সর্বশেষ আপডেট : ৪৭ মিনিট ০ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ঘুরে আসুন কমলগঞ্জের পাখি বাড়ি!

Kamalgonj pakhi bari news daily sylhetবিশেষ প্রতিনিধি :
শৈশবে পাঠকরা কবি মদনমোহন তর্কালঙ্কারের কবিতার ‘পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল, কাননে কুসুম কলি সকলি ফুটিল।’ এই চরণের কথা মনে করিয়ে দেয় মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার দুইটি বাড়ি। যদিও অতীতের মতো গ্রামের বাড়িঘরের পাশে গাছের ডালে পাখির কলরব এখন আর চোখে পড়ে না। কিন্তু কমলগঞ্জের এই বাড়িটি তার ব্যাতিক্রম। এখানে গড়ে উঠেছে পাখিদের একপ্রকার অভয়ারণ্য। তবে পাখির নিরাপদ এই আবাসভূমিতে শিকারীদের তৎ্পরতায় পাখির প্রজননসহ নিরাপদ আবাসভূমি বিনষ্ট হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।

কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের সরিষকান্দি গ্রামের বাসিন্দা প্রাক্তন উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার খান ও তার প্রতিবেশী আতাউর রহমান খানের বাড়ির লোকজনের রাত পোহায় এখন পাখির কলকাকলি আর কিচির-মিচির শব্দে। পাখির সঙ্গে অনন্য মিতালী গড়ে উঠছে এই দুই বাড়ির লোকজনের। এই দুই বাড়ির বাঁশঝাড়ে দীর্ঘ চার-পাঁচ বছর ধরে নিরাপদ আবাসভূমি গড়ে তুলেছে বক, পানকৌড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি। রাস্তা দিয়ে যাতায়াতের সময় যে কারো নজরে পড়বে ধবধবে সাদা, সোনালী বকসহ বিভিন্ন জাতের পাখি ও তাদের কিচির-মিচির শব্দ আর এদিক-সেদিক লাফালাফির দৃশ্য। সকালে আর বিকালে পাখির কিচির-মিচির শব্দ গোটা বাড়ির পরিবেশকে মাতিয়ে রাখে। ইচ্ছে লে আপনিও কমলগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে মাত্র ২০ টাকা সিএনজি ভাড়ায় ঘুরে আসতে পারেন পাখির এই অভয়ারণ্য টি।

সরেজমিন পরিদর্শন কালে ওই বাড়ির যুবক নাহিয়ান খান জানান, কয়েক বছর ধরে এসব পাখি তাদের দুইটি বাড়ির বাঁশঝাড় ও গাছগাছালিতে অবাধে বিচরণ করছে। সকালে ও বিকালে পাখির কিচির-মিচির শব্দ দূর থেকেই শোনা যায়। সকালে খাবারের উদ্দেশ্যে সব পাখিই বেরিয়ে পড়ে। আবার বিকালে ধীরে ধীরে বাসস্থানে ফিরতে থাকে। নাহিয়ান আরো জানান, তাদের বাড়ির পিছনের ফিশারিসহ আশপাশ এলাকার আবাদী জমি থেকে পাখিরা খাবার খুঁটে খায়। তবে পাখির নিরাপদ আবাসভূমি হলেও এখানে কিছুসংখ্যক শিকারীর অপতৎ্পরতা রয়েছে। এসব শিকারী বন্দুক নিয়ে সন্ধ্যায় গোপনে পাখি শিকারের চেষ্টা করে। তবে বাড়ির লোকজনের কারণে তারা সফল হয় না।

এ ব্যাপারে বন্যপ্রাণি বিভাগের মৌলভীবাজারস্থ বিভাগীয় কর্মকর্তা মিহির কুমার দে বাড়ির লোকজনকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, বাড়িতে পাখির আবাসভূমি খুবই ইতিবাচক ঘটনা। তবে সার্বক্ষণিক বন্যপ্রাণি বিভাগের পক্ষ থেকে নজরদারি করতে না পারলেও সুনির্দিষ্টভাবে পাখি শিকারীদের বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: