সর্বশেষ আপডেট : ৪ মিনিট ১৬ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

অপয়া নয়, শকুন মানুষের বন্ধু! (ভিডিও)

Untitled-1-550x344নিউজ ডেস্ক : ‘শকুনের দোয়ায় গরু মরে না’- এই প্রবাদটিই সত্য! তারচেয়েও সত্য, যে জীবাণু শত বছর মাটিতে পুতে রাখলেও ধ্বংস হয়না, সেই অ্যানথ্রাক্সের জীবাণু ধ্বংস হয়ে যায় শকুনের পেটে গেলে। এমনকি জলাতঙ্কের জীবানুও হজম করে ফেলে এই পাখি। কিন্তু, হজম করতে পারে না, ডাইক্লোফেনাক।
ব্যথানাশক এ ওষুধ দেয়া পশুর মাংস খেয়ে, শকুন আজ মহাবিপন্ন। এমন বাস্তবতায়, প্রকৃতির এই পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের বাঁচাতে, উদ্যোগ নিয়েছে বন বিভাগ ও আই ইউ সি এন।

রেমা-কালেঙ্গের অভয়ারণ্যের নীল আকাশে নির্ভয়ে ভেসে বেড়ায় শকুনের দল। যেখানে শকুনের কোন ভয় নেই। মহাবিপন্ন এই পাখি বাঁচাতে, যে দুটি নিরাপদ অঞ্চল ঘোষণা করা হয়েছে, তার একটি সুন্দরবনকে ঘিরে এবং অন্যটি সিলেট অঞ্চল।
গত দুই দশকে এশিয়া থেকে ৯৯ দশমিক ৯ ভাগ শকুন বিলুপ্ত হয়ে গেছে। বাংলাদেশে টিকে আছে মাত্র আড়াইশো। মূলত, গবাদি পশুর চিকিৎসায় ডাইক্লোফেনাক ও কিটোপ্রফেন ব্যাবহার করায় এই বিপর্যয় ঘটেছে। মরা পশুর মাংস খেলে ডাইক্লোফেনাক যায় শকুনের শরীরে; যা তারা সহ্য করতে পারেনা।

আইইউসিএন এর কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ ইশতিয়াক উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘শকুন ডাইক্লোফেনাক দেওয়া গরু যদি খায় তাহলে তার কিডনী নষ্ট হয়ে যায়। এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যে তারা মারা যায়। বাংলাদেশে ডাইক্লোফেনাক ব্যবহার এবং উৎপাদন দুটোই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই গ্রুপের ওষুধ কিটোপ্রফেনকেও নিষিদ্ধ ঘোষণা করার প্রক্রিয়া চলছে।’
শকুন প্রকৃতিতে মরে যাওয়া পশু খেয়ে প্রকৃতিকে পরিচ্ছন্ন রাখে। অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত মরা পশু শত বছর মাটিতে পুতে রাখলেও, জীবানু ধ্বংস হয়না। কিন্তু, শকুনে খেয়ে ফেললে, সেই জীবানুও মরে যায়। জলাতঙ্কের জীবানুও ধ্বংস করতে পারে এই পাখি।
বড় বড় গাছ সমৃদ্ধ রেমার এই শকুন নিবাসে মানুষের ঢুকতে মানা। তাদের খেতে দেয়া হয় ডাইক্লোফেনাকমুক্ত গরু। শকুন বাঁচাতে ডাইক্লোফেনাক ও কিটোপ্রফেন জাতীয় ওষুধ ব্যাবহার বন্ধে মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে। এমনকি স্কুলের দেয়ালেও আঁকা হয়েছে শকুনের ছবি।

শকুন রোগ-বালাই থেকে প্রাণীকূলকে বাঁচায়; একথা জেনে, এই পাখির প্রতি মানুষের মনে ভালবাসা জন্মেছে। কিন্তু, প্রকল্প শেষ হলে, বন বিভাগের ভালবাসা থাকবে তো? সূত্র: চ্যানেল টোয়েন্টিফোর।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: