সর্বশেষ আপডেট : ২ মিনিট ১৯ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ২৭ মার্চ, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ চৈত্র ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

আটক রুমা মানসিক ভারসাম্যহীন : দাবি পরিবারের

Narsingdi-Ruma20160722150428নিউজ ডেস্ক
গুলশানের হলি আর্টিসান রেস্টুরেন্টে জঙ্গি হামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নরসিংদীর শিবপুরের চরখুকি থেকে রুমা আক্তার (৩৫) নামে যে নারীকে আটক করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ, তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন বলে দাবি করেছে তার পরিবার।

জানা গেছে, গুলশানে জঙ্গি হামলায় জড়িত সন্দেহে গত বুধবার রাতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার সাধারচর ইউনিয়নের চরখুপি গ্রামের বোনের বাড়ি থেকে রুমা আক্তার নামে এক নারীকে আটক করে। রুমা পার্শ্ববর্তী পলাশ উপজেলার চরসিন্ধুর ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা শাহাবুদ্দিন বুদু মিয়ার ছোট মেয়ে।

রুমা আক্তারের দুই বিয়ে হলেও বর্তমানে তিনি স্বামী পরিত্যক্ত। তার শ্রাবণ খান নামে ১৫ বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। তাকে বাবার কাছে রেখে তিনি ঢাকার বিভিন্ন বাসা-বাড়িতে গৃহ পরিচারিকার কাজ করে। বর্তমানে বাড্ডার নতুন বাজার এলাকায় ভাড়া বাড়িতে থাকেন। গুলশানে জঙ্গি হামলার সময় তিনি হলি আর্টিসান রেস্টুরেন্টের আশপাশ এলাকায় ছিলেন বলে স্বীকার করেছেন তার বোন সাবিনা।

গোয়েন্দা পুলিশের হাতে আটক রুমা আক্তারের বোন সাবিনা আক্তার বলেন, স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ির পর থেকে সে মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। বিভিন্ন বাসা বাড়িতে বুয়ার কাজ করেন। গত ৬ মাস আগে সে মালোয়েশিয়ায় কাজ করতে যায়। কিন্তু ৩ মাস পর সে দেশে ফিরে আসে। একাধিক বার তাকে মানসিক ডাক্তার দেখানো হয়েছে। কিন্ত ভাল হয়নি। কখনো কখনো নিজের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। বাস্তবেও সে পাগল বলে দাবি করেছে তার বড় বোন সাবিনা আক্তার।

গুলশানের ঘটনায় গত ১৯ জুলাই র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) হলি আর্টিসানের বাইরের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করে। ফুটেজে ঘটনার রাতে সন্দেহজনকভাবে চারজনকে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। যাদের একজন নারীও ছিলেন। আটক করা রুমা আক্তারই ভিডিও ফুটেজের সেই নারী। বিষয়টি স্বীকার করলেও রুমার বড় বোন সাবিনা আক্তার দাবি করেন, রুমা জঙ্গি নয়।

এদিকে, মেয়ে গ্রেফতার হওয়ায় বিব্রত রুমার মুক্তিযোদ্ধা বাবা শাহাবুদ্দিন বুদু মিয়া। তবে রুমা জঙ্গি হামলার ঘটনায় জড়িত না বলে তিনি মনে করেন। ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত দাবি করে তিনি বলেন, প্রকৃত অপরাধী হলে তাকে যথোপযুক্ত শাস্তি দেয়া হোক।

স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানায়, স্বামীর সংসার হারানোর পর থেকে রুমা অস্বাভাবিক আচরণ করে। ইতোমধ্যে একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টাও করেছে।

উল্লেখ্য, গত ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিসান বেকারিতে হামলার ঘটনায় ১৭ বিদেশিসহ ২০ জন নিহত হন। এছাড়া জঙ্গিদের গ্রেনেডে দুই পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়। এ সময় আহত হয় অন্তত ৩০ জন।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: