সর্বশেষ আপডেট : ২ মিনিট ৮ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বারমুডায় হারিয়ে যাওয়ার ৯০ বছর পর ফিরছে জাহাজ!

wwwww19-10-300x200আন্তর্জাতিক ডেস্ক ::
বারমুডা ট্রাইঅ্যাঙ্গলে হারিয়ে যাওয়ার ৯০ বছর পর এসএস কোটোপ্যাক্সি নামে একটি জাহাজ ফিরছে! এ নিয়ে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। কী হয় বারমুডা ট্রাইঅ্যাঙ্গলে? এর রহস্য কী শেষ হবে? জানা যাবে কোনো তথ্য? কেউ বলার মতো বেঁচে নেই। শুধু একটি জাহাজ ফিরছে, একেবারে একা একা!

প্রায় নয় দশক আগে ১৯২৫ সালের ডিসেম্বরে ‘এসএস কোটোপ্যাক্সি’ জাহাজটি হারিয়ে যায়। মনে করা হয়েছিল, বারমুডা ট্রাইঅ্যাঙ্গলে জাহাজটি হারিয়েছে।

দুই দিন আগে কিউবার কোস্টগার্ড ঘোষণা দিয়েছে, তাদের রাডারে একটি জাহাজ ধরা পড়েছে। সেটি ক্রমশ স্রোতে ভেসে কিউবার দিকেই আসছে। একই সঙ্গে জানানো হয়, জাহাজটিতে কোনো মানুষ নেই। জাহাজটির নাম? ‘‘এসএস কোটোপ্যাক্সি’’!

গত ১৬ মে হাভানার পশ্চিমে প্রথমবারের মতো জাহাজটি নজরে আসে কিউবার কোস্ট গার্ডের। জাহাজের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়। এর পরে আরো কাছাকাছি এলে জাহাজটির কাছে যান কিউবার কোস্ট গার্ডের সদস্যরা। জাহাজে তারা কোনো মানুষের খোঁজ পাননি। শুধু তা-ই নয়, জাহাজটির নাম দেখে চমকে ওঠেন তারা। জাহাজটি থেকে ক্যাপ্টেনের লগবুক পাওয়া গেছে। কিন্তু তাতে গত প্রায় ৯০ বছর ধরে জাহাজটি কোথায় ছিল, তার কোনো সন্ধান মেলেনি।

১৯২৫ সালের ২৯ নভেম্বর দক্ষিণ ক্যারোলিনার চার্লস্টন থেকে এসএস কোটোপ্যাক্সি হাভানার দিকে রওনা দিয়েছিল। ক্যাপ্টেন ডব্লিউ ডে মেয়ারের নেতৃত্বে ৩২ জন ক্রু ছিলেন তাতে। জাহাজে ছিল ২ হাজার ৩৪০ টন কয়লা। দুই দিন পরে জাহাজটি নিখোঁজ হয়ে যায়। তার পর থেকে এ জাহাজটির কোনো খবর পাওয়া যায়নি। কী পাওয়া যাবে সেই জাহাজের ভিতর থেকে? একরাশ রহস্য নিয়ে ফিরছে এসএস কোটোপ্যাক্সি।

বার্মুডা ট্রায়্যাঙ্গলকে ‘ডেভিল্‌স ট্রায়্যাঙ্গল’ও বলা হয়। এখানে চৌম্বকীয় উত্তর দিকের পরিবর্তে প্রকৃত উত্তর দিক নির্দেশিত হয়, যা জাহাজের নাবিকদের বিভ্রান্ত করে। পুয়ের্তো রিকো, মায়ামি এবং বারমুডা- তিনদিকে এই তিনটি জায়গাকে রেখে যদি সরলরেখা টানা হয় তাহলে সমুদ্রেপ উপরে যে ত্রিভূজ দাঁড়ায়, তাই বারমুডা ট্রাইঅ্যাঙ্গল হিসেবে কুখ্যাত। ওই এলাকায় বহু
জাহাজ এবং বিমান নিখোঁজ হয়ে গেছে।

নরওয়ের আর্কটিক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বলছেন, ওই এলাকায় সমুদ্রের তলায় তারা বড়মাপের বেশ কয়েকটি আগ্নেয়গিরির সন্ধান পেয়েছেন। সেই আগ্নয়েগিরি থেকে ক্রমাগত বেরিয়ে আসছে বিষাক্ত মিথেন গ্যাস। শুধু মিথেনই নয়, তার সঙ্গে বেরিয়ে আসছে আরো কয়েক ধরনের গ্যাস, যার অনেকগুলোই বিষাক্ত। ফলে ওই এলাকায়
সমুদ্রে কোনো জলজ প্রাণীও নেই বলে ধারণা গবেষকদের।

গবেষকদের দাবি, মিথেন সমুদ্রে তলদেশ থেকে উঠে এসে সমুদ্রের পানিকে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে তুলছে। মিথেনের চাদরে ঢেকে গেছে গোটা এলাকা। উচ্চতা অন্তত ১৫০ ফিট। ফলে কোনো নাবিক বা পাইলটের পক্ষে চারপাশ দেখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। এ কারণেই একের পরে এক দুর্ঘটনা ঘটেছে বারমুডা ট্রাইঅ্যাঙ্গলে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: