সর্বশেষ আপডেট : ১ মিনিট ২৭ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

‘সর্পরাজ’ ইব্রাহিমের খাঁচায় বিষধর দুটি সাপ

Syl-Pic-23-02-16-3স্টাফ রিপোর্টার::
এবার দক্ষিণ সুরমার তেতলী বলদী গ্রাম থেকে দুটি বিষধর সাপ ধরেছেন সর্পরাজ ইব্রাহিম আলী। বুধবার সকাল ১২টায় ৬ ফুট লম্বা বিষাক্ত একটি নাগাই আলদ ও ৫ ফুট লম্বা একটি মাছুয়া আলদ সাপ তিনি ধরেন।

তেতলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সহসভাপতি মো. মানিক মিয়া জানান, দীর্ঘদিন থেকে তাঁর বাড়িতে বিষধর দুটি সাপ দেখা যাচ্ছে। সাপগুলো বাড়ির লোকজনকে দেখলেই তাড়া করে। বাড়ির কাজের লোকজন অনেক সময় সাপের তাড়া খেয়ে দৌড়ে প্রাণ বাঁচিয়েছেন। গত তিনদিন আগে তিনি সর্পরাজ ইব্রাহিমকে বাড়িতে খবর দিয়ে আনলে ইব্রাহিম বাড়িতে সাপ আছে বলে জানান। গতকাল সকালে ইব্রাহিম সাপ ধরতে আসেন ওই বাড়িতে। বেলা ১২টার দিকে তিনি ৬ ফুট লম্বা নাগাই আলদ ও ৫ ফুট লম্বা একটি মাছুয়া আলদ সাপ ধরেন।

ইব্রাহিম বলেন, সাপকে সঙ্গী করে জীবনের ৫৭ বছর কাটিয়ে দিয়েছেন। সাপ ধরে জীবিকানির্বাহ করেই চলে তাঁর সংসার। তিনি সাপের সন্ধান পেলে ছুটে যান দেশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে। সেই সাথে লতাপাতা দিয়ে নিজের তৈরি রোগ নিরাময়কারী ভেষজ দিয়ে মানুষের উপকার করেন।
সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জের সদর উপজেলার সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দা ইব্রাহিম জানান, তাঁর জন্ম ভারতের আসাম রাজ্যে। তাঁর পিতা তাহের আলীও ছিলেন ওঝা ও কবিরাজ। ছোটবেলা থেকেই বাবার কাছ থেকে গুণমন্ত্রের বিভিন্ন বিষয়ে প্রাথমিক জ্ঞান লাভ করেন। পরে ভারতের আসাম রাজ্যের কামরূপ কামাখ্যায় (পানামং মায়ারাজ্য) সর্পবিদ্যা ও তন্ত্রমন্ত্রে একাধারে ১৮ বছর প্রশিক্ষণ নেন। তাঁর গুরু আসামের সামলাল গারওয়ালি নেংটা নাগার কাছ থেকে গুণমন্ত্র শেখেন ইব্রাহিম।

ইব্রাহিম বলেন, গতকাল সাপ ধরার সময় তাঁর সাথে ছিলেন ছেলে সর্পরাজ আল মামুন, মাইদুল হোসেন, ভাইয়ের ছেলে রানা এবং নাতি হাশেম আলী।
ইব্রাহিম আলী বলেন, সাপকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। সাপ কারো ক্ষতি করে না। ওরা আমাদের বন্ধু। এখন বর্ষা মৌসুম। তাই সাপেরা অনেক সময় মানুষের বাসাবাড়িতে প্রবেশ করে। ভয়ে অনেকেই বাড়ির বাহিরে থাকেন, কেউ আবার মেরে ফেলে। আমরা বিনা পয়সায় সাপ ধরি। তিনি বলেন, গতকালের ধরা সাপ দুটি যারা সাপ খেলা দেখায় তাদেরকে দিয়ে দেবেন। ওই দুটি সাপ দিয়ে ওরা খেলা দেখিয়ে পরিবার চালাতে পারবে। একপ্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ওই সাপ দুটির এখনও বিষদাঁত রয়েছে। দাঁত ভাঙা হয়নি।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: