সর্বশেষ আপডেট : ১৪ মিনিট ৩৭ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

নিলামে উঠছে আটক করা বিলাসবহুল ব্র্যান্ডের গাড়িগুলো

caa4e5ce6cb7762b26eedcddb7ac4068-575952a04f142-550x308নিউজ ডেস্ক : কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট ভবনের বেসমেন্ট। সেখানে সারি সারি সাজানো আছে বেশকিছু দামী গাড়ি। বিশ্বের নামকরা মডেলের গাড়িগুলো দেখে অনেকের চোখ ছানাবড়া হতে পারে। কি নেই সেখানে। রোলস রয়েস, পোর্শে, বিএমডব্লিউ, মার্সিডিজ বেঞ্জ, রেঞ্জ রোভার, ল্যান্ড রোভার, ওডি, লেক্সাসসহ বাংলাদেশে অপ্রচলিত আরো কিছু ব্র্যান্ডের গাড়ি। এসব গাড়ি আটক করা হয়েছে মূলত শুল্ক ফাঁকি দেয়ার অভিযোগে। কিছু কিছু গাড়ি এসেছে মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে। অর্থাৎ যে কাজে গাড়িটি ব্যবহার করার কথা ছিল সে কাজে তা ব্যবহার না হয়ে অন্য কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর বিগত কয়েক মাস ধরে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এসব গাড়ি আটক করে। এখন সেগুলো নিলামে উঠবে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখে গেছে আটক করা গাড়িগুলো নিয়ে শুল্ক গোয়েন্দা অফিস (ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট ভবনে অবস্থিত) একেবারে গলদঘর্ম। এতগুলো গাড়ি পাহারা দেয়ার লোক সংস্থার নেই। তাই বাইরে থেকে আনসার সদস্য দিয়ে সেগুলো পাহারা দেয়া হচ্ছিল। দামী গাড়িগুলোর মূল্যবান যন্ত্রাংশ যাতে কেউ চুরি করে নিয়ে না যায় সেজন্য সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মইনুল হোসেন খান নিজের কক্ষে মনিটর বসিয়ে গাড়িগুলো পর্যবেক্ষণ করছেন। এই গাড়িগুলোর পরিচ্ছন্নতা নিয়েও বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। কর্মচারীদের দিয়ে নিয়মিত পরিষ্কার করা হচ্ছে সেগুলো। কিন্তু গাড়ি সচল রাখতে মাঝেমধ্যে একটু চালিয়ে নিতে হয়। আর এখানেই বিপত্তি। দামী গাড়িগুলো স্টার্ট দেয়ার নিয়ম জানেন না অনেকে। একজন ড্রাইভার এসে মহাপরিচালককে বললেন, স্টার্ট দেবার জায়গা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
শুল্ক গোয়েন্দরা যেসব গাড়ি আটক করে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট এর বেসমেন্টে রেখেছেন সেগুলোর মধ্যে আছে-মার্সিডিজ বেঞ্জ (মডেল ২০০৮, বাজার মূল্য সাত কোটি টাকা), বিএমডব্লিউ জিপ (এক কোটি আশি লাখ), ল্যান্ড রোভার জিপ, রেঞ্জ রোভার জিপ, রোলস রয়েস সিডান কার এবং মার্সিডিজ বেঞ্জ (চারটি গাড়িতে শুধু শুল্ক ফাঁকি হয়েছে ৩৪ কোটি টাকা), বিএমডব্লিউ এক্স ফাইভ (মূল্য তিন কোটি), পোর্শে (তিন কোটি), মার্সিডিজ বেঞ্জ (এক কোটি ৩০ লাখ টাকা), বিএমডব্লিউ সিডান কার (মূল্য তিন কোটি টাকা), লেক্সাস (মূল্য তিন কোটি), পোর্শে (তিন কোটি টাকা), রেঞ্জ রোভার (সাড়ে তিন কোটি টাকা) , বিএমডব্লিউ (সাড়ে তিন কোটি টাকা), ওডি রেসিং কার ( পৌনে দুই কোটি টাকা), ল্যান্ড রেঞ্জ রোভার (ছয় কোটি টাকা) এছাড়া আরো বেশকিছু গাড়ি সেখানে রয়েছে।
এ বিষয়ে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মইনুল হোসনে খান বলেন, খুব শিঘ্রই গাড়িগুলো নিলামে তোলা হবে। যারা এসব গাড়ির মালিক তারা নিয়মিত শুল্ক পরিশোধ করে তাদের গাড়িগুলো নিতে পারবেন। যে কেউ নিলামে অংশ নিতে পারবেন বলেও তিনি জানান। ইত্তেফাক

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: