সর্বশেষ আপডেট : ২ মিনিট ৪০ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

আনসারুল্লাহ,জেএমবিসহ বাংলাদেশে পাঁচ জঙ্গি গোষ্ঠী তৎপর (ভিডিও)

jongyra-totporনিউজ ডেস্ক : নিষিদ্ধ সংগঠন জেএমবি, আনসারুল্লাহ বাংলা টিমসহ অন্তত পাঁচটি জঙ্গি গোষ্ঠী এতদিন গুপ্তহত্যার কৌশল নিয়ে এগুলেও এখন প্রকাশ্যেই বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা করছে। দুটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের গবেষণা বলছে, জঙ্গি সংগঠনগুলো জোটবদ্ধ হয়ে যে হামলা চালাচ্ছে তাতে যুক্ত করা হচ্ছে পঞ্চম প্রজন্মকে।
দেশের মাটিতে জঙ্গিদের আগমন রীতিমত প্রকাশ্য ঘোষনায়। ১৯৯২ সালের ৩০ এপ্রিল জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে আত্মপ্রকাশ হরকাতুল জিহাদ আল ইসলাম বা হুজি’র। আফগান যুদ্ধে অংশ নেয়া বাংলাদেশি স্বেচ্ছাসেবীদের একটি গ্রুপ গড়ে তোলে এই সংগঠন।
যুক্তরাষ্ট্রের টেরোরিজম রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস কনসোর্টিয়াম-ট্র্যাক ও টেরোরিজম রিসার্চ ইনিশিয়েটিভের গবেষণায় হুজিকে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের প্রথম প্রজন্মের জঙ্গি সংগঠন। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৯৬ সালে কক্সবাজারের উখিয়ায় হুজির ৪১ সশন্ত্র নেতা কর্মী আটক হলে হঁচট খায় সংগঠনের অগ্রযাত্রা। কিন্তু আবার ঘুরে দাঁড়িয়ে রমনা বটমূল,উদীচী,সিপিবি ও ২১ আগস্টের সমাবেশে একের পর এক বোমা হামলা করে সারা দেশে আলোচনায় আসে হুজি।
এর দু’বছর পর শায়খ আব্দুর রহমান ও সিদ্দিকুর রহমান বাংলা ভাইয়ের নেতৃত্বে গঠিত হয় দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্মের জঙ্গি সংগঠন জামাতুল মুজাহিদীন বা জেএমবি এবং জাগ্রত মুসলিম জনতা বাংলাদেশ বা জেএমজেবি।
দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ে সদস্য সংগ্রহের জন্য মাদ্রাসার পাশাপাশি নজর দেয়া হয় কারিগরি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের ওপর। তাদের তৎপরতার মূল কেন্দ্র ছিল দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল। একযোগে তেষট্টি জেলায় বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো ছাড়াও দেশের বিভিন্ন জায়গায় অনেকগুলো হত্যাকা- চালায় জেএমবি ও জেএমজেবি।
২০০৭ সালে শায়খ আব্দুর রহমান ও বাংলাভাইসহ শীর্ষ কয়েক নেতার ফাঁসির পর নেতৃত্ব শূন্য হয়ে পড়ে জেএমবি। ট্র্যাকের গবেষণা বলছে, জেএমবি ও হুজি যখন নতুন করে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছিল সেই সময়েই জন্ম নেয় চতুর্থ প্রজন্মের জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিম।
তথ্যপ্রযুক্তিতে অভিজ্ঞদের নিয়ে গড়া আনসারুল্লাহ তাদের প্রচারের জন্য বেছে নেয় আল-কায়েদার সহযোগী ওয়েবসাইট ‘আনসার আল মুজাহিদীন’ ও পাকিস্তান থেকে পরিচালিত ‘ বাব উল ইসলাম’কে।
শুরুতে জামায়াত উল মুসলেমিন নামের সংগঠনের আড়ালে চলে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের তৎপরতা। তবে ব্লগার রাজীব হায়দার খুনের ঘটনায় ২০১৩ সালে পাঁচজন গ্রেপ্তার হওয়ার পর জানা যায় সংগঠনের আসল নাম। গ্রেপ্তার হন এর প্রধান মুফতি জসিমউদ্দীন রাহমানী।
জসিমউদ্দীনকে গ্রেপ্তারের পর উপমহাদেশে শাখা খুলে বাংলাদেশে কার্যক্রম সম্প্রসারণের ঘোষণা দেয় আল কায়েদা। মার্কির দুই গবেষণা সংস্থা বলছে, ২০১৫ সালে বাংলাদেশে আল কায়েদা ও আইএসের প্রধান সমন্বয়কারীদের গ্রেপ্তারের খবর বেরিয়েছে।
পাশাপাশি শহীদ হামজা ব্রিগেড, বাংলাদেশ জিহাদি গ্রুপ নামের জঙ্গি সংগঠনের অস্তিত্ব স্বীকার করেছে আইনশৃংখলা বাহিনী। এসব গোষ্ঠীর সমন্বয়েই হয়েছে গুলশান হামলা যাতে সরাসরি অংশ নেয় পঞ্চম প্রজন্মের জঙ্গিরা।-আমাদের সময অনলাইন

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: