সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে ভারতীয় সামরিক বিমান!

yyy-550x390নিউজ ডেস্ক : সকাল ৮টা ৪৫ মিনিট। শেষ বার কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন পাইলট। পরবর্তী আধ ঘণ্টায় পাইলটের তরফ থেকে আর কোনও সাড়াশব্দ ছিল না। কিন্তু ভারতের চেন্নাইয়ের তাম্বরম বিমানঘাঁটি থেকে আন্দামানের পোর্ট ব্লেয়ারের দিকে উড়ে যাওয়া বিমানটা তখনও নিখোঁজ নয়। রেডারে তখনও টের পাওয়া যাচ্ছিল উপস্থিতি।
সকাল ৯টা ১২ মিনিট। ভারতীয় বায়ুসেনার এএন-৩২ বিমান তখনও বঙ্গোপসাগরের পৃষ্ঠ থেকে ২৩ হাজার ফুট উচ্চতায়। রেডার সঙ্কেতে এর পরই অস্বাভাবিকতা নজরে আসে। দ্রুত উচ্চতা কমছিল বিমানটির। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আকাশ থেকে হঠাৎ পড়তে শুরু করলে যেমন হয়, ঠিক সেই ভাবেই উচ্চতা কমছিল বিমানটার। অল্প ক্ষণের মধ্যেই রেডার থেকেও হারিয়ে যায় বায়ুসেনার এএন-৩২ বিমানটি।
ঠিক কী ঘটল? নিশ্চিত হতে পারছেন না বিশেষজ্ঞরা। বিমান পরিবহন বিশেষজ্ঞ হর্ষ বর্ধন বায়ুসেনার এই বিমানটিকে নিয়ে খুব আশাবাদী নন। তিনি বললেন, ‘‘দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর দীর্ঘ সময় কেটে গেল। এখনও বিমানটির খোঁজ নেই। পাইলটের তরফ থেকেও যোগাযোগ করার কোনও চেষ্টা নেই।’’ হর্ষ বর্ধন জানালেন, বায়ুসেনার এই সব বিমান খুব মজবুত হয়। ছোটখাট ঘটনায় এই সব বিমানের খুব একটা ক্ষতি হয় না। যদি এমন হয় যে বিমানটি কোথাও জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়েছে, তা হলেও বিমানের যোগাযোগ পরিকাঠামো অক্ষত থাকবে বলেই ধরে নেওয়া যায়। সে ক্ষেত্রে পাইলট কোনও না কোনও ভাবে কন্ট্রোলের সঙ্গে অবশ্যই যোগাযোগ করার চেষ্টা করতেন। হর্ষ বর্ধনের কথায়, ‘‘যতটা সময় কেটে গিয়েছে, তাতে আর খুব একটা আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না।’’
বায়ুসেনার অবসরপ্রাপ্ত কর্তা গ্রুপ ক্যাপ্টেন জে কে মুখোপাধ্যায়ের আশঙ্কাও অনেকটা একই রকম। তিনি বললেন, ‘‘ভরা বর্ষার মরশুম। বঙ্গোপসাগরের আকাশে এই সময় মেঘের পরিমাণ খুব বেশি থাকে। যত দূর শুনেছি, তাম্বরম থেকে সকালে যখন বায়ুসেনার ওই বিমানটা উড়েছিল, তখন আবহাওয়া খুব ভাল ছিল না। বিমান যদি বিপজ্জনক মেঘের ভিতর ঢুকে গিয়ে থাকে, তা হলে দুর্ঘটনা ঘটার যথেষ্ট আশঙ্কা রয়েছে।’’

মেঘের ভিতর বিমান ঢুকে পড়লে কী বিপদ হতে পারে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মেঘ যদি বজ্রগর্ভ হয়, তা হলে তার ভিতরে ঢুকে পড়া বিমান বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে। বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে বিমান বিকল হয়ে যেতে পারে। আর মাঝ আকাশে বিমান বিকল হয়ে যাওয়ার অর্থ সকলেরই জানা।
গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অবসরপ্রাপ্ত) জে কে মুখোপাধ্যায় বললেন, ‘‘বায়ুসেনার এই সব বিমানে বিপজ্জনক মেঘ চিনে নেওয়ার ব্যবস্থা থাকে। ফলে ওই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটা উচিত নয়। তবে আবহাওয়া খারাপ থাকলে, কোনও সঙ্কটই অসম্ভব নয়।’’- আনন্দবাজার।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: