সর্বশেষ আপডেট : ৫ মিনিট ১৮ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

শিক্ষকের বেতনের জন্য শিক্ষার্থীর অতিরিক্ত ফি নয়

photo-1470748324নিউজ ডেস্ক: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া শ্রেণি শাখা বাড়ানো যাবে না। একই সঙ্গে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায় করা যাবে না।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি এমন নির্দেশনা দিয়ে আজ মঙ্গলবার একটি পরিপত্র জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ কে এম জাকির হোসেন ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এ প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ২০১৫ সালের নতুন পে-স্কেল প্রবর্তনের পরিপ্রেক্ষিতে বেসরকারি এমপিওভুক্ত, আংশিক এমপিওভুক্ত এবং এমপিওবিহীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো অস্বাভাবিক হারে বেতন ও টিউশন ফি বৃদ্ধি করে যাচ্ছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা জনবল কাঠামো অনুসারে নির্ধারণ করতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া কোনো শ্রেণি শাখা বৃদ্ধি করা যাবে না। শ্রেণি শাখার অনুমোদন না থাকলে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ বৈধ হবে না। অনুমোদন ছাড়া নিয়োগ করা শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন-ভাতার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছে কোনো বেতন বা ফি আদায় করা যাবে না। শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন-ভাতাদি জনবল কাঠামোতে নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্ধারণ করতে হবে। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সরকারি বেতন-ভাতার অংশের বাইরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বাড়তি ভাতা দিতে ইচ্ছুক হলে তার পরিমাণ এমনভাবে নির্ধারিত হবে যেন, একজন শিক্ষকের মোট প্রাপ্তি কোনোভাবেই একই স্কেলভুক্ত সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকের মোট প্রাপ্তির বেশি না হয়।

পরিপত্রে আরো বলা হয়, একজন ননএমপিও শিক্ষকের বেতন-ভাতার মোট পরিমাণ কোনোভাবেই সমস্কেলের একজন এমপিওভুক্ত শিক্ষকের বেতনের চেয়ে বেশি হবে না। প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় আর্থিক চাহিদা নিরূপণ করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিদ্যমান হারে ফি আদায় করা হলে তার মোট হিসাব প্রদর্শন করে ঘাটতি বা উদ্বৃত্ত নির্ধারণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে বর্ধিত বেতন-ভাতা বৃদ্ধি নির্ধারণ করতে হবে। তবে কোনো অবস্থাতেই ছাত্রছাত্রীদের বেতন সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশের বেশি বাড়ানো যাবে না। তা ছাড়া সংস্থাপন ব্যয় বাবদ ভর্তি নীতিমালায় বর্ণিত সেশন চার্জ ও উন্নয়ন ফি-এর অতিরিক্ত কোনো অর্থ আদায় করা যাবে না। বর্ণিত প্রক্রিয়ায় শুধু ঘাটতিসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানগুলো উক্ত ঘাটতি মেটানোর জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ ভর্তি ফি ও টিউশন ফি বৃদ্ধির মাধ্যমে আহরণের প্রস্তাব প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটির সুপারিশসহ অধ্যক্ষ বা প্রধান শিক্ষক তা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে দাখিল করবেন।

এতে বলা হয়, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা প্রস্তাবটি পরীক্ষা করে তা যথাযথ প্রতীয়মান হলে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা)-এর কাছে উপস্থাপন করবেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) অনুমোদন করলে বিদ্যালয় ফি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: