সর্বশেষ আপডেট : ৬ মিনিট ৯ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বিয়ের জন্য পালিয়ে বৃষ্টির বাগড়ায় ধরা পড়লো প্রেমিক যুগল

147273_1নিউজ ডেস্ক: বিয়ে করার জন্য বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার বাসাইল গ্রামে স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়েছে এক প্রেমিক যুগল।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বৃষ্টি এলে থেমে থাকা টেম্পোতে আশ্রয় নিয়ে ধরা পড়ে তারা।

তাদের আটকে রাখা হয়েছে স্থানীয় উথলী ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার জাহিদুল রহমানের বাড়ি।
তারা হলো- প্রেমিক মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার শোলধারা গ্রামের সামসুল ইসলামের ছেলে আল-আমিন (১৫) ও দৌলতপুর উপজেলার রৌহা গ্রামের আরজু মিয়ার মেয়ে তানজিনা আক্তার (১২)।

আল-আমিন মূলজান চর কাসকারা টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণি ও শিবালয় উপজেলা নয়াবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষর্থী তানজিনা।

তানজিনা আক্তার জানায়, তিন মাস আগে আল-আমিনের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাকে মোবাইল ফোন সেটও কিনে দিয়েছে আল-আমিন।

দু’জনে বিভিন্ন স্থানে বেড়াতে গেছেন এবং একান্ত সময়ও কাটিয়েছেন। কয়েক দিন আগে তারা পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয়।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকালে দুই বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে শিবালয় উপজেলার নয়াবাড়ি বাসস্ট্যান্ডে তাকে নিতে আসে আল-আমিন।

সেখানে পরিচিত লোকজন থাকায় অটোরিক্সায় না উঠে হেঁটে পাশের বাসাইল এলাকায় যায় তারা।

এ সময় হঠাৎ বৃষ্টি এলে তারা সড়কের পাশের এক বাড়ি আশ্রয় নেয়। অপর দুই বন্ধু চলে যায়।

বৃষ্টি কমলে সড়কে আসে তারা। আবারও বৃষ্টি শুরু হলে তারা সেখানে থেমে থাকায় টেম্পো গাড়িতে আশ্রয় নেয়।

বৃষ্টি কমলে স্থানীয় কয়েক যুবক এসে তাদের পরিচয় জিজ্ঞাসা করেন। এ সময় আল-আমিনের শেখানো কথায় যুবকদের কাছে তারা ফুফাতো ও মামাতো ভাই-বোন পরিচয় দেয়।

আরও লোকজন এসে তাদের ধরে মেম্বারের বাড়ি নিয়ে এসেছে বলেও জানায় তানজিনা।

জানতে চাইলে তানজিনার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি স্বীকার করে আল-আমিন।

স্থানীয় উথলী ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার জাহিদুর রহমান জানান, স্থানীয় লোকজন তাদের কথাবার্তা ও আপত্তিকর আচরণ দেখে হাতেনাতে ধরেন। জিজ্ঞাসাবাদে তারা নিজেদের মধ্যে প্রেম ও বিয়ের জন্য পালিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করে।

এরপর তার বাড়িতে নিয়ে এসে দুইজনকে আলাদা ঘরে রাখা হয়েছে। উভয়পক্ষের অভিভাবকদের খবর পাঠানো হয়েছে।

তারা এলে স্থানীয়ভাবে বসে সুরাহা করা হবে বলেও জানান তিনি।

এ ব্যাপারে শিবালয় সার্কেল এএসপি হারুণ-অর রশিদ সাংবাদিকদের জানান, বিষয়টি খোঁজ নিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হচ্ছে। উভয় পরিবারের সঙ্গে কথা বলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: