সর্বশেষ আপডেট : ২৩ মিনিট ৩৪ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ১৮ অগাস্ট, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৩ ভাদ্র ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

দু’মুখি চাপে রাতের ব্যবসায়ীরা

1444813644নিউজ ডেস্ক : দু’দফা সন্ত্রাসী হামলার পর কার্যত নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে সারা দেশবাসী। সবার মধ্যে উৎকণ্ঠা, কখন কী হয়! তবে সাধারণ জনগণ থেকে ব্যবসায়ীদের মধ্যে এই উৎকণ্ঠার মাত্রা বেশি। কারণ অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ব্যবসার বাধা। তবে সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন রাতে কাজ করতে হয় এমন ব্যবসায়ীরা।
এরই মধ্যে এ ধরনের অনেক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা চেয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কাছে আবেদন করা হয়েছে। ডিএমপি এসব আবেদন নিজেরা পর্যবেক্ষণ করছে, আবার অধিক গুরুত্বের ভিত্তিতে পাঠিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েও।
রাজধানীর বংশাল, সদরঘাট, কারওয়ান বাজার, ফকিরাপুল, কলাবাগান প্রভৃতি এলাকাকেন্দ্রিক কিছু ব্যবসা আছে, যেগুলো সারাদেশের সঙ্গে ব্যবসায়িক কাজে জড়িত। আবার সাধারণত রাতে এসব প্রতিষ্ঠানের পণ্য লোড বা আনলোড করা হয়। কিন্তু রাজধানীর হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় সন্ত্রাসী হামলার পর রাজধানীতে রাত কাটছে যেন থমথমে ভাবে। রাতগুলো যেন অঘোষিতভাবে নিঃস্তব্ধতায় কাটছে। তাই রাতে কাজ করতে ভয় পাচ্ছেন নিয়মিত রাতের ব্যবসায়ীরা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একদিকে অনাকাঙ্খিত ঝামেলার ভয়, অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো তদন্তে পড়ে যাওয়ার ভয়। কারণ রাতের বেলায় গোয়েন্দা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা আগের তুলনায় অনেক বেশি থাকে। সেক্ষেত্রে আশপাশের কোনো ঘটনার জন্য চাপে পড়ে যাওয়ার ভয় থাকে রাতে কাজ করা এসব ব্যবসায়ী এবং তাদের কর্মীদের। সব মিলিয়ে দু’মুখী চাপে আছে রাতের কারবারিরা।
জানা গেছে, রাজধানীর সুরিটোলার নূর ট্রান্সপোর্টের মালিক আমির হোসেন এ ধরনের ঝামেলার কথা উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনারের কাছে নিরাপত্তা চেয়েছেন। এ বিষয়ে গত সপ্তাহে করা আবেদনে তিনি উল্লেখ করেছেন, বংশাল থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় মোটরসাইকেল, বাইসাইকেল, ফ্যানসহ বিভিন্ন মালামাল পাঠানো হয়। প্রতিদিন রাত ৮টা থেকে এসব মালামাল লোড করে ভোর রাত পর্যন্ত পাঠানো হয়। গত ১ জুলাই গুলশানে ও ৭ জুলাই কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার পর এ প্রতিষ্ঠানের মালিক-কর্মচারীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এই আতঙ্কে রাতে কাজ করতে চান না শ্রমিকরাও। এই অবস্থায় বাড়তি নিরাপত্তা চেয়েছেন তিনি। এ রকম আবেদন করেছেন গ্রিন রোডের একটি হাউজিং কোম্পানি, শ্যামলীর একটি পরিবহন সার্ভিস প্রভৃতি।
একই অবস্থা কারওয়ান বাজারের কাঁচা বাজার কিংবা মতিঝিলকেন্দ্রিক পণ্য পরিবহনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যবসায়ীদেরও। জানা গেছে, ডিএমপির কাছে আমির হোসেনের মতো এমন আবেদন করেছেন আরো কয়েক ডজন ব্যবসায়ী। এর মধ্যে রাজধানীর অভিজাত এলাকার ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ ব্যবসায়ীও রয়েছে।
কার্গো ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা, কুরিয়ার ও পার্সেল সার্ভিস, কাঁচা বাজার, দেশের মধ্যে পোশাক ব্যবসার মতো ব্যবসায়ীরাও নিরাপত্তার কথা বলছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপির উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান বলেন, ‘শুধুমাত্র ব্যবসায়ী নয়, সাধারণ জনগণের অনেকেও নিরাপত্তা বিষয়ে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন, করেছেন। আমরা সবাইকে বলছি, রাজধানীতে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে ডিএমপি নিরলস কাজ করছে। কারো উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।-আমাদের সময় অনলাইন

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: