সর্বশেষ আপডেট : ৫ মিনিট ৯ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

গুলশান হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ দু’জনই সিলেটের!

Tamim Jia news daily sylhetডেইলি সিলেট ডেস্ক:: রাজধানীর গুলশান, কল্যাণপুর ও শোলাকিয়া হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ তামিম চৌধুরী এবং চাকরিচ্যুত সেনাবাহিনীর মেজর জিয়াউল হককে চিহ্নিত করেছে আইনশৃংখলা বাহিনী। তাদের গ্রেফতারে ২০লাখ টাকা করে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে এই দুই মাস্টারমাইন্ড এর বাড়ি সিলেটে। একজন কানাডা প্রবাসী তামিম আহমদ চৌধুরী সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার বাসিন্দা এবং অপরজন মেজর জিয়া সিলেটের মৌলভীবাজার সদর উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নে।

কে এই মেজর জিয়াউল হক

জিয়াউলের হকের পুরো নাম সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক। তার বাবার নাম সৈয়দ মোহাম্মদ জিল্লুল হক। সর্বশেষ ব্যবহৃত বর্তমান ঠিকানা পলাশ, মিরপুর সেনানিবাস, ঢাকা।

মূলত সেনাবাহিনীতে একটি ব্যর্থ অভ্যুত্থানচেষ্টার পরই ২০১২ সালে আলোচনায় আসেন মেজর (চাকরিচ্যুত) সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক। অভ্যুত্থানচেষ্টা ব্যর্থ হবার পর থেকেই জিয়ার আর কোনো সন্ধান মেলেনি। জিয়াকে ধরতে সেই সময় পটুয়াখালী শহরের সবুজবাগ এলাকায় জিয়ার শ্বশুর মোখলেছুর রহমানের বাসায় দফায় দফায় অভিযান চালায় পুলিশ। রাজধানীর কয়েকটি স্থানেও জিয়ার খোঁজে চলে অভিযান।

কিন্তু আজও জিয়া রয়েছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। মেজর জিয়ার শাশুড়ি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা হামিদা বেগম সেই সময় গণমাধ্যমকে জানান, জিয়া পটুয়াখালীর বাসায় কখনো আসেননি।

২০১২ সালের ১৯ জানুয়ারি সেনাসদর দফতরে এক সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সেনাবাহিনীর সাবেক ও বর্তমান কিছু সদস্য দেশের গণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাত এবং সেনাবাহিনীতে অভ্যুত্থানের চেষ্টা করেছিল। ২০১১ সালের ১৩ ডিসেম্বর এই চক্রান্ত সেনাবাহিনী জানতে পারে। ১৯ জানুযারি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়েছিল, এ ঘটনার সঙ্গে সেনাবাহিনীর মধ্যম পর্যায়ের ১৪ থেকে ১৬ কর্মকর্তা জড়িত থাকতে পারেন।

এই অভ্যুত্থান-চেষ্টায় বিদেশ থেকে ইন্ধন যোগানো প্রবাসী বাংলাদেশি ইশরাক আহমেদের নামও জানা যায়।

ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের তদন্ত দ্রুত শেষ করার জন্য সেই সময় সেনাবাহিনীতে মোট ৬টি তদন্ত আদালত কাজ শুরু করে। একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের তদন্ত আদালত কেন্দ্রীয় পর্যায়ে সমন্বয়ের কাজে যুক্ত ছিলেন। লে. কর্নেল পদমর্যাদার কর্মকর্তার নেতৃত্বে ৩ সদস্য করে ঢাকার বাইরে আরও পাঁচটি তদন্ত আদালত তখন গঠন করা হয়েছিল।

সেই সময় সেনা বাহিনীর সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, মেজর জিয়ার হিযবুত তাহরীরের সঙ্গে জড়িত।

পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক ‘ডন’-এর খবর অনুযায়ী, গত বছরের ৯ জানুয়ারি করাচিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে এক বন্দুকযুদ্ধে এজাজসহ আল-কায়েদার চার জঙ্গি নিহত হয়। ওই খবরে এজাজ ওরফে সাজ্জাদকে একিউআইএসের কমান্ডার বলে উল্লেখ করা হয়। পরে বাংলাদেশের জঙ্গিবাদবিরোধী কার্যক্রমে যুক্ত গোয়েন্দারা এজাজ নিহত হওয়ার কথা নিশ্চিত হন।

এজাজের মৃত্যুর পরে আনসারুল্লাহ নতুন নেতৃত্বে পুনর্গঠিত হয়। জসীমুদ্দিন রাহমানীর স্থলে তাত্ত্বিক নেতা হন পুরান ঢাকার ফরিদাবাদের এক মাদ্রাসা শিক্ষক। আর সামরিক শাখার নেতৃত্বে আসেন মেজর (বহিষ্কৃত) সৈয়দ মো. জিয়াউল হক।

বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, মেজর জিয়া আগে থেকেই উগ্র গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মুফতি জসীমুদ্দিন রাহমানী গ্রেপ্তার হওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদে বলেছেন, ধরা পড়ার আগে তিনি একাধিকবার ঢাকা ও চট্টগ্রামে মেজর জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের ধারণা, জিয়া এই জঙ্গিগোষ্ঠীর সামরিক শাখার দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০১৫ সালে সবচেয়ে বেশি ব্লগার হত্যা ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলা এত বেশি নিখুঁতভাবে হয় যে ঘাতকদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে পড়েছে। কর্মকর্তাদের ধারণা, নতুন নেতৃত্ব আসার পর আনসারুল্লাহ ‘আনসার আল ইসলাম’ নাম ধারণ করেছে।

কে এই তামিম চৌধুরী

 বাংলাদেশে আইএসের প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে আলোচনায় ওঠে এসেছে কানাডীয়-বাংলাদেশী নাগরিক তামিম আহমেদ চৌধুরীর নাম। সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার দুবাগ ইউনিয়নের বড়গ্রামের প্রয়াত আব্দুল মজিদ চৌধুরীর ছেলে শফি আহমদ চৌধুরীর পুত্র তামিম। তার বাবা মজিদ চৌধুরী ছিলেন একাত্তরে শান্তি কমিটির সদস্য। তবে তামিম কখনো বিয়ানীবাজারের বাড়িতে আসেনি। তার জন্ম কানাডায় জন্ম। সেখানেই বেড়ে ওঠা। তামিম বিবাহিত। তিন সন্তানের বাবা। আত্মীয়দের সাথে তেমন সম্পর্ক নেই।

আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলার ঘটনায় তিনিই ছিলেন ‘মাস্টারমাইন্ড’। কল্যাণপুরের জঙ্গিদের গোপন আস্তানায় তামিম চৌধুরী নিয়মিত বৈঠক করতেন, জঙ্গিদের উজ্জীবিত করা এবং তাদের আর্থিক সহায়তা দেয়ার অভিযোগ ওঠেছে তার বিরুদ্ধে। অপারেশন স্টর্ম-২৬ অভিযানকালে কল্যাণপুর জঙ্গী আস্তানায় পালিয়ে যাওয়ার সময়ে আহত অবস্থায় আটক রাকিবুল হাসান রিগ্যানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এসব তথ্য পেয়েছে গোয়েন্দারা।

ঢাকা মহানগর পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার তদন্ত কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, তামিম আহমেদ চৌধুরী হলেন বাংলাদেশের কথিত ইসলামিক স্টেট (আইএস) প্রধান আবু ইব্রাহিম আল-হানিফ।

চলতি বছর এপ্রিলে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট-এর মুখপাত্র বলে পরিচিত ‘দাবিক’ ম্যাগাজিনে শেখ আবু ইব্রাহিম আল হানিফ নামের এক ব্যক্তিকে আইএসের বাংলাদেশি শাখার প্রধান বলে পরিচয় করিয়ে দেয়। তিনি একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডীয় নাগরিক। তার আসল নাম তামিম আহমেদ চৌধুরী।

ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, জঙ্গি সংগঠন জেএমবি’র (জামাত উল মুজাহিদিন বাংলাদেশ একাংশ আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের হয়ে নাশকতা চালাচ্ছে। এই গ্রুপের শীর্ষ নেতা তামিম চৌধুরী। বছর দুয়েক আগে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান নাগরিক তামিম চৌধুরী দেশে ফিরেছে। আত্মগোপন করে জঙ্গি কর্মকান্ডে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের এক কর্মকর্তা বলেছেন, কল্যাণপুরে জঙ্গী আস্থানার গোপন তথ্য পায় পুলিশি অভিযানের চারদিন আগে। তখনই ধারণা করা হয় তামিম চৌধুরীই গুলশান হামলার মাস্টারমাইন্ড। এমনকি কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় ঈদের জামাতের দিনে জঙ্গী হামলার মাস্টারমাইন্ডও তাকেই মনে করা হচ্ছে। তামিম চৌধুরীসহ পাঁচজন ভারতে পালিয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হলেও তারা দেশের ভেতরে নেই তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

ইসলামিক স্টেটের বাংলাদেশ প্রধান শেখ আবু ইব্রাহিমের অপর নাম আল-হানিফ। কানাডার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের দাবি, ৩৫ বছর বয়সী আবু ইব্রাহিমের আসল নাম তামিম আহমেদ চৌধুরী। তিনি কানাডাবাসী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাগরিক। কানাডার উইন্ডসর শহরে থাকতেন। সেখানে বসেই আইএসের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তুলেন। প্রায় তিন বছর আগে ২০১৩ সালে কানাডা ছেড়ে বাংলাদেশে চলে আসেন তামিম চৌধুরী।

ইসলামিক স্টেটের ঘোষণা

 আবু ইব্রাহিম আল হানিফ ওরফে তামিমের নির্দেশেই আইএসের বাংলাদেশ শাখা ভারত ও মায়ানমারে নাশকতা চালাবে। আইএস মুখপত্র বলে পরিচিত ‘দাবিক’ ম্যাগাজিনের ১৪ তম সংখ্যায় এমনই দাবি করা হয়েছিল। তারপরেই ঢাকার গুলশনে ও কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় পরপর হামলা হয়। পত্রিকায় বলা হয়েছিল বাংলাদেশ সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ, অসম-মেঘালয়ের কিছু অংশ, ত্রিপুরা ও মায়ানমারের কিছু অংশ নিয়ে এক জঙ্গি বাংলা প্রদেশ তৈরি করা হবে। কট্টর ইসলামি আদর্শই হবে এই রাষ্ট্রের আদর্শ। সেই প্রস্তুতি শুরু করেছে আইএসের বাংলাদেশ শাখার প্রধান আবু ইব্রাহিম ওরফে তামিম চৌধুরী।

মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি তামিম চৌধুরী

 বাংলাদেশ গোয়েন্দা গোয়েন্দাদের ধারণা, গুলশন ও কিশোরগঞ্জে হামলার পরই সীমান্ত পার করে ভারতের কোনও একটি অঞ্চলে ঘাঁটি গেড়েছিলেন তামিম ওরফে আবু ইব্রাহিম। পরে তিনি আবার ফিরে আসেন বাংলাদেশে। কল্যাণপুর জঙ্গী আস্তানায় যে তামিম চৌধুরীর প্রায়শ যাতায়াত ছিল এবং জঙ্গীদের সঙ্গে গোপন বৈঠকে মিলিত হতেন, সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময়ে আহত অবস্থায় আটক রাকিবুল হাসান রিগ্যানকে জিজ্ঞাসাবাদে এই ধরনের তথ্যই পেয়েছে গোয়েন্দারা। তামিম চৌধুরীর বিরুদ্ধে জঙ্গীদের উজ্জীবিত করা এবং তাদের আর্থিক সহায়তা দেয়ার অভিযোগ রয়েছে, যা কল্যাণপুর জঙ্গী আস্তানায় অভিযান শেষে মিরপুর থানায় দায়ের করা মামলার এজাহারেও উল্লেখ করেছে পুলিশ। মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি তামিম চৌধুরীর খোঁজে চলছে বিশেষ অভিযান।

তামিম চৌধুরীর বৈঠক নিয়ে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন

 ভারতের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস ট্রাস্ট ইন্ডিয়া পিটিআই-এর বরাত দিয়ে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক পুলিশ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে পিটিআইকে জানিয়েছেন, কল্যাণপুরে জঙ্গি আস্তানায় পুলিশি অভিযানের চার দিন আগে পুলিশ প্রথম সূত্র পায়, আর এ থেকে তামিম চৌধুরীকে গুলশান হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে শনাক্ত করা হয়। বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ আগে থেকেই তামিম চৌধুরীকে গুলশান হামলার সঙ্গে জড়িত বলে মনে করছিল।

ওই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা তামিম চৌধুরীকে পরপর দুটি জঙ্গি হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে শনাক্ত করি। তাকে খুঁজে বের করার জন্য আমরা একটি তল্লাশি অভিযান শুরু করি। আমরা মনে করি, সে (তামিম চৌধুরী) তিন বছর আগে কানাডা থেকে ফিরে এখন বাংলাদেশেই আছে।’

পুলিশ প্রতিবেদন অনুযায়ী, তামিম চৌধুরীর কল্যাণপুরে যাতায়াত ছিল। সেখানে জঙ্গিদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া এবং জঙ্গি তৎপরতা চালাতে উদ্বুদ্ধ করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। কল্যাণপুরের অভিযানে আহত অবস্থায় আটক জঙ্গি রকিবুল হাসানও পুলিশকে এই কথা নিশ্চিত করেছে বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এএনআই জানিয়েছে।

ইসলামিক স্টেট (আইএস) তামিম চৌধুরীকেই বাংলাদেশে আইএসের প্রধান বলে দাবি করেছে। আনুমানিক ৩৫ বছর বয়সী তামিম চৌধুরীকেই বাংলাদেশের কথিত আইএস প্রধান আবু ইব্রাহিম আল-হানিফ বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০১৩ সালে তিনি কানাডা ছাড়েন। অনেক নিরাপত্তা বিশ্লেষক তার পরিচয় নিশ্চিত করেছেন। চলতি বছরে আইএসের কথিত ম্যাগাজিন দাবিক-এ তার একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছিল।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: