সর্বশেষ আপডেট : ১৬ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের গাছ পাচারের হিরিক- চোর চক্র বেপরোয়া

9মাধবপুর প্রতিনিধি :: প্রকৃতির অপার সুন্দর্যের নীলা ভূমি সাত ছড়ি জাতীয় উদ্যান । এই বনে জীব জন্তু সহ রয়েছে দূর্বল সব উদ্ভিদ । দেশী বিদেশী ভ্রমন পিপাসু অসংখ্য পর্যটক বিনোদনের জন্য সাত ছড়ি জাতীয় উদ্যান এবং বৃহত্তম সিলেটের এক ঝাক চায়ের দেশ

হবিগঞ্জের চির চেনা প্রকৃতির এক অন্য রকম সবুজ চা বাগান ও প্রাকৃতিক নিদর্শন উপভোগ করতে ভ্রমনে আসছে অসংখ্য পর্যটক। বন বিভাগ টিকে প্রায় এক যুগ আগে প্রাকৃতিক এ বন ভুমিকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষনা করেন বাংলাদেশ সরকারের বন মন্ত্রনালয়। গত কয়েক বছর ধরে শীত ও ঈদ মৌসুমে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে দর্শনার্থীদের আগমন ভাটা পড়ে।

কিন্তু কয়েক বছর ধরে জাতীয় উদ্যানে পর্যটকদের ঢল নামবে তো দূরের কথা চিনতাই কারী ও স্থানীয় গাছ চোরদের ভয়ে পর্যটন সংখ্যা একে বারেই নঘন্য। এবারের ঈদে শুরু থেকে পর্যটক সংখ্যা যেমনটাই ভাল ছিল ৩য় দিনের পর থেকে একে বারেই পর্যটক শূণ্য জাতীয় উদ্যান। তবে চা বাগানের এক শ্রেণী চকিদারের অব্যাহত ছিনতাইয়ের ফলে পর্যটকরা শংঙ্খায় পড়েছে।

এছাড়া জাতীয় উদ্যান এলাকার চা বাগানের চৌকিদাররা বহু তরুনীর ইজ্জত ও স্বর্ণঅলংকার লোট করে নেওয়ার ঘটনা ঘটছে নিত্যদিন। লোক লজ্জায় ভয়ে অনেকেই এসব ঘটনা চেপে গেছে। সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানটি মাধবপুর-চুনারুঘাট দুই থানার মধ্যবর্তী স্থানের উপস্থিত বিধায় অনেক সময় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা লোক জন এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারছে না ।

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য পর্যটক পুলিশ থাকলেও তারা যেন ডাল,তলোয়ার বিহিন। মাঝে মধ্যে কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে চোখে পড়লেও তাদের কার্যক্রম তেমন চোখে পড়ে না। এ কারণে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান এলাকায় পেশাদারী ছিনতাইকারী চক্র সক্রিয় রয়েছে। চা বাগানের চৌকিদারী করা এটা নামে মাত্র। এ পেশার আড়ালে ওরা চুরি ছিনতাই ,ডাকাতিরমত ভয়ংকর কাজ করে থাকে রাতের বেলায়। এদিকে বন খেকুদের কবলে পড়ে ধ্বংস হচ্ছে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানসহ চা বাগান।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বন প্রহরী থেকে শুুরু করে বন কর্মকর্তা- কর্মচারী’রা বন উজারে জরিত রয়েছে। সন্ধার পর স্থানীয় গাছ চোর সিন্ডিকেট সদস্য’রা বন বিভাগের আসে-পাশে বন প্রহরীদের নিয়ে সুযোগ বুঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে সাবাড় করছে। তা থেকে পুলিশ ও মাসুয়ারা পেয়ে তাকে। স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, সন্ধার পর প্রতিদিন তেলিয়াপাড়া বাজারে গাছ চোরদের সাথে পুলিশের আড্ডা ল করার মতো । যারা বনের গাছ পাচারে জরিত তারাই এখন পুলিশের ডান হাত।

অনুসন্ধানে জানা যায়, মতাশীনদের নাম ভাঙ্গিয়ে চোর-চক্রের গডফাদাররা বেসামালে পরিনত হয়েছে । একদিকে যেমন বনের গাছ কেটে সাবাড় করছে, অন্যদিকে মতার আড়ালে নতুন নেতাদের নামে মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকান্ড করে সহজেই পার পেয়ে যাচ্ছে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: