সর্বশেষ আপডেট : ২ মিনিট ২২ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

জাতীয় দলে খেললেও বিমানবাহিনী ছাড়বেন না বড়লেখার এবাদত

ebadot20160804160006ডেইলি সিলেট ডেস্ক:
বিসিবির প্রতিভা অন্বেষণ কার্যক্রম ‘পেসার হান্ট’ থেকেই জাতীয় দলে উঠে এসেছেন রুবেল হোসেন। রুবেলের দেখানো পথেই আছেন বিমান বাহিনীতে কর্মরত এবাদত হোসেন। এবারের ‘ফাস্ট বোলার হান্ট’ কর্মসূচির সর্বোচ্চ গতির বোলার মৌলভীবাজারের জেলার বড়লেখার এ তরুণ। এইচপি ক্যাম্পে তাকে দেখে দারুণ মুগ্ধ পাকিস্তানি সাবেক পেসার ও কোচ আকিব জাভেদ। তবে জাতীয় দলে খেললেও বিমান বাহিনী ছাড়বেন না বলে জানান এ নবীণ।

বৃহস্পতিবার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে অনুশীলন শেষে এবাদত বলেন, ‘বিমানবাহিনীতে আমার যে অফিসার ছিলেন তিনি আমাকে বলেছেন তুমি যত বড় খেলোয়াড়ই হও না কেন তুমি বিমানবাহিনীকে সবসময় স্মরণ করবে। আর আমাকে এটা অবশ্যই করতে হবে। কারণ তাদের কারণেই এখানে আসতে পেরেছি। তারা সুযোগ না দিলে এখানে আসতে পারতাম না। জাতীয় দলে খেললেও বিমানবাহিনী ছাড়ার চিন্তা করবো না।’

জাতীয় দলে খেললেও তাকে বিমানবাহিনী ছাড়বে না বলে জানান এবাদত। তার মতে, এটা বিমানবাহিনীর জন্য এক প্রকার বিজ্ঞাপনের মতো হবে। গত কয়েকদিনের ক্যাম্পের পর এবাদত বুঝতে পেরেছেন ক্রিকেটে বড় কিছু করতে হলে নিয়মিত ক্রিকেটের মধ্যেই থাকতে হবে।

আর বিমানবাহিনী তাকে সবরকম সহায়তা করবে বলে বিশ্বাস করেন এ নবীণ, ‘আসলে এখানে আসার পর আট সপ্তাহ, নয় সপ্তাহ অনুশীলনে বুঝতে পারলাম ক্রিকেটের টাচে থাকতে হবে। আমি বিমানবাহিনীতে চাকুরি করি, তারা শুরু থেকেই ইতিবাচক ছিল, যখনই ছুটির দরকার ছিল, বা বিসিবি ডাকছে বা কোনো ক্লাব লেভেলে খেলতে গেছি তারা আমাকে সাহায্য করেছে। আমার মনে হয় আগামীতেও আমাকে সাহায্য করবে। আর এখানে থেকে আমি একটি চিঠি নিয়ে যাব, যাতে আমি নিয়মিত এখানে আসতে পারি, জিম করতে পারি বা ট্রেনারদের সঙ্গে কথা বলতে পারি ও ফিটনেস নিয়ে কাজ করতে পারি।’

নিজেকে কিছুটা ভাগ্যবান ভাবতে পারেন এবাদত। এইচপি ক্যাম্পে এসে আকিব জাভেদের মতো বিশ্বসেরা পেসারের সঙ্গে কাজ করতে পেরেছেন। শুধু তাই নয়, এ নবীণের বোলিংয়ে রীতিমতো বিস্মিত আকিব। এমন শারীরিক কাঠামোতে এতো জোরে বল করতে পারায় আকিবের কাছ থেকে জিনিয়াস উপাধি পেয়েছেন তিনি।

‘আকিব জাভেদ প্রথম যেদিন এসেছেন সেদিন তিনি আমাদের গতি, রানআপ নিয়ে কাজ করেছেন। কীভাবে বোলিংয়ের গতি বাড়াতে হয়। এরপর সুইং, ভেরিয়েশন এবং শেষ দিন রিভার্স সুইং নিয়ে কাজ করেছেন। তিনি আমার শারীরিক কাঠামো দেখে বুঝতে পারেননি যে আমি এতো জোরে বল করতে পারি। উনি আমাকে বলেছেন, তুমি তো আসলে জিনিয়াস, এতো জোরে বল করতে পারো এই শরীর নিয়ে। যদি মাসেল আরেকটু বিল্ডআপ হয় তাহলে আরো জোরে বল করতে পারবে।’

সর্বশেষ রেকর্ডে ঘণ্টায় ১৩৯.৯ কিমি গতিতে বল করেছেন এবাদত। স্বপ্ন দেখেন একদিন জাতীয় দলে খেলবেন। আকিব জাভেদের অধীনে কিছু টিপস পেয়ে দারুণ উপকৃত হয়েছেন বলে জানান তিনি। নিয়মিত তা নিয়ে কাজ করবেন এ নবীন, ‘আসলে ছোট বেলা থেকেই ক্রিকেট ভালোবাসতাম, আর আমার রক্তে ক্রিকেটই মিশে আছে। তাই ক্রিকেটকে কখনোই পেছনে রাখি না, সামনেই রাখি। যেহেতু আমার স্বপ্ন ক্রিকেট খেলা তাই সবসময় ক্রিকেট নিয়েই চিন্তা করি। আকিব জাভেদ যখন আসলেন তখন তার কাছ থেকে যে চারটা দিন কাজ করেছেন তা থেকে কে কি নিয়েছে জানি না আমি অনেক উপকৃত হয়েছি। আমি আমার গতি ও রানআপ নিয়ে কাজ করবো। কীভাবে রান আপ নিতে হয়, কীভাবে রিভার্স সুইং করাতে হয় তা করবো।’

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: