সর্বশেষ আপডেট : ৪ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

এবার ট্রাম্প পত্নীর মার্কিন নাগরিকত্ব নিয়ে সংশয়

full_1000097563_1470386683আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আসন্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচিত তার বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য। এদিকে তার স্ত্রী মেলানিয়ার মডেল জীবনের ছবি প্রকাশ পাওয়ার পর তাকে নিয়েও শুরু হয় সমালোচনা।

এবার প্রশ্ন উঠেছে তার যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব নিয়ে। শুনা যাচ্ছে, স্লোভেনিয়ায় জন্মগ্রহণকারী মেলানিয়া সঠিক উপায়ে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পান নি। যদিও এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন তিনি।

মেলানিয়া ট্রাম্প আগে থেকেই দাবি করছেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি মেনেই প্রক্রিয়া অনুসারে মার্কিন নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন।

মেলানিয়া বলেন, মডেল হিসেবে তিনি প্রথমে কয়েক বছর যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করেছেন, পরে গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করেছেন। তবে তার এই বক্তব্যে সংশয় রয়েছে।

২০১৬ সালে নিউ ইয়র্কারকে মেলানিয়া বলেছেন, ‘আমার একবারের জন্যও কাগজপত্র ছাড়া অবৈধভাবে এখানে থাকার কথা মনে হয়নি। আমি নিয়ম মেনে চলেছি। কয়েকমাস পর পর ইউরোপ থেকে ভিসার মেয়াদ বাড়িয়ে নিয়ে আবার এসেছি। একসময় গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করেছি। পেয়েছি ২০০১ সালে।’

কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, মেলানিয়া একবারও পরিস্কার করে বলেন নি, কোন ভিসা তিনি ব্যবহার করেছেন। নিউইয়র্কের ডুজ্যুর ম্যাগাজনের সাংবাদিক মাইকি র‍্যাপকিন জিজ্ঞাসা করেছিলেন, তিনি কি এইচ-১বি ভিসা ব্যাবহার করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে মডেল হিসেবে কাজ করার জন্য? প্রতিউত্তরে তিনি মাথা নেড়ে সম্মতি জানান।

কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে, এইচ-১বি ভিসার আওতায় মেলানিয়াকে ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর জন্য ইউরোপ যেতে হবে না, তিনি যুক্তরাষ্ট্রেই থাকতে পারতেন।

বৃহস্পতিবার রাজনৈতিক সংবাদ মাধ্যম পলিটিকোর প্রকাশিত একটি তদন্ত প্রতিবেদনে দেখা যায়, মেলানিয়ার কথার সাথে এইচ-১বি ভিসা নয় বরং শুধু বি-১ ব্যবসায়িক কিংবা টুরিস্ট ভিসার সঙ্গতি রয়েছে। ওই ভিসা অল্প সময়ের মেয়াদে প্রদান করা হয়, এবং ভিসার অধীনে মেলানিয়ার মডেল হিসেবে কাজ করতে পারার অনুমতি থাকার কথা নয়।

ওয়াশিংটনের একটি অভিবাসন আইন ভিতিক প্রতিষ্ঠান পলিটিকোকে জানিয়েছে, যদি মেলানিয়া ট্রাম্প বি-১ ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করে থাকে তাহলে মারাত্মক সমস্যা রয়েছে। কারণ এই ভিসার অধীনে কাজের অনুমতি নেই। এমনকি যদি কোন কাস্টম অফিসার এমন কারো কথা জানে তাকে দেশে ঢুকতে পর্যন্ত দেয়া হবে না। কাজেই তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: