সর্বশেষ আপডেট : ৯ মিনিট ৫৩ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সংসদ সদস্য মমতাজকে সবাই পছন্দ করেন না

mmmনিউজ ডেস্ক : মমতাজ জাতীয় সংসদের সদস্য। তবে তাঁর বড় পরিচয়, তিনি সংগীতশিল্পী। অসংখ্য অ্যালবাম বেরিয়েছে তাঁর। একটি জাতীয় দৈনিকে তার প্রকাশিত সাক্ষাৎকার  পাঠকদের জন্য প্রকাশ করা হল।

ডাকনাম?

বাবা-মা এবং সবাই আমাকে মমতাজ নামেই ডাকেন।
সন্তানদের কথা?
আমার এক ছেলে দুই মেয়ে। ছেলে মেহেদী হাসান আর মেয়ে খুশরাত রুহানি ক্লাস সেভেন আর রাইসা রোজ ক্লাস থ্রিতে পড়ছে।

নিজের গাওয়া প্রথম গান?

আব্বার মুখে যে গান শুনতাম, সেই গান গাইতাম। তবে রেকর্ড করা প্রথম গানের শিরোনাম ‘খেলছে পাখি উল্টা কলে’। ১৯৯২ সালে গানটি বিজয়নগরে ওয়েব স্টুডিওতে রেকর্ড করা হয়।

জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয় যে গান?

আমার প্রথম দুটি অ্যালবামের গান কিন্তু শ্রোতারা দারুণ পছন্দ করেন। এরপর আমার গাওয়া বৈঠকি, মুর্শিদি, বিচ্ছেদি গান ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। তবে ‘ঘুম ভাঙাইয়া গেল রে মরার কোকিলে’ গানটা আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। গানটির কথা লিখেছেন ও সুর করেছেন হাসান মতিউর রহমান।

রাজনীতির কারণ?

মানুষের জন্য রাজনীতি করি। মানুষ আমাকে ভালোবাসে। শিল্পী হিসেবে যেহেতু সবাই আমাকে ভালোবাসে, সেই দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে আমি তাদের জন্য কিছু করতে চাই।

সংসদ সদস্য মমতাজ নাকি সংগীতশিল্পী মমতাজ মানুষ কাকে বেশি পছন্দ করে?

প্রথমে আমি সংগীতশিল্পী, তারপর সংসদ সদস্য। সংগীতশিল্পী মমতাজকে সবাই যেভাবে পছন্দ করে, সংসদ সদস্য মমতাজকে হয়তো সবাই সেভাবে পছন্দ না-ও করতে পারে। নানা দলমতের মানুষ আছে সমাজে। তবে সংগীতশিল্পী মমতাজের ক্ষেত্রে দলমত কিছুই টেকে না।

সবচেয়ে প্রিয় গান?

অনেক গানই তো প্রিয়। ‘মায়ের কান্দন যাবজ্জীবন’ গানটা গাইতে বেশি ভালো লাগে।
গানের সংখ্যা?

সঠিক সংখ্যা বলা খুব মুশকিল। হিসাব করে তো গান করা হয় না। তবে নয় হাজার তো হবেই। আর অ্যালবামের সংখ্যা আট শর কাছাকাছি। গান, অভিনয়, মডেলিং, রাজনীতি। এরপর মানুষের মনের মধ্যে বেঁচে থাকার জন্য কাজ করছি। মানুষের আরও ভালোবাসা অর্জন করার জন্য যা করা দরকার, সব করতে চাই।

চাঁদে যাওয়ার সুযোগ পেলে সঙ্গী হিসেবে কাকে নেবেন?

একজনকে তো নেওয়া সম্ভব না। চাঁদে যাওয়ার সুযোগ পেলে আমার ভক্তদের নিয়ে যাব। কারণ, আমি চাঁদে গিয়েও গান করব।

ক্রিকেট খেলার সুযোগ পেলে ব্যাটসম্যান নাকি বোলার হবেন?

ব্যাটসম্যান হলে খারাপ খেলব না। বলটাও ভালো করব। আমি অলরাউন্ডার হব।

রাঁধুনি মমতাজ?

রাঁধুনি হিসেবে আমি খুবই খারাপ। রান্নার কাজটা মোটেও ভালো পারি না। ছোটবেলায় আমি ছিলাম দস্যি মেয়ে। রান্নার ব্যাপারে কখনোই আমার আগ্রহ ছিল না। নানা ধরনের খেলাধুলা করতাম। নদীতে সাঁতার কাটতাম। আর গান তো আছেই।-আমাদের সময় অনলাইন

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: