সর্বশেষ আপডেট : ১২ মিনিট ৬ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বেওয়ারিশ হিসেবে অাঞ্জুমানে যাচ্ছে নিহত জঙ্গিদের লাশ

full_208680821_1468225876নিউজ ডেস্ক : গুলশানের অভিজাত রেস্টুরেন্ট হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার পর সেনা অভিযানে নিহত পাঁচ জঙ্গিকে সমাহিত করা হয়নি নয় দিনেও। কারণ, তাদের পরিবার মরদেহ নিতে আসেনি এখনও।

দুজনের পরিবার জানিয়েছে, তাদের মরদেহ নিজেরা দাফন করতে চান। তবে আর্থিক দৈন্যতার কারণে ঢাকা থেকে মরদেহ নিতে পারছেন না তারা। বাকিদের পরিবার সন্তানদের এহেন কাণ্ডে এতটাই অসন্তুষ্ট যে, মরদেহও নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না।

১ জুলাই হলি আর্টিজানে হামলার পরদিন সকালে রেস্টুরেন্টটি জঙ্গিমুক্ত করতে অভিযান চালায় সেনাবাহিনী। অভিযানের আগেই সেখানে ১৭ বিদেশিসহ মোট ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। আর কমান্ডো অভিযান থান্ডারবোল্টে নিহত হয় পাঁচ জঙ্গি।

অভিযানের পর পর সবার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে। এরই মধ্যে জঙ্গিদের হাতে নিহতদের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে স্বজনদের কাছে। তবে পাঁচ জঙ্গির মরদেহ রয়ে গেছে মর্গের ফ্রিজে।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আরও কিছু দিন স্বজনদের জন্য অপেক্ষা করবেন তারা। কিন্তু কেউ আগ্রহী না হলে মরদেহগুলো অনন্তকাল মর্গে রাখা সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে সমাহিত করতে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হতে পারে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ওয়াজির উদ্দিন আহমেদ বলেন, এ বিষয়ে আমি তেমন কিছু জানি না। তবে সরকার অবশ্যই একটি সিদ্ধান্ত দেবে।

সিএমএইচের কর্মকর্তারা বলেন, নিহত পাঁচ জঙ্গির পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ মরদেহ নিতে আসেনি।

তবে বগুড়ার খায়রুল ইসলাম ও শফিকুল ইসলাম উজ্জ্বলের পরিবার জানান, ঢাকা থেকে মরদেহ এলাকায় নিয়ে যাওয়ার মত আর্থিক সঙ্গতি নেই তাদের। এ কারণেই তারা ঢাকায় যোগাযোগ করেননি।

খায়রুল ইসলামের বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, যত কিছুই হোক না কেন, আমার ছেলেই তো। লাশ দেওয়া হলে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করতাম। তিনি বলেন, কেন কীভাবে ছেলে জঙ্গি হলো তা আমাদের জানা নেই।

শফিকুল ইসলামের বাবা বদিউজ্জামান বলেন, টাকার অভাবে ঢাকায় যেতে পারছি না। তবে ছেলের লাশ ফিরে পেতে চাই।

গুলশানে কমান্ডো অভিযানে নিহত অন্য তিন জঙ্গি রোহান ইমতিয়াজ, নিবরাস আহমেদ ও মীর সামীহ মোবাশ্বেরের পরিবারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তারা কেউ কথা বলেননি। রোহানের বাবা ফোন কেটে দিয়েছেন আর অন্য দুইজনের বাবা ফোন বন্ধ করে রেখেছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, কেউ মরদেহ নিতে চাইলে তাদের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে হবে। ঘটনাস্থল গুলশানে হওয়ায় গুলশান থানায় যোগাযোগের পরামর্শ দিয়েছেন একজন পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি বলেন, মরদেহ নিতে হলে যেসব প্রক্রিয়া আছে, তা করে দেবে পুলিশই।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: