সর্বশেষ আপডেট : ৭ মিনিট ১৪ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সুনামগঞ্জের নতুন বাসস্ট্যান্ডের বেহাল দশা

02_21390সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: বেহাল দশা বিরাজ করছে সুনামগঞ্জ নতুন বাস স্ট্যান্ডে। শহরের মল্লিকপুরে অবস্থিত জেলার প্রধান এই বাস টার্মনালটি জর্জরিত নানা সমস্যায়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, টার্মিনাল সেডে যাওয়ার একমাত্র ইটসলিং রাস্তাটি ভেঙে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। ভাঙা রাস্তা দিয়ে টার্মিনাল সেডে গিয়ে গাড়ি পার্কিং করতে না পারায় রাস্তায় সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। টার্মিনালে লাইটিং ব্যবস্থা ও পাহারাদার না থাকায় রাত্রি বেলায় অরক্ষিত থাকে যানবাহনগুলো। চুরি-চামারীসহ অসামাজিক কাজ যেন সেখানকার নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার।

স্ট্যান্ডে যাত্রীছাউনী না থাকায় রাস্তায় বা দোকানপাটে দাঁড়িয়ে বৃষ্টি ও প্রখর রোদের উত্তাপ সহ্য করতে হয় সব শ্রেণি পেশার যাত্রীদের। টার্মিনাল সেডে টিকেট কাউন্টার থাকলেও এই কাউন্টার থেকে টিকেট বিক্রি হয় না। যাত্রীরা টিকেট সংগ্রহ করছেন অস্থায়ী ভাঙা একটি কাউন্টার থেকে। টার্মিনালে নেই শৌচাগার ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা। শৌচাগার না থাকায় যেখানে সেখানে মলমুত্র ত্যাগ করায় দিন দিন খারাপ হচ্ছে টার্মিনান এলাকার আশপাশের পরিবেশ। আসা যাওয়ায় প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। বাস স্ট্যান্ডের করুণ অবস্থায় বিক্ষুব্ধ চালকসহ যাত্রীরা।

দিরাই থেকে আসা জহিরুল নামের একজন যাত্রী বলেন, নতুন বাসস্যান্ডটি সুনামগঞ্জের কেন্দ্রীয় টার্মিনাল। অথচ অন্যান্য জেলার তুলনায় আমাদের টার্মিনালটির অবস্থা খুবই খারাপ। আমিরুল নামে আরেক যাত্রী বলেন, বাস টার্মিনালে যাত্রীদের বসার কোন ব্যবস্থাই নেই। রোদ-বৃষ্টির দিনে অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয় আমাদের। নেই শৌচাগারের তেমন ব্যবস্থা। এতে শিশু ও মহিলা যাত্রীদের পড়তে হয় মহাসমস্যায়।

বাস চালক বশির উদ্দিন বলেন, আমাদের গোসল করা ও বিশ্রামের কোন সুব্যবস্থা নাই। রাস্তায় অবস্থা খারাপ, টার্মিনাল সেডে গাড়ি নেয়ার সময় গাড়ির অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। পাহারাদার না থাকায় প্রায় সময় ড্রাইভারদের মোবাইল, মানিব্যাগ চুরি হয়ে যায়। এসব দেখার কেউ নেই।

শ্রমিকদের জেলা রোড পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুল কাহার জানান, বাসস্ট্যান্ডের উন্নয়নের জন্যে জেলা পরিষদের কাছে অনেক বার লিখিত আবেদন করেছি আমরা। কিন্তু কর্তৃপক্ষের কোন সাড়া নেই। লিজ দিয়ে রিসিট ছাড়া প্রতিদিন টোল নেয়া হয় এখানে। তিনি আরো বলেন, রাস্তার বেহাল দশা, মেইন রোডের মত টার্মিনাল সেডের রাস্তাটিও আরসিসি ঢালাই দিলে টার্মিনালের ভিতরে গাড়ি পার্কিং করতে সুবিধা হবে। এছাড়াও রাতের বেলায় আলো না থাকায় অনেক চুরি ডাকাতি ও অসামাজিক কার্যকলাপ ঘটছে।

এ ব্যাপারে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জর্জেস মিঞা বলেন, শ্রমিকদের এমন অভিযোগ সঠিক নয়। যাত্রী ছাউনি, টিকেট কাউন্টারসহ টার্মিনাল সেড তৈরি করে দেয়া হয়েছে। সেখানে যাওয়ার পাকা রাস্তাও আছে কিন্তু তারা সেখানে যেতে চায় না। দক্ষিণ দিকের রাস্তায় মাটি ভরাট চলছে। আগামীতে এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করা সম্ভব হবে। টোল আদায় করে ইজারাদার, বাস চালক চাইলে তিনি রশিদ দিতে বাধ্য। রশিদ না দেয়া হলে আমরা বলে দেব সবাইকে আদায়কৃত টাকার বিপরীতে রশিদ দিতে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: