সর্বশেষ আপডেট : ৪ ঘন্টা আগে
রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মাইলসকে ভারতীয় শিল্পী শিলাজিতের খোলা চিঠি

full_1830925001_1470981802বিনোদন ডেস্ক: বাংলাদেশ ও কলকাতায় বেশ কয়েকদিন ধরেই চলছে ‘মাইলস বিকর্ত’। এই বিতর্ক যখন অনেকটা স্তিমিত, তখনই আবার বোমা ফাটালেন শিলাজিৎ। ফেসবুক পেজে লিখলেন খোলা চিঠি। যেখানে নাম না করে ‘মাইলস’এর সমালোচনা করেন শিলাজিৎ।

তিনি বলছেন, ‘মাইলস’ বলে একটি গানের দলের কথা শুনেছি। তাদের গান সেভাবে শুনিনি। কিন্তু রূপমকে (ইসলাম) যেভাবে, যে ভাষায় আক্রমণ করেছেন দলের এক সদস্য, সেটা ভাল লাগেনি বলেই এই চিঠি। যাতে আওয়াজটা অনেক দূর যায়।

শিলাজিৎ তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের গুণী শিল্পী বলেছেন যে, ভারতীয় শিল্পীরা ওদের থেকে অনেক বেশি অর্থ রোজগার করছেন এবং যাদের নাম উনি নিয়েছেন বা যাদের জন্য গায়ে জ্বালা ধরেছে, তাদের ‘রেট’ দেখে বা শুনে এ বঙ্গের শিল্পীদের মধ্যেও অনেকের একটু হতাশা আছে বই কী’!

প্রসঙ্গত, ‘মাইলস’এর সদস্য শাফিন আহমেদ একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘স্থানীয় শিল্পীদের চেয়ে ভারতীয় শিল্পীরা ১০-২০গুণ বেশি টাকা পান বাংলাদেশে। কোন ভারতীয় শিল্পী তিন কোটি টাকা পেলে, কেন একজন স্থানীয় শিল্পীর হাতে কয়েক হাজার টাকা গুঁজে দেওয়ার জন্য দর কষাকষি চলবে’।

এই বক্তব্যে আপত্তি শিলাজিতের। খোলা চিঠিতে তিনি লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের শিল্পীবন্ধুর আর্তনাদটা বুঝতে পারছি। ভাষার ফেরে উনি, আমি, আরও অনেকেই কম অর্থ পাই। আমিও একজন ভারতীয় শিল্পী। কিন্তু যে সামান্য অর্থ এ দেশে পাই, বাংলাদেশে গান গাইতে গিয়ে তার চেয়েও কম অর্থ আমি পেয়েছি’।

উল্লেখ করেছেন মাকসুদুল হকের কথাও (বাংলাদেশি ব্যান্ড ‘এলআরবি’র সদস্য)। যার অনুরোধেই বাংলাদেশের একটি রেডিও এবং টেলিভিশন চ্যানেলে গাইতে গিয়েছিলেন শিলাজিৎ। তিনি বলেছেন, ‘ওঁর কাছেও শুনেছি ভারতীয় শিল্পীদের জন্য কত টাকা বাংলাদেশি মানুষই জোগাড় করেছেন। অদ্ভুত, আমি তো একজন ভারতীয় শিল্পী। আমাকে আরেকজন ভারতীয় শিল্পীর জন্য ফল ভোগ করতে হয়েছে। কোটি কোটি টাকা নাকি ‘ভারতীয়’ শিল্পীরা নিয়ে চলে যাচ্ছে বাংলাদেশ থেকে! তাই কর চাপানো হয়েছে! এমন কর চাপানো হয়েছে, যে আমাদের মতো বাংলা গান গাওয়া ভারতীয়দের টাকা দেওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে! হিন্দি গান গাওয়া শিল্পীদের উপর চাপানো করের পার্সেন্টেজের জন্য, বোঝো’!

প্রসঙ্গত, শিলাজিৎ তার চিঠির ওই অংশে বলেছেন হিন্দি ভাষায় গান করা শিল্পী এবং প্রাদেশিক ভাষায় গান করা শিল্পীদের মধ্যে পার্থক্য কোথায়। বলেছেন, ‘যারা ইংরেজি ভাষায় গান করেন, তাদের পৃথিবীটা অনেক বড় হওয়ার সুবাদে তারা আরও বেশি অর্থ পান’। পোস্টের ওই অংশটি নিয়ে তিনি বললেন, ‘আরে, দীপিকা পাড়ুকোন যাচ্ছে, সোনু নিগম যাচ্ছে ওদের দেশে। ওদের পিছনে টাকা খরচ করে। বাংলা গান করা শিল্পীদের পিছনে কোথায় টাকা খরচ করে বলুন তো!’

পোস্টে শিলাজিৎ আহ্বান করেন, ‘আমাদের একটা রাজ্য, আপনাদের একটা দেশ…আসুন না, দুই বাংলা মিলিয়ে এমন কিছু কাজ করি বাংলা ভাষায়, যাতে আমরা আমাদের দর বাড়াতে পারি…বাজি রাখতে পারি, আমাদের এই রাজ্যে একজন বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠিত শিল্পী যে কোন দিনই এ রাজ্যের কোন প্রতিষ্ঠিত শিল্পীর চেয়ে বেশি দর পায়…কদরও…দু’দেশেরই সমস্যা আছে, যন্ত্রণা আছে..সেগুলো জেনারেলাইজ না করে আসুন গান গাই। বাংলার জয় হোক’।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: