সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মায়ের অভিযোগ: সিলেটে ভাবির মামলায় দেবরকে হয়রানি

01. daily sylhet news-স্টাফ রিপোর্টার::
কথা কাটাকাটিকে কেন্দ্র করে নববিবাহিত দেবরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার মামলা দায়ের করেছেন ভাবি। এই মামলার কারণে পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে দেবরকে। মামলার এজাহারে বর্ণিত ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও সাজানো বলে জানিয়েছেন বাদিনীর শাশুড়ি। তিনি পুত্রবধূর মামলাটি সুষ্ঠু তদন্তক্রমে তার মেঝোপুত্রকে অব্যাহতি দিতে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) কমিশনারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।

এসএমপির জালালাবাদ থানাধীন সতের রাজারগাঁওয়ের মরহুম সুনু মিয়ার স্ত্রী আলতুন্নেছা গত ২৭ জুন এসএমপি কমিশনারের কাছে লিখিত আবেদনে বলেছেন, তার মেঝো ছেলে আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে বড় ছেলের স্ত্রী শিল্পী বেগম মিথ্যা অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেছেন। তিনি আবেদনপত্রে বলেছেন, তাঁর বড় ছেলে আব্দুর রহিম ও ছোট ছেলে ফজলুর রহমান বর্তমানে সৌদি আরব প্রবাসী। মেঝো ছেলে আব্দুর রহমানও সৌদি আরব ছিলেন।

গত ডিসেম্বরে তিনি দেশে চলে আসেন এবং গত পয়লা এপ্রিল বিয়ে করেন। আব্দুর রহিমকে তাঁর দুই ভাই সৌদি আরব নিয়ে গিয়েছিলেন। এর আগে তিনি বাড়িতে গৃহস্থি কাজ করতেন কিছুদিন পূর্বে জমিজমা জরিপ করানোর সময় আব্দুর রহিম তাঁর পৈতৃক সম্পত্তিতে স্ত্রী শিল্পী বেগমের নাম রেকর্ডপত্রে ঢুকিয়ে দেন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর আব্দুর রহিমের দুই ভাই এবং চার বোন অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হন। বিষয়টি নিয়ে ভাবি শিল্পী বেগমের সঙ্গে তাদের মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়।

গত ৩ মে শিল্পী বেগমের সঙ্গে তার দেবর আব্দুর রহমানের সামান্য ঝগড়া হয়। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে শিল্পী বেগম গত ৪ মে শিবেরবাজার তদন্তকেন্দ্রে দেবর আব্দুর রহমান ও ননদ মিসবাহ বেগমের বিরুদ্ধে মারপিটের অভিযোগ দেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্তকালে অভিযোগের কোনো সত্যতা পায়নি। তাই শিল্পী বেগম পরদিন ৫ মে জালালাবাদ থানায় দেবর আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ-চেষ্টার মামলা দায়ের করেন।

আবেদনে আরো বলা হয়, শিল্পী বেগম সকাল ১০ টায় ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন। ওই বাড়িতে প্রায় ১৫টি পরিবারের দেড় শতাধিক লোক বসবাস করেন। তারা কেউই এরকম ঘটনার কথা জানেন না। তদুপরি নববিবাহিত আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে চার সন্তানের জননী পঁয়ত্রিশোর্ধ্ব ভাবিকে ধর্ষণ-চেষ্টার অভিযোগও বিশ্বাসযোগ্য নয়। আলতুন্নেছা তার আবেদনে আরো বলেছেন, পুত্রবধূ শিল্পী বেগমের মামলার সকল অভিযোগ মিথ্যা ও সাজানো। আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতেই তিনি এ মামলা দায়ের করেছেন।

শিল্পী বেগমের কাছে ফোনে তাঁর মামলার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি কিছু বলতে অস্বীকৃতি জানান এবং তার পিতা সোলেমান মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।

এ ব্যাপারে জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার হোসেন বলেন, মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) ছিলেন এসআই আক্তারুজ্জামান। এখন এসআই অঞ্জন কুমার তালুকদার তদন্ত করছেন। তিনি এ সম্পর্কে ভালো বলতে পারবেন।

তদন্ত কর্মকর্তা জালালাবাদ থানার অঞ্জন কুমার তালুকদারের সাথে যোগাযোগ করলে বলেন, মামলার তদন্তকাজ চলছে। শিল্পী বেগমের অভিযোগ সত্য নাকি মিথ্যা, তা এখনই বলা যাচ্ছে না।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: