দগ্রামের সাইব উদ্দিনের পুত্র হুমায়ুন কবির আমন্ত্রণ জানিয়ে তার বাড়িতে নিয়ে যায়।সেখানে খালেদকে আটকে রেখে তার সাথে অহেতুক বিতর্কে জড়িয়ে কবির ও তার সহযোগী ফাহিম সহ কয়েকজন মিলে নাক-মুখে কস্টিপ পেছিয়ে শ্বাসরুদ্ধ খালেদকে করে হত্যা করে। হত্যার পর তার লাশ নদীতে ফেলে দেয়। ৪ দিন পর ২১ জুলাই ফেঞ্জুগঞ্জ উপজেলা সংলগ্ন কুশিয়ারা নদীতে লাশ ভেসে উঠে। পুলিশ নদী থেকে খালেদের লাশ উদ্ধার করলে তার আত্নীয় স্বজনরা লাশ দেখে সনাক্ত করে । খালেদ কবিরের বাড়িতে যাচ্ছে বলে তার কয়েকজন বন্ধু অবগত ছিল।এই সূত্র ধরে নিহত খালেদের পিতা সালেহ আহমদ ছল্লুছ বিয়ানীবাজার থানায় কবিরকে প্রধান আসামী করে ৮ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর পর পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে কয়েকজন আসামীকে আটক করে।অপর আসামীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রাখা হয়।এক পর্যায়ে পুলিশের তাড়া খেয়ে প্রধান আসামী কবির ও তার পিতা সইব উদ্দিন আদালতে আত্নসমর্পন করলে কবির নিজে খুন করার কথা স্বীকার করে।পরবর্তীতে কবিরের সহযোগী ফাহিমকে পুলিশ আটক করলে ফাহিমও আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

দীর্ঘ হাজতবাস করে গত কয়েকদিন আগে কবিরের পিতা সইব উদ্দিন ও সাবেক ইউপি সদস্য গৌছ উদ্দিন জামিন লাভ করলে গত ধার্য্য তারিখে তাদের জামিন বাতিল করে কারাগারে প্রেরণ কর হয়। এ মামলায় প্রধান আসামী কবির সহ তার পিতা সইব উদ্দিন, কবিরের বন্ধু ফাহিম ও এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য গৌছ উদ্দিন এখনো হাজতবাস করছে।
দীর্ঘ তদন্ত শেষে ৭ মাস পর ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৮ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জসীট প্রদান করা হয়।
আজ (বুধবার) ১৭ আগস্ট এ চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রায় হবে বলে প্রাপ্ত সংবাদে জানা যায়।

খালেদ হত্যা মামলায় চার্জসীটভুক্ত অভিযুক্তরা হলো, বিয়ানীবাজার উপজেলার উত্তর চন্দগ্রামের সাইব উদ্দিনের পুত্র হুমায়ুন কবির(২৫), মৃত বশারত আলী পুত্র কবিরের পিতা সাইব উদ্দিন(৫০), গোলাপগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ী ইউনিয়নের উত্তরপাড়া গ্রামের আব্দুস সত্তারের পুত্র ফাহিম আহমদ(২৫), জকিগঞ্জ উপজেলার বিলেরবন গ্রামের মৃত আব্দুল মন্নানের পুত্র মুকিত আল- মাহমুদ(২২), বিয়ানীবাজারের মোহাম্মদপুর গ্রামের মৃত জোয়াদ আলীর পুত্র গৌছ উদ্দিন(৫০), মামলার ১নং আসামী কবিরের মা রিনা বেগম (৪৫), বোন লাকি বেগম(২০) ও অপর বোন ফারজানা ডলি(১৯)।

মেধাবী ছাত্র খালেদ হত্যার পর ছাত্র জনসাধারণ ও বিভিন্ন সংগঠন দুষ্কিৃতিকারীদের শাস্তির দাবিদে বিভিন্ন কর্মসুচি পালন করেছে। এলাকার প্রত্যেক সাধারণ মানুষের একটাই দাবি একজন নির্দোষ ভার্সিটি পড়ুয়া ছাত্রকে নির্মম ভাবে যারা হত্যা করেছে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া প্রয়োজন।

এ ব্যাপারে খালেদের পিতা ছালেহ আহমদ ছল্লুছ জানান, ঘাতকরা কোন অপরাধ ছাড়াই তার নিষ্পাপ সন্তানকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে।এই ত
হত্যার সাথে জড়িত খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড হবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: