সর্বশেষ আপডেট : ২ ঘন্টা আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

কুশিয়ারা-মনু নদীর পানি বিপদ সীমারউপরে, ডাইকে ফাটল

4522ওসমানীনগর সংবাদদাতা::
ভারী বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলে কুশিয়ারা নদী, মনু নদী ও সাদিখালের পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। বৃষ্টি না হলেও হাওরগুলোতে পানি বাড়ছে। ফলে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে ওসমানীনগরের নিম্নাঞ্চলে। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পানি নির্গমনের পথ বন্ধ হওয়ায় অনেক ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। এতে কৃষকরা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও বন্যা মোকাবেলার জন্য আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছেন এলাকাবাসী।

এ উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত কুশিয়ারা নদী, মনু নদী ও সাদিখালসহ জলাশয়গুলো ইতোমধ্যে পানিতে ভরে গেছে। নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ অঞ্চলের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ কুশিয়ারা ডাইকের স্থানে স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। যে কোনো মুহূর্তে ডাইক ভেঙে জোয়ারের পানি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বন্যার পানিতে এ জনপদ তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়াও সুরমা নদী উত্তাল থাকায় এ অঞ্চলের জনসাধারন বন্যার আংশকায় শংকিত রয়েছেন।

জানা গেছে, প্রয়োজনীয় সময়ে খনন না করায় অধিকাংশ খাল,বিল, হাওর ও নদীর অস্তিত বিলীন হয়ে গেছে। স্থানে স্থানে নদী খালগুলো ভরাট রয়েছে। এতে পানি নিস্কাষনের পথ বন্ধ হয়ে হওয়ায় এ অঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হয়। দয়ামীরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত দয়ালং খাল এখন স্থানে স্থানে ভরাট হয়ে নামমাত্র আছে । গোয়ালাবাজারের নাটকিলা খাল, রত্মা নদী (বর্তমান-দাশপাড়ার খাল), চিন্তামনীর উপর দিয়ে প্রবাহিত বুড়ি বরাকের অংশ, নতুন বাজারের আর্মীদিং নদী, বুরুঙ্গা ইউনিয়নের দামদস্যি স্কুল থেকে নিরাইয়া হাওরের খালসহ এলাকার অধিকাংশ জলমহাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে এগুলো অস্তিত্বহীন। এ জনপদে ছোট বড় ৮৬ টি জলমহালের রয়েছে। এর মধ্যে ২০ একরের ঊর্ধ্বে ৪১ টি এবং ২০ একরের নীচে ৪৫ টি। অধিকাংশ জলমহালের অধিকাংশ অস্তিত্ব এখন বিলীন।

মেরুয়া, বানাইয়া, দয়ালং, কালাসারা, চেগা বিল, কাগবিল, কাটাগাং, মোকতারপুর, মাউচ্ছাখালী, সুন্দিখলা, চাতল বিল, নিরাইয়া, বারো হাওর, ধরংবিল, নাটকিলা, সাদিপুরের ভরাং, সাদি খাল, ঝাপার খাল, পেকুয়া, বিবিয়ানা, নরখা, দয়াল খাল, আওড়ি, বড়খাল, ফুলবাড়ী খাল, বাটনা কড়া, কেরয়ালী খাল, শ্রী কৃষ্ণ খাল, চম্পাবতীর খাল, বেজখালী, দেবখালি, ভৈরব খাল, জান খাল, ঝরঝরি, রাসবাবুর খাল, শ্যামের খাল, আয়না খাল, সাউনিয়া, বড় চাতল, মাইজাল, করচা বিল, গালচাবরি বিল,রতœা নদী, বুড়ি বরাক, বড়ভাগা,নষ্টগাং, আর্মিদিং ও কালনী নদী অন্যতম। রত্মা, আর্মিদিং, রড়গঙ্গা, বুড়িবরাক নদীতো এখন খাল বলেই পরিচিত। বড় খাল গুলোর অস্তিত্বই নেই। আর ক্রমেই আয়তন কমছে জলমহালগুলোর। ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক নির্মাণকালে পার্শ্ববর্তী অধিকাংশ খাল ভরাট হয়ে গেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পুনঃখননের জন্যে টাকা বরাদ্দ দিলেও অনেক খালই পুনর্খনন হয়নি।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: