সর্বশেষ আপডেট : ৫৯ মিনিট ৫১ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

হাসনাত-তাহমিদ কোথায়, সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা চেয়েছে আসক

full_1458387408_1469038370নিউজ ডেস্ক: গুলশান হত্যাকাণ্ডের পর ‘মুক্ত হওয়া’ হাসনাত রেজাউল করিম ও তাহমিদ হাসিব খান কোথায় আছে সে বিষয়ে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।

বুধবার এক বিবৃতিতে সংস্থাটি বলেছে, দেশের প্রত্যেক নাগরিকের নিরাপত্তা বিধান করা সরকার ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাংবিধানিক দায়িত্ব। কেউ যদি সন্দেহভাজন অপরাধী হয়েও থাকে, সেক্ষেত্রেও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে থাকার পর তার কোনো হদিস না পাওয়া মানবাধিকারের চরমতম লঙ্ঘন।

গত ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার পর কমান্ডো অভিযানে উদ্ধার হওয়া ১৩ জনের মধ্যে ছিলেন নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হাসনাত এবং কানাডা প্রবাসী যুবক তাহমিদ।

অভিযান শেষে উদ্ধার ১৩ জনসহ ২৭ জনকে নেওয়া হয় গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ ও যাচাই-বাছাই করে অনেককে ছেড়ে দেওয়া হলেও এই দুজনকে ফিরে পায়নি তাদের পরিবার।

পুলিশের ভাষ্য, হাসনাত ও তাহমিদ দুজনই এই হামলার ‘সন্দেহভাজন’।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সবাইকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে মহানগর পুলিশের মুখপাত্র জানালেও ওই দুজনের সন্ধান না পাওয়ার অভিযোগ তাদের পরিবারের।

সম্প্রতি তাদের অবস্থান সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে মহানগর পুলিশ কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তারা বলতে পারবেন।

তবে উদ্ধারের ২০ দিনেও পরিবারের সদস্যরা হাসনাত-তাহমিদের সন্ধান না পাওয়ায় উদ্বেগ জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র।

তাদের বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের আইনানুগ প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা গ্রহণ ও সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল ভূমিকার দাবি জনাই। পাশাপাশি উক্ত ব্যক্তিদের অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান ও পরিবারের সদস্যদের অবহিত করণেরও দাবি জানাচ্ছি।

নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হাসনাত করিম মেয়ের জন্মদিন উদযাপনের জন্য সেদিন সপরিবারে হলি আর্টিজানে গিয়েছিলেন বলে স্বজনরা বলছেন।

নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরীর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ২০১২ সালে হাসনাত করিমকে নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় চাকরি থেকে অব্যাহতি দিয়েছিল বলে গণমাধ্যমের খবর। ওই হামলায় অংশ নিয়ে কমান্ডো অভিযানে নিহত নিবরাজ ইসলামও নর্থ-সাউথে পড়াশোনা করেছেন।

ওই ঘটনার একটি ভিডিওচিত্র প্রকাশের পর হাসনাতের বিরুদ্ধে হামলায় সম্পৃক্ততার সন্দেহ ওঠে ফেইসবুকে।

অপরদিকে কানাডার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তাহমিদ দেশে ফেরার পরদিন ১ জুলাই বন্ধুদের সঙ্গে ওই রেস্তোরাঁয় গিয়েছিলেন বলে তার স্বজনরা বলছেন।

সুত্র- বিডি নিউজ

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: