সর্বশেষ আপডেট : ৩৩ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

‘টাকা নয় আমি ইজ্জত হারানোর ন্যায় বিচার চাই’

hawa_begam-1_10522 copyতাহিরপুর প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ধর্ষিত ও নির্যাতিত ১২ বছরের শিশু কন্যার ইজ্জত বিক্রির অভিযোগ উঠেছে দুলা ভাইয়ের বিরুদ্ধে। অসহায় ধর্ষিতা ও নির্যাতিত শিশু কন্যা তার ইজ্জতের বিচারের দাবীতে থানায় মামলা করতে চাইলেও তার বোন জামাই জুয়েল মিয়া প্রভাবশালী ধর্ষক রফিক মিয়ার সাথে হাত মিলিয়ে তাকে বাঁধা দেয়। এবং অর্থের লোভে অসহায় শিশুকন্যা ইজ্জত বিক্রি করে দেয়। কিন্তু ধর্ষিত ও নির্যাতিত শিশু কন্যা ইজ্জত বিক্রির সেই টাকা নেয়নি, চেয়ারম্যানের কাছে জমা রয়েছে। এত কিছুর পরও প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করছে। এ ব্যাপারে ধর্ষিত ও নির্যাতিত শিশুকন্যা বলেন, আমি অসহায় বলে আইনের বিচার পেলাম না,টাকা নয় আমি ইজ্জত হারানোর ন্যায় বিচার চাই।

এ ব্যাপারে স্থানীয়রা জানায়,উত্তর বড়দল ইউনিয়নের মাহারাম গ্রামের ইউনুছ মিয়ার ছেলে লম্পট রফিক মিয়া(৩৮) বাদাঘাট বাজারে কাপড়পট্টিতে অবস্থিত তার নিজ বাসায় কাজ করার কথা বলে পিতৃহীন সুন্দরী শিশু কন্যাকে নিয়ে জোরপূর্বক শারীরিক মেলামেশা করে। লম্পট রফিক মিয়ার প্রস্তাবে রাজি না হলেই তাকে করতো অমানুসিক নির্যাতন। আর এই ঘটনার প্রেক্ষিতে অসহায় শিশু কন্যা গত রোববার থানায় মামলা করতে গেলে বাঁধা দেয় প্রভাবশালী ধর্ষক ও নির্যানকারী রফিক মিয়া। এবং স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যানসহ এলাকাবাসীকে নিয়ে সালিশ বসায়। কয়েক দফা সালিশ-বৈঠকে প্রথমে ৯০হাজার টাকা পরবর্তীতে ১লক্ষ ৩০হাজার টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করে ধর্ষিতার ইজ্জতের মূল্য। কিন্তু টাকার বিনিময়ে এই ঘটনাটি সমাধান দিতে ধর্ষিতা রাজি না হলেও তারই বোন জামাই জুয়েল মিয়া ধর্ষক রফিক মিয়ার হাত মিলায়। এবং ধর্ষিতা শিশুকন্যাকে হত্যা করার হুমকি দিয়ে টাকার বিনিময়ে দুলাভাই জুয়েল মিয়া তার ইজ্জত বিক্রি করে দেয় ধর্ষক রফিক মিয়ার কাছে।

ধর্ষিত ও নির্যাতিতের বোন জামাই জুয়েল মিয়া বলেন, ১লক্ষ ৩০হাজার টাকার বিনিময়ে চেয়ারম্যান সাহেব রাজি হয়ে বিচার সালিশে মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করে দিয়েছেন,তাই আমি মেনে নিয়েছি।

এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে উত্তর বড়দল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবুল কাসেম বলেন, ধর্ষিতার বাড়িতে বসে দুই-তিন দফা সালিশ শেষে গতকাল মঙ্গলবার রাতে ১লক্ষ ৩০হাজার টাকার বিনিময়ে ধর্ষিতা বড়বোন জামাই জুয়েল মিয়া মেনে নেওয়ায় বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে।

ধর্ষনকারী রফিক মিয়ার স্ত্রী মুক্তার বেগম বলেন, আমরা যত খারাপ কাজ করি না কেন, কেউ আমাদেরকে কিছুই করতে পারবে না।

তাহিরপুর থানার ওসি মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে এব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: