সর্বশেষ আপডেট : ৩৩ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ছাতকে শিক্ষার্থী পেটানোর ঘটনায় সরজমিনে তদন্ত

01. daily sylhet Chhatak news2ছাতক প্রতিনিধিঃ ছাতকের গোবিন্দগঞ্জ মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের পেটানোর ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে সোমবার সরজমিনে তদন্ত করেছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মানিক চন্দ্র দাস। তদন্তকালে ছাত্রছাত্রীদের অভিবাবকরা অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আতিকুর রহমানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ২৪ ঘন্টার মধ্যে বিদ্যালয় থেকে এ শিক্ষককে অপসারনের আল্টিমেটাম দিয়েছেন। সুনামগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের নির্দেশে ছাতক উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ঘটনার তদন্ত করেন। তদন্তকালে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি খালেদ হাসান, বর্তমান সভাপতি আজিজুল হক মেম্বার, সদস্য রইছ আলীসহ অভিবাবক ও এলাকার গন্যমান্য লোকজন উপস্থিত ছিলেন। এর আগে প্রধান শিক্ষককের লাঠিপেটায় আহত ছাত্রছাত্রীরা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দেয়। আবেদনে প্রায় অর্ধশতাধিক আহত ছাত্র-ছাত্রীর নামের তালিকা দেয়া হয়েছে। তদন্তকালে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্র-ছাত্রীদের নির্বিচারে অমানবিকভাবে পেটানোর লোমহর্ষক বর্ননা দেয়। রোববারের ঘটনার মতো প্রায়ই এ প্রধান শিক্ষক লাঠিপেটা করতো বলে তদন্তকারী কর্মকর্তা মানিক চন্দ্র দাসের কাছে নালিশ করেছে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষকের প্রহারে আহত স্কুলের ৪২ জন শিক্ষার্থীর অভিবাবকরা মঙ্গলবার পর্যন্ত অভিযুক্ত শিক্ষককে অপসারনের জন্যে আল্টিমেটাম দেন। অন্যতায় এলাকাবাসীকে নিয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে কঠোর কর্মসূচি ঘোষনা করবে বলে জানান। জানা গেছে এ শিক্ষকের পিটুনীর ভয়ে বহু কোমলমতি শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে আসা ছেড়ে দিয়েছে।
রোববার দুপুরে গোবিন্দগঞ্জ মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতিকুর রহমান অফিস কক্ষে অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিয়ে খোশ গল্প করার সময় ৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা শ্রেনীকক্ষ থেকে বেরিয়ে এসে খেলাধুলা করছিল। এক পর্যায়ে প্রধান শিক্ষক লাঠি হাতে শিক্ষার্থীদের প্রতি তেড়ে আসেন এবং সবাইকে রুমের ভেতরে নিয়ে দরজা বন্ধ করে বেপরোয়াভাবে বেত্রাঘাত করে ২১ জন শিক্ষার্থীকে আহত করেন। এসময় ছাত্রছাত্রীদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এসে দরজা ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে তিনি দরজা খুলে দেন। এসময় অবস্থার বেগতিক দেখে অভিযুক্ত শিক্ষক পালিয়ে যান। ঘটনার পর পরিচালনা কমিটির সদস্য রইছ আলীসহ এলাকার গন্যমান্য লোকজন ঘটনাস্থলে এসে ছাতক উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মানিক চন্দ্র দাসকে বিষয়টি অবহিত করেন।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: