সর্বশেষ আপডেট : ৪ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ফেঞ্চুগঞ্জে ক্ষেতের আদলে রাস্তা !!

13820806_1053797041366085_421012723_nজীবন পাল:: ক্ষেতের আদলে পরিনত হয়েছে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাহিদপুর-মাঝপাড়ার একমাত্র চলাচলের রাস্তাটি। রাস্তাটির এমন দশা হয়েছে যে, যেখানে এখন ক্ষেতের মতই ধান রোপন করার উপযোগী।

এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তবে রাস্তার এমন পরিস্থিতিতে কর্তৃপক্ষ নির্বিকার। দেখেও প্রতিকারের কোন উদ্যোগ নিচ্ছে না তারা।

উপজেলার ৪ নং উত্তর কুশিয়ারা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভূক্ত মাহিদপুর-ঝপাড়ার গ্রামবাসী জানিয়েছেন, দীর্ঘ প্রায় ১২-১৩ বছর ধরে গ্রামের উন্নয়নে কোন উদ্যোগ নেই ইউনিয়ন কর্তৃপক্ষের। অতীতে গ্রামবাসীর তরুণ সমাজের প্রচেষ্ঠায় এবং প্রবাসীদের সহযোগিতায় গ্রামের উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালিত হয়েছে। একজন সুস্থ সবল মানুষও এ রাস্তা দিয়ে স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারে না।

মাহিদপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. মফিজুর রহমান ডেইলি সিলেটকে জানান, মুহিদপুর- মাঝপাড়া গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন স্তাটির বেহাল অবস্থা। গ্রামবামসীদের চলাচলের একমাত্র রাস্তা এটিই। বৃষ্টির মৌসুমে এই রাস্তা দিয়ে চলাচলটা একেবারেই অনুপযুগী হয়ে পড়ে।

nwজানা যায়, নির্বাচন জটিলতার কারনে এই গ্রামের উন্নয়নে কোন কাজ হচ্ছেনা। যে চিত্রটা আজ প্রায় ১৫ বছর ধরে। তাদের
ধারনা, নতুন ইউনিয়নে দায়িত্বপ্রাপ্তরা ভারপ্রাপ্ত্যের দায়িত্ব পালন করায় হয়তো কিছু করতে পারছেন না।

মাঝপাড়া গ্রামের বাসিন্দা চ্যানেল-২৪ এ কর্মরত চিত্রসাংবাদিক শফি আহমেদ জানান, এই গ্রামেই আমার জন্ম। এই গ্রামে‌
বেড়ে ওঠা। পেশাগত কারণে সিলেট শহরে থাকলেও যখন নাড়ির টানে আমার এই প্রিয় গ্রামে ছুটে আসি তখন গ্রামের মানুষের এই দূর্ভোগ আমাকে ভীষনভাবে পীড়া দিয়ে থাকে। কয়েক বছর ধরে দেখে আসছি এই রাস্তার অবস্থা প্রায় একই রকম। কোন ইমার্জেন্সি রোগীকে চিকিৎসার জন্য শহরে নিতে হলে অ্যাম্বুলেন্স আনা হলেও অ্যাম্বুলেন্স যে এই রাস্তা দিয়ে গ্রামে ঢুকাটাও এখন কষ্টকর বিষয় হয়েছে দাড়িয়েছে। স্কুলের কোমলমতি শিশুরাই যে রাস্তা দিয়ে বিদ্যালয়ে আসতে কষ্ট করতে হচ্ছে সেখানে অ্যাম্বুলেন্স ঢুকার কথাটা চিন্তা করায় বৃথা বলে মনে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে ৪ নং উত্তর কুশিয়ারা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ভারপ্রাপ্ত মেম্বার নিতাই চন্দ্র পাল বলেন, বিগত অর্থবছরেই এই রাস্তার কাজ করনো হয়েছিল। রাস্তার পাশে গাছ ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকার কারণে রাস্তায় পানি ভরে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়ে থাকে। আগামী বাজেটে এরকম কোন বরাদ্দ থাকলে এই গ্রামের রাস্তা-ঘাটসহ উন্নয়নে কিছু কাজ করা যেতে পারে।

মুহিদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক জানান, এই গ্রামের একমাত্র চলাচলের পথ এটি হওয়ায় চলাচলের জন্য গ্রামের মানুষকে দূর্ভোগে দিন কাটাতে হচ্ছে। বিশেষ করে স্কুলগামী ছাত্র-ছাত্রীরাও এই দুভোর্গের শিকার।

৪ নং উত্তর কুশিয়ারা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত্য চেয়ারম্যানের সাথে ফোনে একাধীকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এ দুর্ভোগ লাঘবে উর্ধ্বতনকর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছেন ভোক্তভোগী এই গ্রামের সাধারণ বাসিন্দারা।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: