সর্বশেষ আপডেট : ১০ ঘন্টা আগে
বুধবার, ২৮ জুন, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১৪ আষাঢ় ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

এক রনজিত মেম্বারের আগ্রাসনে বিপর্যস্ত বালাগঞ্জের গালিমপুরবাসী

2. daily sylhet press confarenceবালাগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পৈলেনপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ডের সদস্য রনজিত বৈদ্যের দুর্নীতি অনিয়ম আর স্বেচাচারিতায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন গালিমপুর গ্রামবাসী। উক্ত রনজিত বৈদ্য ইউপি সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় পর থেকে এলাকার মানুষকে নানাভাবে হয়রানী ও ক্ষতিগ্রস্থ করে স্বার্থ হাসিল করে যাচ্ছেন। বুধবার সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গালিমপুর গ্রামবাসী এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয় একাধিক সরকারি প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎসহ গালিমপুর গ্রামের নিরীহ মানুষদের মামলা হামলার মাধ্যমে হয়রানি করে যাচ্ছেন রনজিত বৈদ্য। প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের বিষয় নিয়ে অভিযোগের সত্যতা প্রমানিত হওয়ায় রনজিত বৈদ্যকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জরিমানা করেছেন।

রনজিত বৈদ্য বিদ্যুৎ দেওয়ার নামে গ্রামবাসীর কাছ থেকে টাকা আদায় করে প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন। যে বিষয়ে বিদ্যুতের স্থানীয় ডিজিএম বালাগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়। অভিযোগ দেওয়ার ১০দিন অতিবাহিত হলেও থানার ওসি তরিকুল ইসলাম মামলাটি আমলে নেননি। এমনকি ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে তদন্ত করার প্রয়োজনও তিনি মনে করেনি। এ ব্যাপারে গ্রামবাসী অভিযুক্ত রনজিতের কাছ থেকে টাকা উদ্ধারের জন্য ওসির সাথে যোগাযোগ করে কোন সদুত্তর পাননি।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয় আওয়ামীলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে ও বালাগঞ্জ থানা পুলিশকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে থাকেন ইউপি সদস্য রনজিত। গালিমপুর গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতে বিদ্যুত সংযোগ না থাকায় চতুর রনজিত গ্রামের সহজ-সরল মানুষকে ধোঁকা দিয়ে বিদ্যুৎ দেয়ার কথা বলে শতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে অবৈধভাবে ৪২০০ টাকা করে প্রায় ৪ লাখ টাকা আদায় করেন।

রনজিত বৈদ্য মিটার সংযোগ দেয়ার নাম করে আবেদনকারীদের কাছ আরও ১৮’শ টাকা করে ঘুষ দাবি করেন। বিষয়টি নিয়ে সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করে গ্রাহকরা জানতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। তাই সরকারি ব্যবস্থাপনায় গালিমপুর গ্রামসহ এই এলাকায়বিদ্যুতায়নের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। অবশেষে এ ব্যপারে গ্রামবাসী সম্মিলিতভাবে ৭ জুন রনজিত বৈদ্যের বিরুদ্ধে সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জিএম বরাবরে লিখিত অভিযোগ প্রদান করেন। গ্রামবাসীর দেয়া অভিযোগের খবর জানতে পেরে রনজিত বৈধ্য অভিযোগটি তুলে আনার জন্য অভিযোগকারীদের নানাভাবে হুমকি-ধামকি প্রদান করেন।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সিলেট-১ এর কাশিকাপন জোনাল অফিসের ডিজিএম মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম সহ পল্লী বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্টরা ১৬ জুলাই রনজিত বৈদ্যর বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর দেওয়া অভিযোগের সত্যতা পান। এ অবস্থায় ১৭ জুলাই কাশিকাপন জোনাল অফিসের ডিজিএম জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে রনজিতের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু মামলার ১০দিন অতিবাহিত হলেও ওসি আইনানুগ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। উক্ত রনজিত বৈদ্য সরকারের দলের প্রভাব দেখিয়ে গ্রামের মানুষকে ভয়-ভীতি প্রদান করছেন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী মানুষের নাম দিয়ে গণমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন।বিজ্ঞপ্তি

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: