সর্বশেষ আপডেট : ৩৮ মিনিট ৪ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

যে আলোচনা মীর কাসেম আলীকে নিয়ে

1466342762_18নিউজ ডেস্ক:
মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আলবদরের তৃতীয় শীর্ষ নেতা মীর কাসেম আলীকে নিয়ে রয়েছে নানামুখী আলোচনা। সরকারি দল আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দল থেকে ছিটকে পড়া বিএনপিতেও চলছে জামায়াত ও মীর কাসেমকে নিয়ে সগরম আলোচনা। এমনকি জামায়াতের মধ্যেও তাকে নিয়ে নানা আলোচনা রয়েছে।

এর আগে বিভিন্নভাবে আলোচনা-সমালোচনা ছিল কাসেম আলীর মামলার আপিল শুনানি এবং রায় নিয়ে। দেশের বর্তমান পরিস্থিতির জন্যও জামায়াত ইসলামীর এই নেতা এবং সংগঠনের গোপন তৎপরতা নিয়েও রয়েছে আলোচনা। এসব আলোচনার অবসান ঘটতে পারে ২৪ আগস্ট রিভিউ শুনানির মাধ্যমে।

সারাদেশে বিভিন্ন হামলা এবং রায় নিয়ে সরকারের দুই মন্ত্রীর সমালোচনা, মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার বন্ধে লবিস্ট নিয়োগে হাজার হাজার ডলার খরচের জন্য মীর কাসেম আলীর বিচারকে ঘিরে ছিল আলোচনার বিষয়।

সর্বশেষ রিভিউ শুনানিতে মীর কাসেম আলীর আইনজীবীকে বেশি সময় দেওয়াই মন্ত্রী পরিষদে আলোচনা সমালোচনা হয়। এখন বিচারপ্রার্থী এবং সচেতন মহল তাকিয়ে রয়েছে রিভিউ নিষ্পত্তির দিকে। তারা বলছেন, এই নেতার দণ্ড কার্যকরের মাধ্যমে সব আলোচনার ইতি ঘটতে পারে।

জামায়াত ইসলামীর মধ্যে আলোচনা ছিল মীর কাসেম আলী প্রচুর অর্থের মালিক। তার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ থাকলেও গ্রেফতার নাও হতে পারেন। একই সঙ্গে আলোচনা ছিল, দেশের বাইরে লবিস্ট নিয়োগ করে বিদেশিদের হস্তক্ষেপে বিচার থামিয়ে দিবে। টাকা দিয়ে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগ করবে। সেই আইনজীবীরা জামায়াত নেতাদের পক্ষে লড়বে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসবের কোনোটিই ধোপে টিকেনি।

এসব আলোচনা মধ্যেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির ফলে গ্রেফতারের পর শরু হয় নতুন আলোচনা। প্রশ্ন দেখা দেয় বিচার চললেও মৃত্যুদণ্ড হবে কিনা। তবে সকল আলোচনার অবসান ঘটিয়ে ট্রাইব্যুনাল থেকেই তার মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করা হয়। এখন মামলার রিভিউর নিষ্পত্তির পর্যায়ে রয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামী ও সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের পর মীর কাসেম ছিলেন আলবদর বাহিনীর তৃতীয় প্রধান নেতা। তার যোগানো অর্থেই জামায়াত দেশে বিদেশে লবিস্ট নিয়োগের শক্ত ভিত্তি পায় বলে আলোচনা রয়েছে।

মীর কসেম আলীকে নিয়ে বর্তমান সময়ে আলোচনায় থাকার বিষয়ে ঘতক দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবীর বলেন, এটা অত্যান্ত দুর্ভাগ্যজনক যে তাকে অনেক সময় দেওয়া হয়েছে। অনেক আগেই তার মামলার শুনানি শুরু হয়েছিল। এছাড়া খবরের কাগজে বের হয়েছে যুদ্ধাপরাধ বিচার বন্ধে মীর কাসেম আলী ও তার ভাই দেশে বিদেশে লবিস্ট নিয়োগ করেছে।

তিনি আরো বলেন, মীর কাসেম আলী ২০১০-১১ সাল থেকে নানা তৎপরতা চালিয়েছে। মামলায় রিভিউ নিষ্পত্তি যত দেরি হবে এসব ঘটনা তত বাড়বে। রিভিউ আবেদনের পর এমনিতেই তাকে এক মাস সময় দেওয়া হয়েছে। এর পরেও সময় দেওয়ার কারণ সুপ্রিম কোর্ট বলতে পারবে।জাগো নিউজ

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: