সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

‘শ্রীমঙ্গলে শতাধিক কোচিং সেন্টার : চলছে অবৈধ কোচিং বানিজ্য

famas-coching-iশ্রীমঙ্গল সংবাদদাতা: শ্রীমঙ্গল শহরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় গজিয়ে ওঠা অবৈধ কোচিং সেন্টারের সংখ্যা এখন প্রায় শতাধিক। শিক্ষাক্ষেত্রে বাণিজ্যিকীকরণ বহুগুণে বাড়িয়ে তুলেছে এসব কোচিং সেন্টারগুলো। অনেক ক্ষেত্রেই মানহীন শিক্ষকরা সেখানে পাঠদান করছেন।

কোচিং বাণিজ্য কার্যত নিষিদ্ধ হলেও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান জয়েন্ট স্টক কোম্পানি থেকে ব্যবসার জন্য নিবন্ধন গ্রহণ করে এই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়- শ্রীমঙ্গল শহরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় ব্যাঙের ছাতার মতো গজিঁয়ে ওঠেছে অনেকগুলো কোচিং সেন্টার। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্ষেত্রবিশেষ মানহীন শিক্ষা দেয়া হয় শিক্ষার্থীদেরকে।

পৌর শহরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরাও নিজেদের তত্ত্বাবধানে বাসাবাড়িতে সাইনবোর্ডবিহীন কোচিং ব্যবসা খুলে বসেছেন।

এসব কোচিং সেন্টার নিয়ে অনেক অভিযোগও ওঠেছে বিভিন্ন সময়। তন্মধ্যে রয়েছে শিক্ষার্থীদের মধ্যে রাজনৈতিক মতাদর্শ প্রচার, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও মোটা টাকার বিনিময়ে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনে সহযোগিতা করা।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অন্ততপক্ষে ৫০০টি একাডেমিক কোচিং সেন্টার রয়েছে।

matree-coching-picযেগুলোর বেশীরভাগই নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষক দ্বারা। এগুলোর মধ্যে প্রত্যয়, প্রয়াস, অপশন, টেকনিক, স্টুডেন্ট, নিউক্লিয়াস, ইউনিক, মাদার, সিটি, ক্রিয়েটিভ, ষ্টার, অরবিট, এবি, কনসেপ্ট, প্রতিভা, ফিউচার কেয়ার, সৃজন, এডুইএড, ষ্টাডি কোচিং হোম, সাকসেস, ই-টাইম, সিডিএ, কনটেষ্ট, ক্যালকুলাস প্রভৃতি অন্যতম। এসব কোচিং সেন্টারগুলো শিক্ষার্থী টানার জন্য স্থানীয় কথিত পত্রিকায় চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে শিক্ষার্থীদের অনেক ক্ষেত্রেই বিভ্রান্তির মধ্যে ফেলে।

এদিকে ,এসব কোচিংগুলোর ফি নির্ধারণে মানা হচ্ছে না কোনও নীতিমালা। কোচিং সেন্টারগুলোতে ভর্তির সময় একবার টাকা নেওয়া হচ্ছে।
পরবর্তীতে প্রতিমাসে প্রাথমিক পর্যায়ে ৬০০-৮০০ টাকা, নিম্ন-মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে বিষয় প্রতি ৮০০-১০০০ টাকা এবং উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে বিষয় প্রতি ৮০০-১৫০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে।

জানা যায়, ২০১২ সালের ২০ জুন কোচিং বাণিজ্য বন্ধের নীতিমালার প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর পর ওই বছরের ২৫ জুন নীতিমালায় একটি সংশোধনী আনা হয়। এতে সব বিষয়ের জন্য স্কুলভিত্তিক কোচিং ফি সর্বোচ্চ এক হাজার ২শ টাকা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।

নীতিমালায় বলা আছে, সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা নিজ প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের কোচিং বা প্রাইভেট পড়াতে পারবেন না। তবে তারা নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের অনুমতি সাপেক্ষে অন্য প্রতিষ্ঠানের দিনে সর্বোচ্চ ১০ জন শিক্ষার্থীকে নিজ বাসায় পড়াতে পারবেন।
বাস্তবে এ নীতিমালা,মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকই মানছেন না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্কুলের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা জানিয়েছেন,মাধ্যমিক স্কুল ও প্রাথমিক স্কুলে ছাত্রছাত্রীদের ঠিকমতো পাঠদান না দেয়ার কারণে বেশির ভাগই শিক্ষার্থী প্রাইভেট পড়াতে হচ্ছে। তারা বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্টানে শিক্ষকদের কাছে জিম্মি হয়ে শিক্ষার্থীরা।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন বলেন,এধরণের কোন নির্দেশনা আসেনি আমাদের কাছে। কেউ স্কুল ফাঁকি দিয়ে প্রাইভেট কোচিং করে থাকে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দিলীপ বর্ধন বলেন, স্কুলের শিক্ষকরা যদি প্রাইভেট পড়াইতে হয়, তাহলে ওই প্রতিষ্টানে প্রধান শিক্ষকের অনুমতি নিয়ে ১০জন শিক্ষার্থী পড়াতে পারবে।

তিনি বলেন, এখন বেশি ভাগই প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষকদের পাড়া মহল্লায় কোচিং সেন্টার রয়েছে। তবে এসব কোচিং ব্যবসা বন্ধের জন্য সরকার যদি ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার নীতিমালা তৈরি করতো তাহলে এসব কোচিং সেন্টার খুব সহজেই বন্ধ করা যেত।

তখন অ্যামেচার ছিলাম : ববি
বিনোদন ডেস্ক : সর্বশেষ ২০১৫ সালের ঈদুল আজহায় মুক্তি পায় ববি অভিনীত ‘রাজা বাবু’। প্রায় এক বছর পর ৫ আগস্ট মুক্তি পাচ্ছে ‘এক রাস্তা’। নতুন ছবি, পর্দা বিরতি, প্রযোজনা ও ক্যারিয়ারের নানা বিষয়ে সম্প্রতি পরিবর্তন প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলেছেন ববি।
দীর্ঘদিন পর ছবি মুক্তি পাচ্ছে. . .
হ্যাঁ, এক বছর হয়ে গেল। সবার একটাই কথা ছিল কবে আপনার নতুন ছবি পাবে। এবার মনে হয়, সবার অপেক্ষার অবসান হবে।
‘এক রাস্তা’তে আপনার চরিত্রটি কেমন?
ছবিতে আমার চরিত্রের নাম আইভি। বেশ রহস্যময় একটি চরিত্র। রহস্যটা কী সেটা এখনই বলতে চাইছি না। তবে এতটুকু বলতে পারি আগে আমাকে আপনারা রোমান্টিক বা অ্যাকশনধর্মী চরিত্রে দেখেছেন। এ ছবিতে সম্পূর্ণ ভিন্নরূপে দেখবেন।
ছবিতে নাকি সবাই ভিলেন?
তা তো বলা যাবে না। বললাম রহস্য থাক। আগে আগে জেনে গেলে হলে দর্শক কী দেখবে।
ছবিটার শুটিং তো প্রায় বছর দুয়েক আগে শুরু হয়েছিল। মুক্তির তারিখও বেশ কয়েকবার পিছিয়েছে। পুরো ব্যাপারটায় কি আপনি বিরক্ত হয়েছেন?
না, বিরক্ত হওয়ার কিছু আছে বলে মনে করি না। কারণ আমাদের দেশেই দ্রুত কাজ শেষ করে ছবি মুক্তি দেওয়া হয়। যার কারণে ছবিগুলোর কোয়ালিটি ফল করে। একটা ছবি সুন্দর করে দর্শকের সামনে আনার জন্য অবশ্যই পরিচালক থেকে শুরু করে সবাইকে সময় দেওয়া উচিত।

তাহলে কি আপনার ক্যারিয়ারেও কোয়ালিটিহীন ছবি রয়েছে?
তা তো আছেই। কিন্তু এটা আসলে হয়েছে না বোঝার কারণে। ‘দেহরক্ষী’ হিট হওয়ার পর একের পর এক ছবি করে গেছি বুঝে না বুঝে। আসলে তখন অ্যামেচার ছিলাম। আর এখন সময় এসেছে পরিবর্তনের। প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য হিসেব-নিকেশ করে ছবি করতে হচ্ছে।
সে হিসেবটা কী রকম?
এখন ধরেন আমার এতদিন পরে ছবি মুক্তি পাচ্ছে তাতে অনেকেই বলেছে ‘পর্দায় না থাকলে নাকি দর্শক ভুলে যায়’। এটা কেমন কথা এ যুগে এস্তে এখন আমি যদি প্রতি ছবিতে নতুনরূপে আসতে চাই, চরিত্র নিয়ে ভাবতে চাই— তাহলে তো সময় দিতে হবে। দুদিন পরপর পর্দায় আসতে গেলে সেটা সম্ভব হবে না।

‘বিজলি’ প্রযোজনা করছেন নিজের প্রতিষ্ঠান ববস্টার থেকে। প্রযোজক হিসেবে অভিজ্ঞতা কি সুখকর ছিল?
(হাসতে হাসতে) মিশ্র অভিজ্ঞতা। সুখেরটাই আগেই বলি। এ ছবির পরিচালক ইফতেখার ভাই, শতাব্দী রায় দিদি, জাহিদ হাসান ভাই, দিলারা জামান আন্টি সবাই খুব হেল্প করেছেন। শতাব্দীদি তো রীতিমত আমাকে নিজের বোনের মত করে কাজ শিখিয়েছেন। তিনি নিজে অভিনেত্রী ও প্রযোজক হওয়ায় অনেক অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন যেগুলো আমার কাজে লেগেছে।
দুঃখের নয়, তবে কিছু সমস্যা ফেস করতে হয়েছে- সেগুলো বলি। আগে শুধু নিজের ডেট নিয়ে চিন্তা করতে হয়েছে। এখন সবার ডেট নেওয়া ও মিলানো নিয়ে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়েছিল। ছবিটির শুটিং করেছি দার্জিলিং, সিলেট, গাজীপুর, কলকাতা ও ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে। এখন আমাদের দেশে বেশকিছু লোকেশন আছে অনেক সুন্দর যেগুলো আগে ব্যবহার করা হয়নি। কিন্তু সেগুলোতে শুটিং করতে গিয়ে এই অনুমতি, ওই কাগজপত্র বেশ দৌড়াদৌড়ি করতে হয়েছিল। কিন্তু বিদেশে ছবি করতে গেলে সহজে অনুমতি মিলে। যদিও আমরা শুটিং করেছিলাম পরে।

ছবিটির শুটিং কি শেষ?
গানসহ বেশকিছু শুটিং বাকি। যদিও একটি গানের শুটিং দার্জিলিংয়ে করেছিলাম। আগামী মাসে থাইল্যান্ড যাব বাকি শুটিং করতে। আর যেহেতু ‘সুপারহিরো’ ছবি ক্রোমায় প্রচুর কাজ করতে হচ্ছে। অন্যান্য ছবির সাথে পার্থক্য হচ্ছে এখানে আমার সামনে কেউ নেই যে তাকে কল্পনা করে শুটিং করব। আমার ভিতরে সুপার পাওয়ার আছে সেটা বডি ল্যাঙ্গুয়েজে ফোটাতে হচ্ছে।
প্রযোজক হিসেব ব্যর্থ হওয়ার একটা সম্ভাবনা কিন্তু থেকে যায়।
আমি বিশ্বাস করি আমার প্রোডাক্ট যদি ভাল হয় তাহলে দর্শক গ্রহণ করবে।
‘প্রেমলীলা’ ও ‘মালটা’র কী খবর?
‘বিজলি’ ও ‘মালটা’ শেষ করে ‘প্রেমলীলা’ করব। শাকিব (খান) ভাইয়ের শিডিউল এখনো নেওয়া হয়নি। শামীম আহমেদ রনি ওইটা পরিচালনা করবে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: