সর্বশেষ আপডেট : ২ মিনিট ৫৭ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

হাতি উদ্ধারে আজ আসছে ভারতীয় দল

141405_136-550x330নিউজ ডেস্ক : ভারতীয় বুনো হাতি উদ্ধারে আজ বুধবার একটি ভারতীয় প্রতিনিধি দল আসছে। আগামীকাল থেকেই ওই দলটির উদ্ধার অভিযান শুরু করার কথা রয়েছে। বুনো হাতিটি কয়েক সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন জেলার প্রত্যন্ত চর এলাকায় ঘোরাঘুরির পর এখন জামালপুরের একটি চরে অবস্থান নিয়েছে।
কর্মকর্তারা বলছেন, হাতিটি এখন যে অবস্থানে রয়েছে, সেখানে সেটি উদ্ধার করতে গেলে উল্টো বিপদে পড়তে পারে। ভারতীয় কারিগরি টিমের কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনার পর তারা ঠিক করবেন, কোন প্রক্রিয়ায় হাতিকে উদ্ধার করে নিরাপদে সরিয়ে আনা হবে।
বাংলাদেশ বন বিভাগের বন্য প্রাণী বিভাগের উপ-বন সংরক্ষক মো. সাহাবউদ্দিন বলছেন, ‘’আমাদের দপ্তরের একটি দল হাতিটিকে পর্যবেক্ষণ কিন্তু হাতিটি এখন এমন এলাকায় রয়েছে, যেখানে বন্যা চলছে। সেখানে হাতিটিকে অজ্ঞান করা হলে, সেটিকে অন্যত্র সরিয়ে নিতে অসুবিধা হতে পারে বলে আমরা এখনো সেটিকে অজ্ঞান করছি না। তাহলে সেটি আবার পানিতে পড়ে দিয়ে মারাও যেতে পারে।”
এই হাতিটির ওজন পাঁচ টনের বেশি। তাই সেটিকে শুধু অজ্ঞান করলেই হবে না, প্রাণীটিকে নিরাপদে পরিবহনের ব্যবস্থাও করতে হবে। কিন্তু কর্মকর্তারা বলছেন, ওই চরে প্রাণীটিকে তুলে কোন ট্রলার বা কোন বাহনে তোলা সম্ভব না। এসব দিক বিবেচনা করে একটি নিরাপদ স্থানে হাতিটিকে নিয়ে আসার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
সাহাবউদ্দিন বলেন, ‘এই হাতিটি একটি ভারতীয় হাতি। তাই এটিকে উদ্ধারের জন্য আজ একটি ভারতীয় বিশেষজ্ঞ টিম আসছে। আগামীকাল থেকেই ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি দেখে, আলাপ আলোচনা করে একটি সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’
কর্মকর্তারা বলছেন, বুনো হাতিটিকে ভারতে পাঠানো হবে, নাকি বাংলাদেশের কোন পার্কে রাখা হবে, সেটি ভারতীয় কর্মকর্তাদের আলোচনা এবং হাতিটির অবস্থা পর্যালোচনার পরে ঠিক করা হবে।
সাহাবউদ্দিন বলছেন, ‘এভাবে এতদিন ধরে একটি হাতি কোথাও আটকে থাকার ঘটনা নজিরবিহীন। প্রায়ই উত্তরাঞ্চলের লোকালয়ে ভারতীয় বুনো হাতি আসার কথা শোনা যায়। কিন্তু পরে আবার সেগুলো চলে যায়। কিন্তু এভাবে দীর্ঘদিন ধরে একটি বুনো হাতি আটকে থাকার ঘটনা আগে দেখা যায়নি।’
তিনি বলেন, ‘হাতিটিও সমস্যার ভিতরে রয়েছে। যেখানে রয়েছে, সেখানে অনেক পানি। চারদিকে মানুষজন বিরক্ত করছে। উজান থেকে আসলেও, বন্যায় পানি বেড়ে যাওয়ায় সেটি আর সেদিকে দিকে যেতেও পারছে না।’

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: