সর্বশেষ আপডেট : ৮ মিনিট ৩৬ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

কমলগঞ্জে শপথ অনুষ্ঠানে চাঁদাবাজি!

jhকমলগঞ্জ সংবাদদাতাঃ
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন পরিষদ এর নির্বাচিত চেয়ারম্যান,সংরক্ষিত ও সাধারণ সদস্যদের কাছ থেকে শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে উপজেলা নির্বাহী অফিসের সিএও কাম ইউওডি মৃনাল কান্তি দাস খরচের কথা বলে ইউএনও এর নাম ভাঙ্গিয়ে প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক টাকা আদায়ে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে নির্বাচিত নতুন অনেক ইউপি সদস্য ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ইউএনও অফিসের সিএ এর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগে সম্প্রতি জুড়ী উপজেলায় বদলী হলেও এখনো জুড়ি উপজেলায় যোগদান করেনি। এতে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

জানা যায়, উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত ৯ চেয়ারম্যান, ২৭ সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ও ৮১জন সাধারণ সদস্য শপথ গ্রহন অনুষ্ঠান ২৩ জুলাই সকাল সাড়ে ১১টায় কমলগঞ্জ জেলাপরিষদ অডিটরিয়ামে অনুষ্টিত হয়। এই শপথ গ্রহন অনুষ্টানকে কেন্দ্র করে উপজেলা নির্বাহী অফিসের সিএ মৃনাল কান্তি দাস ইউএনও(ভারপ্রাপ্ত) রফিকুল আলমের নাম ভাঙ্গিয়ে শপথ অনুষ্টানের খরচ হিসাবে ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যরা ১০০০/৫০০ টাকা জনপ্রতি প্রদানের কথা বলেন।

শপথ গ্রহন শেষে নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা দাবীকৃত টাকা প্রদান করেন। এসময় দুইজন ইউপ সদস্য টাকা না দিতে চাইলে নানা ভয়ভীর্তি দেখান। উপজেলার পতনউষার ইউনিয়নের পুরাতন দুইজন ইউপি সদস্য ৫ শত টাকা করে দেয়ার কথা স্বীকার বলেন, নির্বাহী অফিসের সিএ অনুষ্টানের খরচ বাবত টাকা প্রদানের কথা বললে তা এই টাকা প্রদান করেন।

অন্যান্য ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য টাকা দিয়েছেন। আলীনগর ইউপি এক সদস্য জানান, প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যরা ৫শত টাকা করে দিয়েছেন। মাধবপুর ইউপি চেয়ারম্যান ২ হাজার টাকা দেয়ার কথা স্বীকার করেন। ৯টি ইউনিয়নের প্রায় ৫০/৬০ জনের কাছ থেকে প্রায় ৫০হাজার টাকা আদায় করেছেন মৃনাল কান্তি।

শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানে আসার অনেক ইউপি সদস্য ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জনপ্রতিনিধি হিসাবে জীবনের প্রথমেই চাদাঁ দিয়ে যাত্রা শুরু করলাম। এ দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সিএ মৃনাল কান্তি দীর্ঘ ৭/৮ বছর ধরে এক টানা কমলগঞ্জে অবস্থান করে বিভিন্ন দপ্তরের কমৃকর্তাদের হাত করে অনিয়ম করেছন। সম্প্রতি গত ৯জনু জেলা প্রসাশকরে কার্যালয়ে হতে তাকে বদলী করা হয় জুড়ি উপজেলায়। কিন্তু রহস্যজনক কারনে মৃনাল কান্তি এখনো কমলগঞ্জে অবস্থান করছেন।

এ বিষয়ে সাংবাদিকরা কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার(ভুমি) রফিকুল আলম কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি কাউকে শপথ অনুষ্ঠানের নাম করে টাকা নেয়ার নিদের্শ বা দায়িত্ব কাউকে দেয়া হয়নি। এটা সরকারী অনুষ্টান। টাকা আদায় করার বিষয়টি দেখছি। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মৃনাল কান্তি সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করলে (০১৭১২২৭২৪১৭) তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: