সর্বশেষ আপডেট : ২ ঘন্টা আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

১০ বছর ধরে তরুণী ধর্ষিত, সন্তানের জন্মও দিয়েছে…

imagesনিউজ ডেস্ক::বলা হয় প্রকৃত সাহসিনী তিনিই, যিনি গতকাল রাত্রে কেঁদেও আজ সকালের হাসিটা দিব্যি বজায় রাখেন। তবে এই সাহসিনী দু’একটা রাতই শুধু নয়, গত দশ বছর ধরে বার বার ধাক্কা খেয়েছেন, কেঁদেছেন, কিন্ত হার মানেননি জীবনের কাছে। ইতিমধ্যেই শিকার হয়েছেন অপহরণ, পাচার থেকে শুরু করে শারীরিক-মানসিক নির্যাতন, ধর্ষণ এমনকী জোর করে বিয়েরও। খবর-এবেলা
অবশেষে দশটি দুঃস্বপ্নের বছর পার করে গত ২৫ জুলাই বাড়ি ফিরতে সক্ষম হয়েছেন দিল্লির বাসিন্দা ওই তরুণী। এখন তাঁর বয়স ২২। ১২ বছর বয়সে সিলামপুর জনতা কলোনির কাছে এক দম্পতি তাঁকে অপহরণ করেছিল।

ঘটনাটি ২০০৬ সালের। নির্যাতিতা জানিয়েছেন, বাড়ির কাছে এক আত্মীয়ের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন তিনি। সেই সময়ে ওই দম্পতি টেনেহিঁচড়ে তাঁকে গাড়িতে তুলে অজ্ঞান করে। তাঁর মায়ের কথায়, ‘‘জ্ঞান ফেরার পর সমবয়সি দশটি মেয়ের সঙ্গে বন্দি অবস্থায় আম্বালার একটি ঘরে নিজেকে খুঁজে পায় ও। প্রায় পনেরো-কুড়ি দিন সেখানে আটকে রাখা হয় ওকে। এর পরে সেই দম্পতি গুজরাটের একটি গ্রামে, এক কৃষকের কাছে ওকে বিক্রি করে।’’

তরুণীর ঠাঁই হয় চাষের জমির পাশে একটি পাম্পঘরে। দু’বছর ধরে সে ঘরেই তাকে আটকে রাখা হত। দিনে চাষ, রাতে বন্দি— এই ছিল সানার দিনলিপি। সংবাদমাধ্যমকে ওই তরুণীর মা আরও বলেছেন, ‘‘এই সময়ে চাষীর ছেলে বলবন্ত নিয়মিত ধর্ষণ করেছে মেয়েটাকে। শুধু তা-ই নয়, ওকে মারত, সিগারেটের ছ্যাঁকা দিত।’’

ঠিক দু’বছর পর ওই দম্পতি আবার ফিরে আসে। এবার তরুণীকে নিয়ে যাওয়া হয় আম্বালা, চণ্ডীগড় ও পঞ্জাবের বেশ কয়েকটি গ্রামে। সবশেষে পঞ্জাবের এক স্থানে এক ব্যক্তির কাছে তাকে ফের বিক্রি করা হয়। তরুণী বলেছেন, ‘‘‘সেই ব্যক্তি তার এক ড্রাইভার আত্মীয়ের সঙ্গে আমাকে জোর করে বিয়ে দিয়েছিল। কয়েক বছর পরে আমি দুই সন্তানের জন্ম দিই। বছর তিনেক বাদে তিনি মারা গেলে দুই সন্তানকে কেড়ে নিয়ে পরিবার থেকে আমায় বের করে দেওয়া হয়।’’

এর পরে তিনি নিজেই ফিরে আসেন আম্বালায়। ইতিমধ্যে আম্বালায় এক মহিলার সঙ্গে তাঁর আলাপ হয়, যিনি একটি কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন এবং শিলিগুড়িতে নিয়ে আসেন তাকে। এখানে তরুণী একটি বারে নৃত্যশিল্পী হিসেবে কাজ করেন কিছুদিন। তরুণীর মুখে তাঁর কাহিনি শোনার পরে ওই মহিলা দায়িত্ব নিয়ে দিল্লিতে তাঁর পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেন।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: