সর্বশেষ আপডেট : ৪ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

প্রকৃতিকন্যা জাফলং লাখো পর্যটকের পদচারণায় মুখর

jaflong news daily sylhetরফিক সরকার, গোয়াইনঘাট::
ঈদের ৯ম দিনেও লাখো পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত সিলেটের প্রকৃতিকন্যা জাফলং। ঈদ আনন্দকে ভাগাভাগি করতে প্রাকৃতিক কন্যা জাফলংয়ে ঘটেছে লাখো পর্যটকের মিলন-মেলা। ঈদের ছুটি পেয়ে দেশ-বিদেশ থেকে আগত ভ্রমন পিয়সীদের উল্লাসে ভারী করে তুলেছে চারপাশের আকাশ-বাতাস। আছে সুনীল জলের সমাহার। জাফলংয়ের পিয়াইনের স্বচ্ছ জলে গাঁ ভিজিয়ে বিমোহিত হচ্ছেন আগত পর্যটকরা।

সীমান্তের ওপাড়ে পাহাড়ের গাঁয়ে সবুজের সমারোহ, এক পাশে বহমান বিশাল সমতল জুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা পাথর আর পাথর, যেন কেউ বিছিয়ে রেখেছে পাথরের বিছানা। সব কিছু দেখেই যেন পর্যটকদের কমতি নেই বাধঁ ভাঙ্গা উল্লাসের। তারা যেন খোজেঁ পেয়েছেন কুড়িয়ে পাওয়া এক নতুন সুখ। স্বচ্ছ জলে ঘা ভিজিয়ে রোমাঞ্চকর অনুভূতি পর্যটকদের দেয় সীমাহীন আনন্দ। ভেসে ওঠে লাবণ্যময়ী প্রাকৃতিক এক অনন্য জলছবি। কেউবা আবার হাতে থাকা স্মার্ট ফোন কিংবা ক্যামেরায় বন্দি করে নিচ্ছেন সুখের এই প্রতিচ্ছবিকে। আবার তরুণ-তরুণীদের সেলফিবাজিতে পরিবেশ হয়ে পড়েছে আরো মনোমুগ্ধকর।

জাফলংয়ের জিরো পয়েন্টের অদুরেই দেখা মিলে মায়াবী ঝর্ণার। ঝর্ণার এই মায়ার চাদরে ঢাকা আছে হাজারো পর্যটকের অমলিন হাসি। তাদের লাফালাফি আর আনন্দ উচ্ছাস দেখে শতক্লান্ত হৃদয়ে যেন ফিরে আসে সুখের প্রশান্তি। পাথরের উপর পানির কলকল ধ্বনি আর পাখির কিচির মিচির শব্দে ভেসে ওঠে আকর্ষনীয় পরিবেশ। যা না দেখে বুঝা প্রায় অসম্ভব। তবে এখানকার যোগাযোগ ব্যাবস্থার অভিযোগ থাকলেও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সুধা তা ভূলিয়ে রাখে পর্যটকদের।

পর্যটকরা বলছেন, একটা পর্যটন কেন্দ্রের রাস্তাঘাট দেখে সত্যিই আমরা অবিভূত। এই বেহাল যোগাযোগ ব্যাবস্থার কারনে জাফলং মেলে ধরতে পারছে না তার নতুন সৌন্দয্যের্র হাতছানি। অথচ কোটি টাকার রাজস্ব দিলেও এই রাস্তাঘাটের কোন উন্নতি করছে না সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ এমনটাই অভিযোগ স্থানীয় জন-সাধারনদের।

তারপরও সম্প্রতি প্রকৃতিকন্যা নজর কারতে সক্ষম করছে পর্যটকদের। পাহাড়, পাথর আর সুরীনজলের সমাহার কেবল এই সিলেটের জাফলংয়েই। প্রকৃতির এই অপার সম্ভাবনা বদলে দিতে পারে সীমান্তবর্তী অবহেলিত এ অঞ্চলের মানুষের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট। শুধুমাত্র যোগাযোগ ব্যবস্বাতা একটু উন্নতি হলেই এখানে পর্যটকদের আরো সমাগম বাড়বে সেই সাথে এই অন্ঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রায় যোগ হবে নতুন মাত্রা এমনটাই মনে করেন ঘুরতে আসা পর্যটক ও স্থানীয়রা।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: