সর্বশেষ আপডেট : ১১ মিনিট ৫৮ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

চাকরি খুঁজতে ছেলেকে খালিহাতে বের করে দিলেন কোটিপতি বাবা

2016_07_22_21_06_50_2Auq8GhVToKTc7r6yAx6yqxT5SPUKI_originalআন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিশ্বের মোট ৭১টি দেশে ৬ হাজার কোটি রুপির ব্যবসা আছে সজিব দোলাকিয়ার। স্বাভাবিকভাবেই সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মেছেন তার ছেলে দ্রব্য দোলাকিয়া। যুক্তরাষ্ট্রে এমবিএ করছেন ২১ বছরের এই যুবক। ২১ জুন ছুটিতে এসেছিলেন ভারতের বাড়ি গুজরাটে। সঙ্গে ছিল ছয়টি জামাকাপড় আর ৭ হাজার রুপি।

এমন অবস্থায় বাবা জানিয়ে দিলেন, বাপের হোটেলে নয়, নিজের হোটেলেই খেতে হবে ছেলেকে। অর্থাৎ নিজের যোগ্যতায় পারলে চাকরি খুঁজে নাও। ছেলেকে কোনো টাকা পয়সাও দিলেন না তিনি। নিজের পায়ে দাঁড়াতে শিখুক ছেলে। এমনকি চাকরি খুঁজতে গিয়ে বাবার পরিচয়ও দিতে পারবে না।

সজিব দোলাকিয়া বলেন, ‘আমি তাকে তিনটি শর্ত দিয়েছি: আমি ছেলেকে বলেছি যে তার নিজের যোগ্যতায় টাকা উপার্জন করা দরকার। সে কোথাও এক সপ্তাহের বেশি কাজ করতে পারবে না এবং বাবার নাম ব্যবহার করতে পারবে না। এমনকি মোবাইল বাবার থেকে পাওয়া মোবাইল ফোন এবং ৭ হাজার রুপিও ব্যবহার করতে পারবে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমি চাই সে জীবনকে বুঝতে শিখুক, গরীব মানুষ কী করে একটি চাকরি এবং কিছু টাকার জন্য সংগ্রাম করে। অভিজ্ঞতা ছাড়া তুমি কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই জীবনের ওই দক্ষতা অর্জন করতে পারবে না।’

তবে ছেলেও কিন্তু বাবার চেয়ে কম যায় না। সেও চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে বসেছে, অপরিচিত সব প্রতিষ্ঠানে যাবে সে চাকরির সন্ধানে। বাবার পরিচয় ছাড়াই চাকরি নেবে সে। এই চ্যালেঞ্জ নিয়েই দ্রব্য চলে এসেছে কচিতে। এখানকার ভাষার সঙ্গেও সম্পূর্ণ অপরিচিত সে।

দ্রব্য জানায়, প্রথম পাঁচদিন সে কোনো চাকরিই পায়নি। ৬০টির মতো জায়গায় ঘুরেছে সে। অপরিচিত হওয়ায় কেউ তাকে চাকরি দেয়নি। তার ভাষায়, ‘আমি বুঝেছি, প্রত্যাখ্যান কাকে বলে এবং চাকরির মূল্য কত!’ প্রথমে একটি বেকারিতে চাকরি করেছে সে। এরপর একটি কলসেন্টারে। বর্তমানে ম্যাকডোনাল্ডে চাকরি করে সে। বেতন পায় ৪ হাজার রুপির মতো।

দ্রব্য জানায়, বেতন নিয়ে সে অসন্তুষ্ট নয়। প্রথমে আমাকে মাত্র ৪০ রুপি উপার্জনের জন্যও সংগ্রাম করতে হয়েছে। চাকরি পাওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার বাড়ি ফিরে এসেছে দ্রব্য। তার বর্তমান বস শ্রীজিৎ বলেন, ‘আমি প্রথম ওকে বেকারিতে দেখি। পছন্দ হয়ে যায় বলে একটি চাকরি দেই। পরে দ্রব্যের বাবার অফিস থেকে ফোন করে আমাকে সব জানানো হয়।’

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: