সর্বশেষ আপডেট : ২ ঘন্টা আগে
শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

আবির নিখোঁজের বিষয়টি জানে না স্বজনরা!

1467997697নিউজ ডেস্ক: কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় পুলিশের উপর হামলাকারীদের মধ্যে নিহত আবির রহমান চলতি বছরের ১ মার্চ থেকে নিখোঁজ ছিলেন। কিন্তু তার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি জানেন না তার আত্মীয়-স্বজনরা।

৭ জুলাই কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া পুলিশের উপর হামলার ঠিক আগের দিন আবির এর বাবা সিরাজুল ইসলাম ভাটারা থানায় ছেলে নিখোঁজের বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন। সে ডায়েরি অনুযায়ী চলতি বছরের ১ মার্চ আবির নিখোঁজ হয়।

আবির নিহত হওয়ার পর তার পরিচয় শনাক্ত হওয়ায় শুক্রবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যায় তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ভানী ইউনিয়নের ত্রিবিদ্যা গ্রামে গিয়ে খোঁজ নেওয়া হয়। দেখা যায় আবির এর দুই চাচা ও তাদের পরিবার বাড়িতে থাকলেও আবির তার পরিবারের সঙ্গে ঢাকায় বসবাস করতো।

ছোট ভাই সহিদুর রহমান ও তার জামাতা নাছির উদ্দিন এর সঙ্গে তাদের  যোগাযোগ থাকলেও আবির নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি কারো জানা নেই!

সন্ধ্যার কিছু পর তাদের বাড়ি গিয়ে দেখা যায়, সহিদুর রহমান এর ছেলে আহসানুর রহমান ও তার ভগ্নিপতি নাছির উদ্দিন মোবাইল ফোনে কথা বলায় ব্যস্ত। বিকেলে দেবিদ্বার থানা পুলিশ ওই বাড়িতে আসার বিষয়ে কারও সঙ্গে আলোচনা করছিলেন।

কথা হয় নিহত আবিরের চাচা সহিদুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মৃত ছমির উদ্দিন মাষ্টারের তিন ছেলের মধ্যে সিরাজুল ইসলাম সকলের বড়। সিরাজুল ইসলাম আরইবির ঠিকাদার। পেশাগত দায়িত্বের কারণে তিনি ঢাকা প্রায় ৩৫ বছর যাবৎ ঢাকায় অবস্থান করেন।

সিরাজুল ইসলাম এর চার ছেলের মধ্যে আবির রহমান সকলের ছোট। বড় ভাই আশিকুর রহমান ঢাকাতে একটি বেসরকারি কোম্পানীতে চাকুরী করে, দ্বিতীয় ছেলে আরিফুর রহমান ও তৃতীয় ছেলে আসিফুর রহমান অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী। আর চতুর্থ ছেলে আবির রাজধানীর বিআইটি থেকে এ লেভেল পাশ করার পর নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিতে অধ্যয়ণরত।

বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া সিরাজুল ইসলাম গ্রামের বাড়িতে তেমন আসা-যাওয়া করতেন না। মাঝে মধ্যে নিজের জায়গা বিক্রি করে টাকা নিয়ে যেতেন। তবে আবিরের নিখোঁজ হওয়ার ব্যাপারে আমাদের কখনও জানান নি।

সহিদুর রহমান এর একমাত্র মেয়ে ও তার জামাতা নাছির উদ্দিনও এসেছেন আবির এর মৃত্যুর খবর শুনে।

নাছির উদ্দিন জানান, তাদের পরিবারের সকলের তুলনায় আমার সঙ্গে তাদের বেশি যোগাযোগ হতো। কিন্তু আমিও নিখোঁজ হওয়া বা জঙ্গি তৎপরতার বিষয়টি কখনও শুনিনি।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পাশের বাড়ির এক কিশোর জানান, সিরাজুল ইসলাম এর  সন্তানরা সবাই ঢাকায় জন্মগ্রহণ করে এবং সেখানেই লেখাপড়া করে। বাড়িতে তাদের আসা-যাওয়া খুব কম ছিল।  প্রায় ৭-৮ মাস আগে আবির তার দুই বন্ধু নিয়ে বাড়িতে এসে একদিন অবস্থান করেছিল। তারপর আর দেখিনি।
ভানী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক আলী আশরাফ জানান, তাদের পরিবারে রাজনীতির কোন পদ-পদবী নেই। তবে সহিদুর রহমান ও তার পরিবার আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও সিরাজুল ইসলাম ও তাদের অপর ভাই অহিদুর রহমান খোকন বিএনপি রাজনীতিতে সক্রিয়।
এ ব্যাপারে আবির এর বাবা সিরাজুল ইসলাম এর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।-ইত্তেফাক

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: