সর্বশেষ আপডেট : ৮ মিনিট ৪৫ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

জঙ্গিদের অর্থায়ন করছে একাধিক ব্যক্তি

jjjjjkনিউজ ডেস্ক : দেশের বেশ কয়েটি জেলায় জঙ্গিরা প্রশিক্ষণ নিচ্ছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দারা। ওই সব এলাকাকে চিহ্নিত করার জন্য কাজ করছে গোয়েন্দারা। তারা ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি এলাকাকেও সন্দেহের দৃষ্টি রেখেছে। এরমধ্যে কল্যাণপুর, উত্তরা ও বসন্ধুরাও রয়েছে। ঢাকার ওই সব এলাকায় গোয়েন্দারা বিভিন্ন টিম নিয়ে কাজ করছে। তারা এটাও জানতে পেরেছে চর এলাকায় প্রশিক্ষণ নিয়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় যায়। সেখানে কারিগরী প্রশিক্ষণ নেয়। এরপর প্রশিক্ষণ শেষে বিভিন্ন বাসাবাড়িতে জঙ্গিরা অবস্থান করে হামলা করার জন্য । এই রকম আরো বেশ কয়েকটি হামলা ছক আঁকছে জঙ্গিরা ও তারা হামলা করার জন্য পরিকল্পনা করছে। এই সব তথ্য আরো সুনির্দিষ্ট করে বের করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দারা মূলহোতাদের বের করার চেষ্টা করছে। বিভিন্ন জঙ্গি নেটওয়ার্কে তারা এই ব্যাপারে তথ্য জেনেছে। আটককৃত জঙ্গিরা বলেছে, কিভাবে তারা প্রশিক্ষণ নিয়েছে। আর কোথায় কোথায় নেটওয়ার্ক রয়েছে। এটাও বলেছে চড় এলাকায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র করে নিরাপদ মনে করে। কারণ সেখানে সাধারণ মানুষের চলাচল নেই। এছাড়া তারা এলাকাবাসীর মধ্যে সোর্স নিয়োগ করে। ওই সব সোর্সরা তাদেরকে খবর দিচ্ছে। এই রকম খবর পাওয়ার পর শেরপুরে ও বগুড়ার চরেও এই ব্যাপারে অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এছাড়াও ঝিনাইদহসহ বেশ কয়েকটি জেলায় অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জঙ্গিদের কাছ থেকে জানা গেছে তারা কোথায় প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। কারা এর অর্থদাতা। এই পর্যন্ত একক কোন ব্যক্তির নাম পায়নি গোয়েন্দারা যে সব টাকা দিচ্ছেন। বিক্ষিপ্তভাবে বিভিন্ন ব্যক্তির মাধ্যমেই অর্থ আসছে। গুলশান হামলার পর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে কয়েকজন জঙ্গিকে আটক করা হয়েছে। তারা বলেছে, বিভিন্ন স্থানে তাদের লোকেরা প্রশিক্ষণ নিচ্ছে আরো বড় ধরনের হামলা ও নাশকতার ঘটনা ঘটানোর জন্য।
সূত্র জানায়, জঙ্গিরা এটাও জানিয়েছে, যেখানে নিরাপত্তা বেশি সেখানে তারা হামলা করবে না কিংবা পরিকল্পনা নেই। কারণ ওই সব জায়গায় সব সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা থাকে। এছাড়াও সিসিটিভি সহ আরো বিভিন্ন ধরণের ব্যবস্থা রয়েছে। এই কারণে ওই সব জায়গা তারা এড়িয়ে চলে। আরো জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ওই সব জায়গায় ব্যস্ত থাকে বলে তারা নিরাপত্তা ব্যবস্থা তেমন জোরালো নেই সেখানেই বেছে নিবে পরবর্তী হামলার জন্য। সেই ধরণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রশিক্ষণের ব্যাপারেও বলেছেন, প্রশিক্ষণের বেলায়ও তারা ওই ধরণের এলাকা বেছে নেয় যেখানে কোন মানুষের চলাচল নেই। অনেক বড় বড় চড় ও জঙ্গল এলাকা। সেখানে তারা স্থানীয় কিছু মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক রেখেই সব ধরনের সহায়তা পেয়ে থাকে। এই জন্য তারা খুব একটা লোকালয়ে আসে না। তাই তাদেরকে অনেক এলাকায়ই অন্যরা দেখতে পায় না। প্রশিক্ষণের জন্য বড় ধরনের অস্ত্রের প্রয়োজন না। ধারালো অস্ত্রের ব্যবহার বেশি হয়। সেগুলো তারা সাধারণ বাজার থেকেই কিনে নেয়। মাঝে মাঝে বড় ধারালো অস্ত্রের অর্ডার দিয়ে থাকে। নিজস্ব জনবল রয়েছে ওই ধরণের অস্ত্র তৈরি করার জন্য। আগ্নেয় অস্ত্র তারা অবৈধ বাজার থেকেই কিনে। নিজেরা কিনে না। পেশাদার অপরাধীদের দিয়ে কেনায়। কারণ তাদের বড় একটি নেটওয়ার্ক রয়েছে অস্ত্র কেনা বেচা ও ভাড়া দেওয়ার জন্য।
সূত্র জানায়, চড় ও জঙ্গল এলাকায় তারা প্রশিক্ষণ নিয়ে এরপর তারা রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান নেয়। এরমধ্যে উত্তরা, কল্যাণপুর, বসুন্ধরা এলাকাতে বাসা ভাড়া নেয়। বেশিরভাগ সময় তারা মেস বাসাগুলো ভাড়া নেয়। মেসে থাকলে তাদের জন্য সুবিধা হয় নিজেরা স্টুডেন্ট ও চাকরিজীবী ব্যাচেলর হিসাবে পরিচয় দিতে পারে। সেই সঙ্গে তাদেরকে পরিবারের ব্যাপারে কোন তথ্য দিতে হয় না। অন্যদের সহায়তায় বাসা পেতেও সুবিধা হয়। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের কথাও তারা জানতে পারে মেসের পার্টনারের মাধ্যমে। সেই হিসাবে তারা জঙ্গিদের অন্যান্য কানেকশনের সঙ্গে তথ্য আদান প্রদান করে।
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় তাদের লোকজন ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।
জঙ্গি দমনে কাজ করছেন এই রকম একটি সূত্র জানায়, জঙ্গিরা দেশেই প্রশিক্ষণ নিচেছ। কেউ কেউ বিদেশে চলে গেছে। গুলশানের ঘটনার পর যে তিনজন যমুনা ফিউচার পার্কে হামলার হুমকি দিয়েছিলো তারা দেশে নেই। তিনজনই বিদেশে। এই রকম আরো অনেকেই বিদেশে রয়েছে। তা থাকলেও তাদের প্রাথমিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ থেকে। পরে তারা বিভিন্ন ভাবে বিদেশে চলে গেছে। জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলো বের করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এই ব্যাপারে আরো কাজ চলছে।-আমাদের সময় অনলাইন

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: