সর্বশেষ আপডেট : ১২ মিনিট ৩৮ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

হিন্দু নাম নিয়ে ভারত যাওয়া নতুন জঙ্গিদের অন্যতম প্রশিক্ষক মারজান

marjan12-550x307নিউজ ডেস্ক : শোলাকিয়া হামলার পর হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি নাম ব্যবহার করে মারজান ও তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন ভারতে পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর কঠোর নজরদারির ফলে সে আর যেতে পারেনি। তবে শোনা গেছে, মাস্টারমাইন্ড আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর কব্জায় রয়েছে। এমনও একটি খবর ছড়িয়ে পড়েছে যে, মারজানকে গত শুক্রবার রাতেই একটি বাহিনী গ্রেফতার করেছে। তবে এ ব্যাপারে কোনো বাহিনীর পক্ষ থেকে বিষয়টি স্বীকার করা হয়নি।

মারজানের বিষয়ে আরও তথ্য জানতে ইতোমধ্যে সিটিটিসির হ্যালো অ্যাপসে তথ্য চাওয়া হয়েছে। এ ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেন, মারজানের বিষয়ে কিছু তথ্য এসেছে যা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এ জঙ্গির বিষয়ে আরও তথ্য পেতে গোয়েন্দারা মাঠপর্যায়ে সক্রিয় আছেন। তিনি বলেন, গুলশানে হামলার পর জঙ্গিরা গোপন অ্যাপসের মাধ্যমে যে ছবি বাইরে ছড়িয়ে দিয়েছিল সেই ছবি মারজানের কাছে এসেছিল। মারজান ওই লিংক ওপেন করেছিল।

তদন্ত সূত্র থেকে জানা গেছে, মারজানের ব্যবহার করা একটি ফেসবুক আইডির তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মারজানের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে এমন আরও পাঁচ জঙ্গির নামও পেয়েছেন গোয়েন্দারা। এরা হলো- রাজীব, রিপন, আজাদুল, সাকিব ও মানিক।
সূত্র জানায়, মারজান জঙ্গিদের কাছে তার গ্রামের বাড়ির ঠিকানা বলেছে চাঁদপুর। সেখানে অভিযান চালায় গোয়েন্দারা। কিন্তু ওই ঠিকানায় তার অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। পরে উত্তরাঞ্চলের সম্ভাব্য কয়েক স্থানেও অভিযান চালানো হয়। সেসব অভিযান থেকে রাজধানীতে তার থাকার তথ্য মেলে। সে অনুযায়ী তাকে নজরদারিতে আনা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, গুলশান হামলায় অংশ নেওয়া জঙ্গিদের সঙ্গে মারজানও হলি আর্টিজান বেকারির কাছাকাছি গিয়েছিল। ওই সময় হামলাকারীদের অন্যতম হোতা তামিম আহমেদ চৌধুরী মারজানকে সঙ্গে নিয়ে যায়। গুলশান হামলায় নাম উঠে আসা মারজানের ফোনেও অ্যাপসের মাধ্যমে হামলা সংক্রান্ত ছবি ও ভিডিও পাঠানো হয়। নতুন করে নাম আসা এ জঙ্গি দেশের উত্তরাঞ্চলসহ ঢাকার আস্তানায় প্রশিক্ষণ দিত। সে কথাবার্তায় খুবই পারদর্শী। অল্প সময়ের মধ্যে যে কারও মগজ ধোলাইয়ের দক্ষতা তার রয়েছে।

গোয়েন্দা সূত্র আরও জানায়, মারজান, রাজীব, রিপন, আজাদুল, সাকিব ও মানিকের মধ্যে মারজানই সবচেয়ে কম বয়সী। কিন্তু সবচেয়ে চতুর ও নতুন জেএমবি সদস্যদের অন্যতম প্রশিক্ষক। দলে জঙ্গি রিক্রুটের দায়িত্বে ছিল রাজীব ও সাকিব। বাকিরা অপারেশনাল কমান্ডার হিসেবে কাজ করে। এদের সবার নেতা মানিক। ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, গুলশান হামলার পর মারজান আরও কয়েক জঙ্গির কাছে হামলা সংক্রান্ত তথ্য পাঠায়। এ সংক্রান্ত প্রমাণ পেয়েছেন গোয়েন্দারা। এছাড়া তদন্তের এ পর্যায়ে মারজানের একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আইডি কাজে দিয়েছে গোয়েন্দাদের। এ আইডি থেকে কিছু তথ্য উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।-আমাদের সময়.কম

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: