সর্বশেষ আপডেট : ৭ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ওষুধে অচেতন করে কান্দিলকে খুন করে ভাই

23020_x6অলাইন ডেস্ক:
পাকিস্তানের আলোচিত মডেল ও সোস্যাল মিডিয়া সেলিব্রেটি কান্দিল বালুচকে খুনের দায়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তার ভাই ওয়াসিমকে। শনিবার রাতে ডেরা গাজি খান এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওয়াসিম তার বোনকে খুনের অভিযোগ স্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, কান্দিল তার পরিবারের সুনামকে নষ্ট করেছে বলেই তাকে খুন করেন তিনি। পাকিস্তানের পত্রিকা দ্য ডনের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে বিবিসি।

খবরে বলা হয়, কান্দিলের ভাই ওয়াসিম তার বোনকে খুনের কথা নিজ থেকেই স্বীকার করে নিয়েছেন। বোনকে কীভাবে খুন করেছেন তার বর্ণনাও দিয়েছেন তিনি। তিনি জানান, বোনকে প্রথমে ওষুধ খাইয়ে অচেতন করেন এবং পরে তাকে খুন করেন। ওয়াসিম বলেন, ‘সে জানত না যে আমি তাকে খুন করতে যাচ্ছি। প্রথমে তাকে আমি ওষুধ খাওয়াই। পরে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করি।’ শনিবার সকালে বোনকে খুন করার পর থেকেই পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন ওয়াসিম। মুলতানের করিমাবাদ থেকে তিনি পালিয়ে যান ডেরা গাজি খান এলাকায়। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, তার সঙ্গে আরও দুই সঙ্গীও ছিল। তাদের এখনও খুঁজছে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর ওয়াসিম বলেন, ‘যা করেছি তার জন্য আমি লজ্জিত নই। আমরা বালুচ এবং বালুচ হিসেবে এগুলো আমরা সহ্য করতে পারি না।’ এই কথায় ওয়াসিম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া বোন কান্দিলের ভিডিও ও তেহরিক ই ইনসাফ দলের নেতা মুফতি আবদুল কভির সঙ্গে তোলা কান্দিলের সেলফির দিকেই আঙুল তুলেছেন। কভির সঙ্গে সেলফির কারণে যথেষ্ট আলোচিত হন কান্দিল। বিপাকে পড়ে কভি নিজেও দল থেকে পদত্যাগ করেন।

এ ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খোলামেলা ছবি প্রকাশ করে আলোচিত ও সমালোচিত দুই-ই হন কান্দিল। তার এমন আচরণ পরিবারের সম্মান ক্ষুণ্ন করেছে বলে দাবি ওয়াসিমের। এসব করে কান্দিল প্রকারান্তরে ‘বালুচ নামকে অসম্মানিত করেছেন’ বলেই তাকে খুন করেছেন বলে স্বীকার করেছেন কান্দিলের ভাই। উল্লেখ্য, কান্দিল বালুচের প্রকৃত নাম ফওজিয়া আজিম। তিনিই বলতে গেলে পাকিস্তানের প্রথম সোস্যাল মিডিয়া সেলিব্রেটির তকমা পেয়েছেন। টুইটারে তার অনুসারী রয়েছে ৪৩ হাজার ও ফেসবুকে ৭ লাখেরও বেশি। তার অনেক আচরণ তাকে রক্ষণশীল পাকিস্তানের অনেকের চক্ষুশূল করেছে- সে বিষয়েও সচেতন ছিলেন কান্দিল। বৃহস্পতিবারে এক টুইটে তিনি লিখেছিলেন, আমি হাল ছাড়ব না। আমি আমার লক্ষ্যে পৌঁছাব এবং কোনোকিছুই আমাকে থামিয়ে রাখতে পারবে না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রচলিত ‘অনার কিলিং’য়ের শিকার হয়ে থামতে হলো কান্দিলকে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: