সর্বশেষ আপডেট : ১৬ মিনিট ৫৩ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

‘মর্গে আপনার মেয়ের লাশ রয়েছে, নিয়ে যান’

full_1421364765_1471358607নিউজ ডেস্ক:
শনিবার রাতে একটি অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন আসে সৈয়দা ইয়াসমিন রুমার মোবাইলে। ফোনে তাকে বলা হয় আমি সাগর বলছি বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে আপনার মেয়ে লাশ আছে নিয়ে যান। রুমা কিছু বুঝতে না পেরে ঢাকায় বসবাসরত তার ভাই তৌফিক এলাহীকে সমস্ত ঘটনা খুলে বলেন। পরে তৌফিক এলাহী বিভিন্ন হাসপাতালে খোঁজ খবর নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে এসে তার ভাগনি আফসানা ফেরদৌসীর লাশ শনাক্ত করেন।

সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড টেকনোলজির বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্রী আফসানা ফেরদৌসীর মৃত্যুর চারদিন পার হলেও তার মৃত্যুরে কারণ সম্পর্কে এখনো কিছু জানেনা পুলিশ। এ ঘটনায় কাফরুল থানার পুলিশ বাদি হয়ে একটি মামলা করেছেন তবে এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

নিহত আফসানা ফেরদৌসীর বাবা আখতার হোসেন প্রায় ছয়মাস আগে মারা গেছেন। তার সৈয়দা ইয়ামিন রুমা ঠাকুরগাঁও জেলার রুহিয়ায় গ্রামের সরদারপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। এক ভাই দুই বোনের মধ্যে আফসানা ছিলেন সবার বড়।

ড্যাফোডিল আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ও নিহতের মামা তৌফিক এলাহী বলেন, শনিবার রাতে অপরিচিত মোবাইল থেকে ফেরদৌসীর মায়ের মোবাইলে ফোন করে জানানো হয় তার মেয়ে মারা গেছে। বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে লাশ রাখা আছে। ফেরদৌসীর মা ঠাকুরগাঁ থেকে তার আত্মীয়স্বজনদের বিষয়টি অবহিত করেন। ফেরদৌসীর স্বজনেরা বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে দেখেন সেখানে এইনামে কোন রোগী ভর্তিও হয়নি এবং কোন লাশও নেই। ইতোমধ্যে অপর একটি অপরিচিত মোবাইল থেকে ফোন করে জানানো হয় যে ফেরদৌসের লাশ আল-হেলাল হাসপাতালে আছে। পরে তার আল-হেলাল হাসপাতালে যোগাযোগ করলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কাফরুল থানায় যোগাযোগ করার কথা বলে।

পরে কাফরুল থানার সহযোগিতায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে লাশ দেখে শনাক্ত করেন তার মামা তৌফিক এলাহী। গত রবিবার আফসানা ফেরদৌসীর ময়না তদন্ত শেষে গ্রামের বাড়ি ঠাকুরগাঁয়ের রুহিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়।

সোমবার সকালে ফেরদৌসীর লাশ পৌঁছালে কানিকশালগাঁয়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। তাকে সুপরিকল্পিতভাবে রশির মতো কোন কিছু দিয়ে পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। ময়না তদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর হত্যা মামলা করা হবে বলে জানানো হয়ছে।

জানতে চাইলে কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শিকদার মো. শামীম হোসেন বলেন, এ ঘটনায় একটি মামলা করা হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত তার মৃত্যুর ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: