সর্বশেষ আপডেট : ৭ মিনিট ৪৩ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

১০ ‘মাস্টারমাইন্ড’ গোয়েন্দা নজরে

customer_engagement-720x340-550x260নিউজ ডেস্ক : কল্যাণপুরে জঙ্গিদের পরিকল্পিত অবস্থান, গুলশানের হলি আর্টিজানে নজিরবিহীন সন্ত্রাস, শোলাকিয়াসহ সাম্প্রতিক সব জঙ্গি হামলার মূল ‘দুই’ হোতার নাম পুলিশ ঘোষণা করলেও বাকি দশ ‘মাস্টারমাইন্ড’ আছে গোয়েন্দা নজরদারিতে। তাদের পাঁচজন রাজনীতি সংশ্লিষ্ট, চার জন যুদ্ধাপরাধীর সন্তান, একজন ব্যবসায়ী। তবে তারা দেশের বাইরে অবস্থানের সময় ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গেও দেখা করেছেন। একাধিক পুলিশ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
‘মাস্টারমাইন্ড’দের কয়েকজনের অবস্থান ও গতিবিধির বিষয়গুলোর ওপর বিশেষভাবে চোখ রাখছে পুলিশও। বিভিন্ন নাশকতামূলক ঘটনার আগে ও পরে তাদের ৪ জন বিদেশে গেলেও আবার দেশে এসেছে। তবে এখন তারা আবার বিদেশে চলে যেতে পারে এ আশঙ্কায় বিমানবন্দর ইমিগ্রেশনে তাদের একাধিক পাসপোর্ট নম্বর ও নাম-ঠিকানা দিয়ে রাখা হয়েছে। জানা গেছে, জেএমবির অধিকাংশ অর্থায়ন বিদেশ থেকেই হয়ে থাকে। এর সঙ্গেও তারা কোনো না কোনোভাবে জড়িত থাকতে পারে বলে গোয়েন্দাদের আশঙ্কা। মাস্টারমাইন্ডের দুজন আনসারুল্লাহ বাংলাটিমের (এবিটি) সহযোগী সমন্বয়কের কাজ করেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
মাস্টারমাইন্ডদের পাঁচজনের রাজনীতি সংশ্লিষ্টতা আছে, যারা একটি প্রভাবশালী দলকে বড় অংকের অর্থ ‘ ডোনেশন’ দিয়ে থাকে। চারজন যুদ্ধাপরাধীর সন্তান। বাকি একজন ব্যবসায়ী। যুদ্ধাপরাধীর সন্তান হিসেবে পরিচিত চারজনের মধ্যে একজন অনেকের পরিচিত ও উচ্চশিক্ষিত। তাদের গতিবিধি এখন সংকুচিত। প্রভাবশালী একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তাদের আগের মতো সুসম্পর্ক কিছুদিন ধরেই শিথিল। তবে সম্পর্ক নতুন করে ‘ঝালাই’ করার পক্ষে এসব যুদ্ধাপরাধীর সন্তান। তারা জেলে থাকা যুদ্ধাপরাধী মৃত্যুদ-াদেশ প্রাপ্ত আসামি মীর কাশেম আলীর হয়ে দেশের বাইরেও অন্যমোবাইলের মাধ্যমে যোগোযোগ অব্যাহত রাখছেন।
বাকী ছয় ‘মাস্টারমাইন্ড’ সিংহভাগ সময় অবস্থান করেন দেশের বাইরে। তারা পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, লন্ডন, কানাডা, দুবাই, সৌদিআরব রুটে নিয়মিত চলাচল ও যোগাযোগ রাখেন। এই মাস্টারমাইন্ডের কয়েকজনকে কানাডা প্রবাসী বলেও গোয়েন্দারা জানতে পেরেছে। তারা জামায়াত আর বিএনপির রাজনীতির ঘোর সমর্থক।
বর্তমানে বাজারে চালু রয়েছে ‘জামায়াতে ইসলামী’ এখন বিএনপি জোটের বিরাট সমস্যা। এ দল আর বিএনপির সম্পদ নয় বরং বোঝা। তাই খুব দ্রুতই এ বোঝাকে ঘাড় থেকে নামিয়ে দেওয়ার কথা চিন্তা-ভাবনা করছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। জামায়াতকে বাদ দিয়ে তিনি জঙ্গিবিরোধী ‘জাতীয় ঐক্য’ গড়তে চান শিগগিরই।
কাউন্টার টেররিজিম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘মাস্টারমাইন্ড’রা খালেদা জিয়ার এমন অস্বাভাবিক নীতির ঘোরবিরোধী। তাদের ধারণা বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক শক্তি। এই শক্তির‘ ছায়া’ সবসময়ই তারা চায়। বাংলাদেশকে অচল করে দেওয়া, বিশ্বের কয়েকটি দেশের মতো বাংলাদেশে ‘জঙ্গিসন্ত্রাস’ একনম্বর সমস্যা হয়ে উঠুক এটা তারা চায়। এ লক্ষ্যে জঙ্গিসন্ত্রাসীরা রাজধানীর শপিংমল, কমিউনিটি সেন্টার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নামকরা হোটেলসহ স্পর্শকাতর স্থানে অঘটন ঘটানোর পরিকল্পনা করেছিল। তবে কাউন্টার টেররিজিম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা এখন সর্বাত্মক সতর্কাবস্থায়।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: