সর্বশেষ আপডেট : ৩ মিনিট ২৭ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

তুরস্কে জঙ্গি শিবিরে প্রশিক্ষণ নেয় নিবরাসরা

1468169610-1-550x367নিউজ ডেস্ক : হলি আর্টিজানে হামলাকারি নিবরাসসহ বাকি জঙ্গিরা তুরস্কের একটি স্থানীয় জঙ্গি শিবিরে প্রশিক্ষণ নেয়। তাদের টার্গেট ছিল তুরস্ক থেকে সিরিয়া পৌঁছানো। কিন্তু তা সম্ভব না হওয়ায় শেষ মেষ দেশেই ফিরে আসেন ৭ বাংলাদেশি জঙ্গি। দেশে ফিরেই পুলিশের সন্দেহে পড়ে আটকও হন এদের মধ্যে ৩ জন। পরে কারাগার থেকে জামিণে মুক্ত হন ঐ তিন জঙ্গি। এদের ভিসা অনুসন্ধান করে জানা যায়, ভ্রমণ ভিসায় তারা তুরস্ক গিয়েছিলেন। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, এরাই যে গুলশান হামলায় জড়িত ছিল তার সত্যতা এখনো মেলেনি। তবে গোয়েন্দারা নিবরাসের পরিচয় নিশ্চিত করেছে। রোহান ইবনে ইমতিয়াজও ওই গ্রুপে ছিল বলে গোয়েন্দারা জানিয়েছেন। তারা বলছেন,আরো হামলার আশঙ্কা রয়েছে।

গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, তুরস্ক ফেরত যুবকদের কয়েকজন এখনও পলাতক। এছাড়া মালয়েশিয়া থেকে কয়েকজন ছাত্র দেশে ফিরে এসেছেন। তাদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক জঙ্গিদের যোগাযোগ রয়েছে। এই পলাতক জঙ্গিদের খোঁজার চেষ্টা চলছে। আবার বিমানবন্দরে ধরা পড়ার পর কিভাবে জঙ্গিরা জামিনে ছাড়া পেল, আদালতে তাদের নেটওয়ার্ক খুঁজছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তা।

এদিকে, নিবরাসদের প্রথম টার্গেট ছিল দেশের পাঁচ তারা হোটেলগুলো। কিন্তু ঐসব হোটেলের নিরাপত্তা বেষ্টনিতে ধূলো মেখে তাদের কর্যসিদ্ধি কতটা সম্ভব হতো সেদিকে খেয়াল রেখে এবং বিদেশিদের সংখ্যা ঐসব হোটেলে ঠিক বেশি হবে কী না সেদিকেও খেয়াল রেখে এক পর্যায়ে তারা পাঁচ তারা হোটেলে হামলার বিষয়টি স্থগিত করেন। পরে গুলশানের হলি আর্টিজানে বিদেশিদের আগমণ বেশি, এমন তথ্যে নিশ্চিত হয়ে তারা এটাকেই হামলার জন্যে নির্বাচিত করেন।

গুলশানের ঘটনার তদন্ত তদারকি করছে এমন একটি গোয়েন্দা সংস্থার একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, হলি আর্টিজান বেকারির ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার পুরনো ফুটেজ থেকে দেখা যায়, হামলার আগে অন্তত দুই বার তিন জন করে ওই বেকারিতে গিয়েছিল। সর্বশেষ দুই দিন আগে হামলাকারী তিন যুবক আর্টিজানে যান। বেকারির বাবুর্চির সহকারী শাওনের সঙ্গে তাদের কথা বলার দৃশ্য সিসিটিভিতে রয়েছে। যে কারণে শুরু থেকেই শাওনকে সন্দেহে রেখেছিলেন গোয়েন্দারা। পরে অবশ্য চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাওন মারা গেছেন। হামলাকারীদের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হলেও শেষ পর্যন্ত দেখা যায় পাঁচজন হামলাকারীই বেকারিতে ঢুকেছিল। যাদের সবাই কমান্ডো অভিযানে গুলিতে মারা গেছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হামলার দুই মাস আগে বনানীতে একজন প্রভাবশালী ব্যক্তির বাড়ির একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নেয় তরুণরা। সেখান থেকেই তারা হামলার ছক কষে।- আমাদের সময়.কম

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: