সর্বশেষ আপডেট : ২১ মিনিট ২ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

পুলিশের কাছে নেই হাসনাত!

Hasanat-02-550x344নিউজ ডেস্ক : গুলশানের হলি আর্টিজানে কমান্ডো অভিযানের পর যাদের উদ্ধার করা হয়েছিল তাদের মধ্যে পুলিশের সন্দেহে থাকা দুজনের খোঁজ মিলছে না।

এরা হলেন- নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক আবুল হাসনাত রেজাউল করিম ও তাহমিদ হাসিব খান (২২)।

হামলার আট দিন পরেও তারা বাসায় ফেরেনি বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। এ ঘটনায় যে মামলা হয়েছে তাতে উদ্ধারদের তালিকায় নাম থাকলেও আসামিদের মধ্যে ওই দুজনের নাম নেই।

হাসনাত ও তাহমিদ কোথায় জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান শনিবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “যাদের উদ্ধার করা হয়েছিল তাদের প্রত্যেককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কেউ এখন পুলিশের কাছে নেই।”

গুলশানের ওই ক্যাফেতে ১ জুলাইয়ের জিম্মি দশার একটি ভিডিওচিত্র প্রকাশের পর নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হাসনাতের বিরুদ্ধে হামলায় সম্পৃক্ততার সন্দেহের কথা উঠে আসে ফেইসবুকে।

অভিযান শুরুর আগের এক ভিডিওতে ক্যাফের দরজায় দেখা যায় হাসানাত রেজা করিমকে।  অভিযান শুরুর আগের এক ভিডিওতে ক্যাফে থেকে হাসানাত রেজা করিমকে সপরিবারে বেরিয়ে আসতে দেখা যাচ্ছে।  নিষিদ্ধ সংগঠন হিজবুত তাহরিরের সঙ্গে যোগাযোগের কারণে হাসনাতকে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় অব্যাহতি দিয়েছিল বলে গণমাধ্যমের খবর। ক্যাফেতে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে যে পাঁচ হামলাকারী নিহত হন, তাদের মধ্যে নিবরাজ ইসলামও ঢাকার এই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র।

অন্যদিকে ব্যবসায়ী শাহরিয়ার খানের ছেলে তাহমিদ কানাডার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন। একদিন আগে দেশে ফিরে হামলার দিন ইফতারের পর বন্ধুদের সঙ্গে তিনি ওই ক্যাফেতে গিয়েছিলেন বলে পরিবারের ভাষ্য।

এই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় জীবিত অবস্থায় যে ৩২ জনকে উদ্ধারের কথা বলা হয়েছে, সে তালিকায় হাসনাত ও তাহমিদের নাম রয়েছে।

ঘটনার কয়েকদিন পর ঢাকার পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া এই দুজনের বিরুদ্ধে হামলায় সম্পৃক্ততার সন্দেহের কথা জানিয়েছিলেন।

গত মঙ্গলবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, সন্দেহের তালিকায় থাকা উদ্ধার হওয়া জিম্মি হাসনাত রেজাউল করিম ও তাহমিদ হাসিব খান তাদের হেফাজতেই আছেন।

পুলিশ এখন দুজনকে তাদের জিম্মায় রাখার কথা অস্বীকার করলেও দুজনের বাবা বলছেন, তাদের ছেলেরা গোয়েন্দা পুলিশের কাছেই আছে।

হাসনাতের বাবা এম রেজাউল করিম শনিবার বলেন, “ডিবি ওকে নিয়ে যাবার সময় বলেছিল বাসায় পৌঁছে দেবে। কিন্তু এখন তো ওর সঙ্গে দেখাও করতে পারছি না।”

ছেলে কোনো দোষ করেনি দাবি করে তিনি বলেন, হাসনাত অসুস্থ। দুই দফায় তার হার্টের অপারেশন হয়েছে। নিয়মিত তাকে ওষুধ খেতে হয়।

“এই কয়দিন হাসনাত হার্টের ওষুধ খেতে পারছে কি না জানি না।”

কানাডার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তাহমিদ হাসিব খান হামলার আগের দিন দেশে ফেরেন। কানাডার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তাহমিদ হাসিব খান হামলার আগের দিন দেশে ফেরেন। তাকে ওষুধ দেওয়ার সুযোগ দিতে পুলিশের মহাপরিদর্শক এবং ঢাকার পুলিশ কমিশনারের কাছে আবেদন করবেন বলে জানান তিনি।

হাসনাতকে ফিরে পেতে আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলেছেন জানিয়ে রেজাউল করিম বলেন, তার বিরুদ্ধে মামলা না হলে করার কিছু নেই বলে তারা জানিয়েছেন।

এদিকে তাহমিদের বাবা আবু লূৎফে ফজলে রহিম খান ওরফে শাহরিয়ার খান দুপুরে বলেন, তাহমিদ ডিবির কাছে আছে বলে তার বিশ্বাস।

“দেশের প্রয়োজনে তাকে আরও রাখার প্রয়োজন থাকলে রাখুক, কোনো আপত্তি নেই। তবে তাকে মানসিক চিকিৎসক দেখানো খুবই জরুরি।”

জঙ্গি নির্মূলে সবার এগিয়ে আসা উচিত মন্তব্য করে এ বিষয়ে সহযোগিতারও প্রতিশ্র“তি দিয়েছেন তিনি। – বিডি নিউজ, আমাদের সময়.কম

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: