সর্বশেষ আপডেট : ৭ মিনিট ২৫ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সিলেটের তামিম চৌধুরীসহ ৫ জেএমবি সদস্য এখন ভারতে

tamim daily sylhet copyনিউজ ডেস্ক: র‌্যাবের তালিকাভুক্ত কমপক্ষে পাঁচজন সক্রিয় জেএমবি সদস্য ভারতে অবস্থান করছেন বলে প্রভাবশালী ভারতীয় পত্রিকা টাইমস অব ইন্ডিয়া এক খবরে জানিয়েছে। অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে বাংলাদেশে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসের কথিত সমন্বয়ক কানাডা ফেরত তামিম আহমেদ চৌধুরীও রয়েছেন বলে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।

ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে র‌্যাবের হস্তান্তরকৃত জঙ্গি তালিকায় এদের প্রত্যেকের নাম রয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুল্লাহ খান কামালের ভারত সফরের একদিন আগে এ নামের তালিকা প্রকাশ পায়।

এ বিষয়টিই ছিল বৃহস্পতিবার ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর সঙ্গে কামালের আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
গত সপ্তাহে র‌্যাব একটি তালিকা প্রকাশ করে। এতে ২০১১ সাল থেকে নিখোঁজ ৬৮ জনের নাম ছিল। এদের মধ্যে পাঁচ জন ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়, বাংলাদেশে গুলশান হামলার পর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় রাজ্যে সতর্কতা জারি করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশ সরকার এবার অন্তত ৫ জন জেএমবি সদস্যের তালিকা ভারতের হাতে দিয়েছে যারা অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে অবস্থান করছে।

দুই মাস আগে, আসামের চিরাং জেলায় জেএমবির একটি শিবিরে হানা দেয় আসাম পুলিশ। ওই শিবির ব্যবহার করে স্থানীয় তরুণদের প্রশিক্ষণ দেয়া হতো।

খবরে বলা হয়, তালিকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সন্দেহভাজনদের অন্যতম তামিম আহমেদ চৌধুরীকে গুলশান হামলার নেপথ্য কারিগর বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান এ নাগরিক বাংলাদেশের স্থানীয় সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো ও আইএসের মধ্যকার সংযোগকারী বলে ধারণা করে নিরাপত্তা বাহিনীগুলো।

আবু ইবরাহিম আল-হানিফ নামেও পরিচিত তিনি। আইএস’র প্রোপাগান্ডা ম্যাগাজিন দাবিকের জুন সংখ্যায় তার একটি সাক্ষাৎকারও ছাপা হয়। সূত্র মোতাবেক, ২০১৩ সালে কানাডা ছাড়ে তামিম। এরপর থেকে তার আর কোন হদীস পাওয়া যায়নি। তার পৈত্রিক নিবাস সিলেট জেলায়।

আরেক সন্দেহভাজন জুনুন শিকদার। কুমিল্লার বাসিন্দা জুনুনকে ২০০৯ সালে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে পুলিশ আটক করেছিল। ঢাকার একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি।

জেএমবির জন্য সদস্য সংগ্রহ করছিলেন জুনুন। ২০১৩ সালে আবারও আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সঙ্গে কথিত যোগসূত্র থাকার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়। পরে জামিনে মুক্তি পেয়ে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান জুনুন।

আরেকজনের নাম নাজিবুল্লাহ আনসারি। চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাসিন্দা আনসারি মেরিন ইন্জিনিয়ারিং পড়তে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমায়। গত বছর চট্টগ্রাম পুলিশ স্টেশনে তার পরিবার নিখোঁজ ডায়েরি দায়ের করে। কিছুদিন আগে আনসারি তার ভাইকে চিঠি লিখে জানায় যে, তিনি আইএস-এ যোগ দিতে ইরাকে যাচ্ছেন।

আরেক সন্দেহভাজনের নাম এটিএম তাজউদ্দিন । আমেরিকা ভিত্তিক একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সাইন্স পড়ছিলেন তাজউদ্দিন। তিনিও ২০১৩ সাল থেকে নিখোঁজ। এ মাসের শুরুর দিকে লক্ষ্মীপুর সদর পুলিশ স্টেশনে একটি নিখোঁজ ডায়েরি নথিভুক্ত করা হয়েছে।

মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ ওজাকি ওরফে সুজিত দেবনাথ ছিলেন জাপানের এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটির ব্যবসায় প্রশাসনের অধ্যাপক। গত এক বছর ধরে তিনি নিখোঁজ। তার বাবা জনর্দন দেবনাথ ব্রাক্ষণবাড়িয়ার নবীনগরে ডায়রি করেছেন।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: