সর্বশেষ আপডেট : ২৭ মিনিট ৬ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

কোলাহল নেই কারা ফটকে হতাশায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা

170006112-300x160নিউজ ডেস্ক : প্রতিদিন হাজারো মানুষের কোলাহলে শুরু হতো সকাল। বেলা বাড়তেই মানুষ আর যানজট লেগে থাকতো পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে। কিন্তু গতকাল এ চিত্র ছিল উল্টো। কোলাহল না থাকলেও যানজট ছিল কিছু।
সকাল ১১টার দিকে কারা ফটকে গিয়ে দেখা যায়, ভেতর থেকে আসবাবপত্র বের করা হচ্ছে। আগের মত কারারক্ষী নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন না করলেও বেশকজন রয়েছেন ফটকের দায়িত্বেই। বিশেষ করে অন্যদিনে একজন কারারক্ষী গেট কিপারের দায়িত্বে থাকতেন। সার্বক্ষণিক তালার চাবি থাকতো তার কাছেই। শনিবার এ চাবি ছিল সাধারণ একজন কারারক্ষীর কাছে। দোতলায় জেলার নেছার আলমের বাসা খালি করতে দেখা যায়। পিকআপ ভ্যানে ভরে নিয়ে যাওয়া হয় বাসার মালামাল। পাশাপাশি কারা অফিসের মালামালও সরিয়ে নিতে দেখা যায়।
মাহবুব নামের একজন স্থানীয় দোকানদার জানান, কারাগার স্থানান্তর করায় এখানকার দোকানের ব্যবসায় কিছুটা মন্দা। কারা ফটকের সামনের বেশকটি পান সিগারেটের দোকানে আগে প্রতিদিন মোবাইল রেখে কারাবন্দীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন স্বজনরা। অবশ্য মোবাইল প্রতি ১০ টাকা করে নেয়া হতো। এ ব্যবসাটিও বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেকটা হতাশা প্রকাশ করেন তিনি।
সালাম নামের আরেক ব্যবসায়ী বলেন, এই কারাগার সড়ানোয় সবার জন্যই ভাল হয়েছে। প্রতিদিন দীর্ঘ যানজট লেগে থাকতো নাজিমউদ্দিন রোডে। এখন আর তা হবেনা। ব্যবসা কিছু কম হলেও শান্ত পরিবেশই ভাল লাগছে।
কারাগারের পাশের এক ক্ষুদে ব্যবসায়ী হতাশা প্রকাশ করে বলেছেন, ‘কি আর করা অহন কারাগার নাই, ব্যবসাও নাই। আবার ফুটপাত তুইলা দেয়ার পায়তারা করাতাছে পুলিশ। আহন আমরা যামু কই, খামু কি ? প্রশ্ন করেন তিনি। ওই ব্যবসায়ী জানান, প্রতিদিন পান বিড়ি-সিগারেট বিক্রি করে তার সংসার চলতো। শনিবার সকাল থেকে তেমন কোন বিক্রিই হয়নি। রাস্তার পাশের দোকানটি তুলে দিলে দিন মজুরের কাজ করতে হবে তাকে।
নাজিমউদ্দিন রোডের একাধিক বাড়িওয়ালারা জানান, তাদের অনেক ভাড়াটিয়া সামনের মাসে বাসা ছেড়ে দিচ্ছেন। তাদের সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। কারাগার ঘিরে তাদের কর্মকা- হওয়ায় তারা আর থাকছেন না। এতে বাড়ির মালিকেরাও কিছুটা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
কারা ফটকের সামনে দায়িত্বরত কারারক্ষীরা জানিয়েছেন, শুক্রবার কারা ফটকের সামনে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে এসেছিলেন ৭/৮ জন। কারাগার স্থানান্তর করা হয়েছে তা জানা নেই তাদের। আশুলিয়া থেকে আসা জাহেদুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি এসেছেন তার ভাগিনার সঙ্গে সাক্ষাত করতে। তিনমাস আগে একবার এসেছিলেন তিনি। গতকাল এসে সাক্ষাতের কথা জানালে কারারক্ষীরা তাকে কেরানীগঞ্জ যাবার পরামর্শ দেন। পরে ফিরে যান তিনি। কারারক্ষীরা জানান, যারা সকাল থেকে এসেছেন সকলকেই কেরানীগঞ্জে যাবার অনুরোধ জানানো হয়েছে। বন্দিদের বেশকজন স্বজনকে কেরানীগঞ্জে কিভাবে যাবেন তা লিখে দিতে হয়েছে কারারক্ষীদের।-আমাদের সময়.কম

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: