সর্বশেষ আপডেট : ১২ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

রাস্তা উন্নয়নের তেমন ছোঁয়া লাগেনি সিলেটের দুই উপজেলায়

daily sylhet 0-211 copyএম আর সরকার, গোয়াইনঘাট::
বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নের ছোঁয়া দেশের প্রতিটি জেলা উপজেলায় লাগলেও রাস্তার উন্নয়নের তেমন কোন উন্নতির ছোঁয়া লাগেনি সিলেটের দুইটি উপজেলা জৈন্তা-গোয়াইনঘাট।

জৈন্তা-গোয়াইনঘাট উপজেলা দুটি উত্তর সিলেটের প্রকৃতির কন্যা হিসেবে দেশ-বিদেশে পরিচিত থাকলেও রাস্তার কোন উন্নয়ন সাধিত হয়নি দীর্ঘ ৪-৫ বছরে। গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির কারণে বল্লাঘাট মামার বাজার রাস্তাটির নাজুক অবস্থা বিরাজ করছে। টানা বৃষ্টি পাহাড়ি ঢলের কারণে রাস্তার খান্খন্দের প্রতিটি অংশেই ঝিলের কাদায় পরিনত হয়েছে। বল্লাঘাট থেকে জৈন্তার পর্যন্ত মাঝে মধ্যে রয়েছে ছোট বড় অগনতি গর্ত। আর প্রতিটি গর্তই যেন মরণ ফাঁদ।

বল্লাঘাট-থেকে জৈন্তাপুর পর্যন্ত অধিকাংশ রাস্তা জোরেই রয়েছে খানাখন্দ। জৈন্তাপুর থেকে জাফলং পর্যন্ত রাস্তার কিছুটা অংশের কাজ সংস্কার করা হয়েছে। কিন্তু পরিপূর্ণ কাজ শেষ না হওয়ার কারণে মালবাহী এবং যাত্রীবাহী গাড়ী নিয়ে চলা চল করতে চালক ও যাত্রীদের পুহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তী। দেশ-বিদেশে পর্যটন নগরী হিসেবে পরিচিত থাকলেও এই ব্যস্তময় পর্যটক এলাকার রাস্তারঘাট খানাখন্দে ভড়া থাকার কারণে পর্যটক এখন জাফলং পর্যটক এলাকা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। পর্যটক এলাকার রাস্তার অবস্থা এমন থাকলে পর্যটকরা জাফলং এলাকা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে মন্তব্য এই এলাকার জণসাধারন সহ বেড়াতে আসা পর্যটকদের। মাননীয় এমপি মহোদয়ের নিকট জোড়ালো দাবি এই এলাকার মানুষ ও বেড়াতে আসা পর্যটকদের কথা বিবেচনা করে রাস্তাটি সংস্কার করা অতিব জরুরী।

এই গুরুত্বপুর্ন্য রাস্তা দিয়ে পিয়াইন নদী উত্তোলিত পাথর সহ ভারত থেকে আমদানি করা এলসি পাথর চোনা পাথর তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে আসা সমস্ত যানবাহন এই রাস্তা দিয়েই যাতায়ত করতে হয়। কিন্তু রাস্তার খানাখন্দের জন্য সরকারের উপরস্থ কতৃপক্ষে নেই কোন মাথা ব্যথা।

সরেজমিন পরিদর্শন কালে দেখা যায় কয়েকদিন আগেও যেন পর্যটন কেন্দ্র জাফলং ছিলো ধুলোর রাজ্য। গত দু’একদিনের হাল্কা বৃষ্টিতে সেই ধুলোর রাজ্যের পুরো চিত্রই পাল্টে গেছে। সিলেট তামাবিল মহা সড়কের মামার বাজার ও বল্লাঘাট এলাকার খানাখন্দে ভরা রাস্তায় মেঘের পানি জমে এখন কাদা জলে একাকার।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান লেবু জানান, শীত কালে এই এলাকায় থাকে ধুলোর ছড়াছড়ি। আর বর্ষা শুরু হওয়ার আগেই সামান্য বৃষ্টিতেই খানাখন্দে ভরা মহা সড়কে ঝিলেরকাদা জলে একাকার হয়ে পড়ে এই এলাকার মহা-সড়কের চিত্র। গত কয়েক বছর যাবত এই সড়কের বেহাল দশা থাকলেও সংস্কার অভাবে মরণ ফাদে পরিনত হয়েছে।

এ ব্যপারে জেলা প্রকৌশলী শেখ মনিরুল ইসলাম জানান মামার বাজার থেকে বল্লাঘাট পর্যন্ত রাস্তাটি আমাদের সড়ক ওজনপদ বিভাগের আওতাধিন নয়। তিনি আরও বলেন সিলেট-তামাবিল মহা সড়কের অধিকাংশ রাস্তা অবস্থা ছিলো নাজুক। মাস খানেক আগে রাস্তাটি সড়ক ও জনপদ বিভাগের উদ্যোগে অধিকাংশ রাস্তার রিপায়ারিং কাজ করা হয়েছে। এবং রাস্তার কিছু অংশ ইট ও পাথরের খুয়া ফেলে গাড়ি চলাচলের জন্য উপযোগী করা হয়েছে। পর্যাপ্ত তহবিল না থাকার কারণে নতুন করে কাজ ধরতে পারছিনা তহবলি পেলে কাজ সম্পূর্ণ করা হবে।

পাথর ও কয়লা ব্যবসায়ী নজরুল সিকদার জানান, ৪ বছর যাবত রাস্তার দেড় কিলোমিটার জায়গা খানাখন্দে ভড়া মালবাহী এবং যাত্রীবাহী গাড়ী নিয়ে চলা চল করতে চালকদের ও যাত্রীদের পুহাতে হয় চরম ভোগান্তী, তিনি আরও বলেন সরকারী উদ্দোগে অচিরের এই রাস্তার কাজ শুরু করে পর্যটক এলাকা জাফলংকে মডেল নগরী হিসেবে গড়ে তুলবেন বলে আমার আশাবাদী।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: