সর্বশেষ আপডেট : ৩ মিনিট ৪ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

অর্থমন্ত্রীর অসহায়ত্ব সরকারেরই ব্যর্থতা

Peer-Habibur-Rahmanপীর হাবিবুর রহমান::
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. ফরাস উদ্দিন কয়েক দিন আগে বলেছেন, ২০১৩ সালে দেশ থেকে প্রায় ৭১ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়ে গেছে। যা দিয়ে তিনটি পদ্মাসেতু বানানো যেত। একটি গরীব, তলা-বিহীন ঝুড়ি, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের অভিশাপ থেকে বেরিয়ে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ আজ বাংলাদেশ। যেখানে প্রবাসীদের রেমিটেন্স, কৃষকের হাড় ভাঙা পরিশ্রম, গার্মেন্টস কর্মীদের ঘাম অর্থনীতিকে নিরাপদ রেখেছে, সেখানে এত টাকা কারা কিভাবে কেন পাচার করেছে? দেশে কেন বিনিয়োগ নেই? কর্মসংস্থান নেই, শিল্প কল-কারখানা বাড়ছে না? কেন ব্যাংকিং খাতসহ অর্থনীতি খাতে শৃঙ্খলা ফিরছে না? কেনই বা বন্ধ হচ্ছে না মৃত শেয়ার বাজারে কোটি মানুষের কান্না? কি হচ্ছে দেশে? সাবেক গভর্নর বলেছেন, দেশের অনেকের সঙ্গে বিদেশের দুষ্ট চক্র টাকা পাচারে জড়িত! তারা কি আইনিভাবে বৈধ প্রক্রিয়ায় পাচার করেছেন? বিদেশে বিনিয়োগ হয়েছে? নাকি নিরাপত্তাহীনতায়? এরা কারা? শ্বেতপত্র প্রকাশ হয় না কেন? জনগণের কি এ সত্য জানার অধিকার নেই? মালয়েশিয়ায় অনেকের সেকেন্ড হোম কেন? কেন কানাডার একটি জায়গার নাম আজ বেগমগঞ্জ? কাদের বেগমরা পাড়ি দিয়েছেন সেখানে? কাদের সাহেবেরা সময় হলেই নিরাপদে চলে যাবেন? কারা আজ সিঙ্গাপুর, কানাডা, লন্ডন, যুক্তরাষ্ট্র ও দুবাইয়ে বাড়ি কিনেছেন? সম্পদ গড়েছেন? এর কি তদন্ত সম্ভব নয়? একটি প্রশ্নবিদ্ধ সংসদ থাকলেও, একটি প্রহসনের বিরোধী দল থাকলেও সেখানে কি আলোচনা হতে পারে না? কত হত্যাকাণ্ড ঘটে যায়, কত রাজদুর্নীতির খবর হয় তবু সংসদ পয়েন্ট অব অর্ডারে কথা বলে না।

ক’দিন আগে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, ব্যাংকিং খাতে সাগর চুরি হয়ে গেছে। সাগর চুরি একদিনে হয়নি। দিনে দিনে পুকুর চুরি হতে হতে সাগর চুরি ঘটেছে। সংসদেই প্রশ্ন ওঠেছে ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জোট ক্ষমতায় আসার পর এ পর্যন্ত ব্যাংকিং খাতে ১৫ হাজার কোটি টাকা লুট হয়েছে। সোনালী ব্যাংকের হলমার্ক কেলেঙ্কারিতে ৫ হাজার কোটি টাকা লুট হয়েছে। হলমার্কের এমডি তানভীর মাহমুদ জেল খাটলেও চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলাম জামিনে মুক্ত হয়ে ব্যবসা করছেন। বেসিক ব্যাংকের সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা লুট হয়ে গেছে। অর্থমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে এর আগে বলেছিলেন, নিজেদের লোকদের বাঁধার কারণেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি। এই ব্যাংকের বিতর্কিত চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল হাই বাচ্চু এখনো ধরা-চোঁয়ার বাইরে। ডেসটিনি গ্রুপের চেয়ারম্যান রফিকুল আমিন জেলের নামে হাসপাতালেই কাটাচ্ছেন। বিসমিল্লাহ গ্রুপসহ অনেকেই রয়েছেন লুটের তালিকায়। জনতা অগ্রণীসহ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের বাইরে প্রাইভেট ব্যাংক যমুনাসহ অনেকগুলোতে হরিলুট করে ব্যাংকিং খাতকে তছনছ করে দিয়েছেন। কিছু কিছু মামলা কিছু কিছু গ্রেফতারের ঘটনা ঘটলেও দোষীদের বিরুদ্ধে এখনো সাজা হয়নি।

৯৬ সালের পর ২০১০ সালে বড় ধরনের শেয়ার কেলেঙ্কারিতে ৩২ লাখ বিনিয়োগকারীকে রিক্ত নিঃস্ব করে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা লুটপাট হয়েছে। শেয়ার বাজারে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে সরকার চেয়ারম্যান পদে অধ্যাপক খায়রুল হোসেনকে বসালে দায়িত্ব নিয়ে বলেছিলেন তিন মাসের মধ্যে শেয়ার বাজারে স্থিতিশীলতা নিয়ে আসবেন। পাঁচ বছর পার হয়ে গেছে তার দায়িত্ব গ্রহণের। শেয়ার বাজারের দরপতন অব্যাহত রয়েছে। তার হাত ধরে বাজারে বাজে শেয়ার এসেছে, দরপতন অব্যাহত রয়েছে।

শেয়ার কেলেঙ্কারির পর গণমাধ্যমে বিতর্ক ও জনমনে অসন্তোষ দেখা দিলে সরকার ইব্রাহীম খালেদের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিলেন। ইব্রাহীম খালেদের তদন্ত কমিটি রিপোর্ট দিয়েছিল, কারণই চিহ্নিত করেনি সমাধানও দিয়েছিল। শেয়ার কেলেঙ্কারির নায়কদের মুখটা টেনে এনেছিল। সংসদে দাঁড়িয়ে অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, শেয়ার কেলেঙ্কারির নায়কদের হাত অনেক লম্বা, তাই ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি। একের পর এক আর্থিক খাতের কেলেঙ্কারিতে অসহায় অর্থমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি নিছক একজন ব্যক্তি বা মন্ত্রীর অসহায়ত্বকেই তুলে ধরেনি, সরকারের ব্যর্থতাকেই জনগণের সামনে উন্মোচিত করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের ৮০০ কোটি টাকা চুরি হওয়ার ঘটনায় একজন গভর্নর আতিউরের অশ্রুসিক্ত পদত্যাগেই জনগণকে স্বস্তি পেতে হয়েছে। আইনের আওতায় বিচারের কাঠগড়ায় পৃথিবীর দেশে দেশে আর্থিক খাতে কেলেঙ্কারির জন্য জড়িতদের বিচার হলেও আজকের বাংলাদেশে হয় না।

২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে শেয়ার কেলেঙ্কারির দায়ে ৭১ বছর বয়সী এক ব্যক্তির ১৫০ বছরের জেল হয়েছে। অথচ আমাদের দেশে শেয়ার কেলেঙ্কারির নায়কদের, ব্যাংক লুটেরাদের নাম সকল মহলে উচ্চারিত হলেও তাদের বিচার কল্পনা করা যায় না । এতে আর্থিক খাতে মানুষের আস্থার জায়গা শেষ তলানিতে নেমে এসেছে।

এক সময় ব্যাংক খাতে রাজনৈতিক নিয়োগ হত না। সাবেক অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান রাজনৈতিক নিয়োগের ঘোরবিরোধী ছিলেন। ৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে অর্থমন্ত্রী শাহ এম এস কিবরিয়া ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদে রাজনৈতিক নিয়োগদান করলেও যোগ্যতার মানদণ্ডটি বজায় রেখেছিলেন, তাই তাদের নিয়ে বিতর্ক, প্রশ্ন বা কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটেনি। ২০০১ সালে বিএনপি জোট ক্ষমতায় এলে অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান কিছুটা আপোষ করলেও লাগাম ছেড়ে দেননি। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদে সাবেক ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ রাজপথের কর্মীদের হাতে ব্যাংক পরিচালনার পর্ষদ তুলে দেন। এতে করে ব্যাংকিং খাতে বড় ধরনে কেলেঙ্কারি ঘটে গেলেও পরিচালনা পর্ষদের কাউকে আইনের আওতায় আনা হয়নি।

ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সংস্কার কমিশন গঠনের দাবি উঠলেও সরকার আমলে নিচ্ছে না। প্রশ্ন উঠছে সংস্কার কমিশন গঠিত হলে আর্থিক খাতের দুর্নীতির সকল রহস্য উন্মোচিত হয়ে যাবে। এই ভয়ে কি রাজি হচ্ছে না? অর্থমন্ত্রণালয়, পরিকল্পনামন্ত্রণালয়, অর্থবিভাগ ও ব্যাংকিং বিভাগ, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থা কার্যত সমন্বয়হীনতার মধ্যে অগ্রসর হচ্ছে। এই সমন্বয়হীনতায় অন্ধকারে পতিত হয়েছে লক্ষ লক্ষ বিনিয়োগকারী। ধুঁকছে ব্রোকারেজ হাউজগুলো। দুর্নীতিগ্রস্থ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা আর লুটেরা সিন্ডিকেট খেয়ে পড়ে আয়েশের ভাত ঘুম দিচ্ছেন। সততা, দক্ষতা ও আন্তরিকতার পথে এই প্রতিষ্ঠানগুলো একযোগে কাজ করতে না পারলে পুঁজিবাজার স্থিতিশীল বা চাঙ্গা হওয়া দূরে থাক, কবরের নিস্তব্ধতা নেমে আসার সম্ভাবনা প্রবল।

পুঁজিবাজার থেকে ব্রোকার হাউজ সর্বত্র শেয়ার কেলেঙ্কারির নায়কদের এখনো দাপট বহাল। গত পাঁচ বছরে পাঁচ থেকে আট’শ ব্রোকারেজ হাউজের শাখা অফিস বন্ধ হয়েছে। নতুন করে প্রধান অফিসগুলো বন্ধের উপক্রম হয়েছে। প্রায় ২ লাখ কর্মকর্তা কর্মচারীর রুটি রুজির ব্যবস্থা রয়েছে এই বাজার ঘিরে। বাজার চাঙ্গা না হলে, পুঁজিবাজার যেমন দেশের অর্থনীতির গতিপথে সহায়ক না হয়ে বোঝাই হয়ে থাকবে, তেমনি এদেরে চাকরির জায়গাটি হয়ে যাবে নড়বড়ে। অন্যদিকে সৃষ্টি হবে না নতুন কর্ম সংস্থানের। শেয়ার লুটেরাদের দাপটের কাছে ব্রোকারেজ হাউজ মালিকরাও সমীহ করে চলেন। মিউ মিউ করে কথা বলেন। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যর্থতার অভিযোগ দিন দিন বাড়ছে। ভারতে যেখানে খারাপ শেয়ার ছাড়ার জন্য ১৭৫টি কোম্পানিকে শেয়ার বাজারে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, সেখানে গত ৫বছরে আমাদের নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ৭০-৮০টি কোম্পানির শেয়ার ছাড়ার অনুমতি দিয়েছেন। যার বেশির ভাগই মন্দা কোম্পানি। ব্যক্তিগত লাভের হিসাবে বিএসইসি’র চেয়ারম্যান কোম্পানি ছেড়েছেন এমন অভিযোগ সর্বত্র। এ সব খারাপ কোম্পানির প্রতিবেদন গণমাধ্যমেও প্রকাশ হয়েছে। মানুষ এখন পুঁজিবাজার নিয়ে ৩টি বিষয় নিশ্চিত হতে চায়। (১) পুঁজিবাজার কি আবার চাঙ্গা হবে? হলে তা কিভাবে? (২) বাজার চাঙ্গা করতে সরকার কি আদৌ কার্যকর পদক্ষেপ নেবে? শেয়ার লুটেরাদের শাস্তির আওতায় এনে মানুষের আস্থা ফেরাবে? (৩) বাজার চাঙ্গা হলে লাভ-লোকসান থাকবে। কিন্তু লুট হবে না তার গ্যারান্টি কোথায়?

স্থিতিশীল পুঁজিবাজার গড়তে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ, মার্চেন্ট ব্যাংক এবং ব্রোকারেজ হাউজগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে চায়, পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলোর অতিরিক্ত বিনিয়োগে সমন্বয়ের সময়সীমা আরো চার বছর বাড়াতে। অর্থমন্ত্রণালয় থেকেও দুই বছর বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক সেই নির্দেশনানুসারে কাজ করছেনা। সরকার ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে বাজারে ধ্বস কিংবা দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি থেকে কাটিয়ে উঠতে ‘বেল আউট ফান্ড’ গঠন করার দাবি জানিয়েছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কাছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ চায়, ননপারফরমিং আইপিওর ক্ষেত্রে বাইবেক পলিসি প্রণয়ন। প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের মাধ্যমে আসা বেশির ভাগ কোম্পানির গুনগত মান খুবই খারাপ। যে সব মার্চেন্ট ব্যাংক বাজারে খারাপ ইস্যু এনেছে তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনতে। ডে নিটিং অর্থাৎ দিনের লেনদেন দিনেই নিষ্পত্তি করা। বহুজাতিক কোম্পানি এবং ভাল মৌলভিত্তিক কোম্পানিকে বাজারে নিয়ে আসার বিষয়ে জোরদার ভূমিকা রাখার অনুরোধ জানিয়েছে। কিন্তু কমিশনের ভূমিকা হতাশাজনক ও প্রশ্নবিদ্ধ।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত একজন সৎ, দেশপ্রেমিক, মেধাবী ও সৃজনশীল অর্থমন্ত্রী হলেও দেশের আর্থিক খাতের বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে কিছু প্রশ্ন তার কাছে থেকেই যায়। জীবনের পড়ন্ত বেলায় মাননীয় অর্থমন্ত্রী বার বার সংসদের ভেতরে বাইরে দেশের ব্যাংকিং খাত ও পুঁজিবাজারের লুটপাট নিয়ে যে অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছেন মানুষের কাছে তা গ্রহণযোগ্য হয়নি। তার অসহায়ত্ব প্রকাশের ভেতর দিয়ে তিনি হয়তো জাতিকে ইঙ্গিতবহ বার্তা দিয়েছেন। কিন্তু এই বার্তায় মানুষের মনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেনি। নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। হতাশার সৃষ্টি করেছে। অর্থমন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ পুঁজিবাজার ঘিরে যে সমন্বয়হীনতার সৃষ্টি হয়েছে তা আদৌ দ্রুত কাটিয়ে ওঠা সম্ভব কিনা, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

অর্থমন্ত্রী বা সরকারের কাছে মানুষ অসহায়ত্বের দহন দেখতে চায় না। কার্যকর সাহসী পদক্ষেপের মাধ্যমে আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে মানুষের আস্থা অর্জনের পথটিই দেখতে চায়। মানুষ চায় শেয়ার ও ব্যাংক কেলেঙ্কারির নায়কদের হাত রাষ্ট্রের চেয়ে কখনই বড় নয় সরকার প্রমাণ করুক। এই ক্ষেত্রে ব্যাংক সংস্কার কমিশন গঠনসহ ব্যাংকিং খাত ও পুঁজিবাজারের সমস্যা চিহ্নিত করে তার সমাধান করা। তার আগে অর্থমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন থেকেই যায়। শেয়ার ও ব্যাংক কেলেঙ্কারির নায়কদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত না করে পুঁজিবাজার ও ব্যাংকিং খাতে মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস ফিরিয়ে আনা কি আদৌ সম্ভব? অনিয়ম দুর্নীতির অবসানের সুযোগ কি রয়েছে? অপরাধীদের আর্থিক খাতে দাপটের সঙ্গে চলার সুযোগ দিয়ে কখনই সেখানে ইতিবাচক ফলাফল আশা করা যায় না। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর পাশাপাশি প্রাইভেট ব্যাংকগুলোকেও কার্যকর মনিটরিংয়ে নিয়ে আসার সময় এখন। মাননীয় অর্থমন্ত্রীকে উপলব্দি করতে হবে তার অসহায়ত্ব সরকারের ব্যর্থতাই উন্মোচন করে।

লেখক, প্রধান সম্পাদক: পূর্বপশ্চিমবিডি.কম

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: