সর্বশেষ আপডেট : ২২ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

নতুন নামে সংগঠিত হচ্ছে জেএমবি ও এবিটি

dawlatul-islam-movementনিউজ ডেস্ক : সারাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা জেএমবি ও আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্যরা সংগঠিত হচ্ছে নয়া জঙ্গি সংগঠন দাওলাতুল ইসলাম নামে।
প্রথমে ফেইসবুক আর পরে কিছু অ্যাপসের সাহায্যে চলে সংগঠনটির সদস্য সংগ্রহ থেকে শুরু করে যাবতীয় কর্মকা-। একাজে ব্যবহৃত ছদ্মনাম অ্যাপস পাসওয়ার্ড আর প্রয়োজনীয় অর্থের যোগানও দেয় সংগঠন। তিন ধাপের এই প্রস্তুতি পর্বের পুরোটাই চলে একজন আমিরের তত্ত্বাবধানে।

গুলশান শোলাকিয়াসহ এমন ১১টি হামলা দাওলাতুল ইসলাম নামের নতুন একটি জঙ্গি সংগঠন চালিয়েছে বলে নিশ্চিত আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ এবং আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্যরা মিলে গড়েছে এই আত্মঘাতী সংগঠনটি। গত বুধবার এমন ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে জানা গেছে দাওলাতুল ইসলামের নাম।

তদন্তকারীরা বলছেন, সদস্য সংগ্রহে শুরুতেই ফেসবুকে বিভিন্ন আইডি থেকে দাওয়াত পাঠানো হয়। আবার মুসলিম ছাড়াও অন্য ধর্মের লোকজনের নামেও খোলা হয় কিছু ভূয়া আইডি। পরের ধাপে ফেইস বুক বাদ দিয়ে নির্দিষ্ট কিছু অ্যাপস এ পর্যায়ক্রমে যোগাযোগ করতে বলা হয়। এই অ্যাপস এ যাওয়ার জন্য তারা সতর্কতা হিসেবে কিছু সাংকেতিক ভাষাও ব্যবহার করে।
এর মধ্যে টেলিগ্রাফ নামের অ্যাপস বেশি ব্যবহার হতে দেখা গেছে। দ্বিতীয় ধাপের এই সময়ে আমিরের ডাকে ঘরসংসার ছেড়ে হিযরতের জন্য প্রস্তুত করা হয় সদ্য সংগ্রহ করা জঙ্গিদের। আর আমিরের সঙ্গে প্রতিদিনের যোগাযোগ বাধ্যতামূলক রাখা হয়। কোনো কারণে একদিন যোগাযোগ না হলে পুলিশের হাতে ধরা পড়া কিংবা অনাগ্রহী ভেবে তাকে বাদ দেয়া হয় যোগাযোগের মাধ্যম থেকে।
তৃতীয় ধাপের যোগাযোগ হয় নতুন অ্যাপস ট্রিমাতে যা মূলত কোন অভিযান পরিকল্পনা কিংবা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। বিদেশি মুদ্রায় এই অ্যাপস ডাউনলোডের খরচ যোগাযোগের ছদ্মনাম পাসওয়ার্ড সবই দেওয়া হয় সংগঠন থেকে। কোন কাজ কখন করতে হবে তার নির্দেশনা একমাত্র আমির ই দিয়ে থাকেন

হামলার অন্তত চার দিন আগে ২ থেকে ৫ জনের একটি আত্মঘাতি দলকে নির্ধারিত জায়গায় যেতে বলা হয়। সেখানে তাদের নতুন নামও দেয়া হয় যা জানেন শুধু আমির নিজেই। মিশনের আগ মূহূর্তে ছদ্মনামধারী আরও একজন যুক্ত হন তাদের সাথে যেখানে তিনি আত্মঘাতিদের সাথে এক ওয়াক্তের নামাজ আদায় করে দু-একজনকে চূড়ান্ত নির্দেশনা দিয়ে চলে যান এলাকা ছেড়ে। অন্যদের বলা হয় নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে অনুসরণ করে যেতে।

ধর্মীয় অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে এ প্রক্রিয়ার ইতোমধ্যে শতাধিক তরুণকে অন্তর্ভূক্ত করার আশঙ্কা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর।- ইনডিপেন্ডেন্ট টিভি

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: