সর্বশেষ আপডেট : ৩ মিনিট ৪৫ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়কে সিরিজ ডাকাতি অব্যাহত

30971ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়কে ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সিরিজ ডাকাতি অব্যাহত রয়েছে। প্রতি বছরের ন্যায় রমজান মাসে অন্ততঃ ১০রাতে পেশাদার ডাকাতরা রাস্তায় গাছ ফেলে গাড়ি আটকিয়ে যাত্রীদের সর্বস্ব লুঠে নিচ্ছে। এ সড়কে ডেঞ্জার জোন হিসেবে পরিচিত হাসনাবাদ গ্রাম থেকে তাজপুর পর্যন্ত সড়কে এসব ডাকাতির ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অব্যাহত ডাকাতির ঘটনা রোধ করতে ঝাওয়া ব্রিজের কাছে পুলিশ বক্স স্থাপন করা হলেও এ অপতৎপরতা বন্ধ হয়নি। ২জুলাই দিবাগত রাত ছিল পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর। এ রাতেও সংঘবদ্ধ সড়ক ডাকাতদের অপতৎপরতা থেমে থাকেনি। রাত ১২টার পর থেকে হাসনাবাদ গ্রামের দুদু মিয়ার পুত্র যুবলীগ নেতা ইসলাম উদ্দিনের নেতৃত্বে শুরু হয় সড়ক ডাকাতি। এসময় ইসলাম বাহিনী সড়কে গাছ ফেলে ডাকাতি শুরু করলে পুলিশ এসে তাকে আটক করে। কিন্তু তার সংঘবদ্ধ ডাকাত বাহিনীর আরো ১০/১২জন সদস্য পালিয়ে যেত সক্ষম হয়। এরাই গত ২৫জুন থেকে ৪জুলাই পর্যন্ত প্রতি রাতেই চালাচ্ছে অভিযান। পুলিশ ইসলাম ডাকাতের কাছ থেকে তার বাহিনীর অন্যান্য ডাকাতদের নামের তালিকা উদ্ধার করলেও করলেও এখনো কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। ফলে ঈদকে সামনে রেখে প্রতি রাতেই চলছে ইসলাম বাহিনীর অপতৎপরতা। ইসলাম ডাকাতের বিরুদ্ধে থানা ও আদালতে রয়েছে একাধিক মামলা। সে হাসনাবাদ গ্রামের মাওলানা আজাদ মিয়ার আপর ভাতিজা বলে জানা গেছে। দীর্ঘদিন থেকে সে একটি পেশাদার ডাকাত বাহিনীর নেতৃত্ব দিলেও এতাদিন ছিল লোক চক্ষুর আড়ালে। কিন্তু লাইলাকুল ক্বদরের রাতে হাসনাবাদ গ্রামের তার অন্যান্য সহযোগিদের নিয়ে ঝাওয়া ব্রিজের কাছে ডাকাতিকালে পুলিশের হাতে সে আটক হয়। তবে অন্যান্য আসামীরা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থাকায় এখনও প্রতি রাতে চলছে তাদের সড়ক ডাকাতি। এর আগে ডাকাতদের কাছে সর্বস্ব খুইয়েছেন কালারুকা ইউপির নজমপুর গ্রামের মরহুম কারী আব্দুল গনির পুত্র, খারগাঁও গ্রামের হাফেজ সাহেবসহ বিপুল সংখ্যক ব্যবসায়ীরা। পুলিশ জানায়, যাত্রীবাহী গাড়ি ভেবে ঝাওয়া এলাকায় সড়কে গাছ ফেলে গোবিন্দগঞ্জ থেকে আসা থানা পুলিশের পিকআপ ভ্যানে ডাকাতির চেষ্টা করে ১০/১২জনের মুখোশধারী ডাকাতদল। এ সময় গাড়ীতে পুলিশ দেখে ডাকাতরা পালিয়ে যাবার চেষ্টা করলে যুবলীগ নেতা ডাকাত ইসলাম উদ্দিনকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ। থানার এসআই চম্পক দাম জানান, আটককৃত ডাকাতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে তার সহযোগী অন্যান্য ডাকাতরা একই এলাকার বলে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। চলতি রমজান মাসে ঝাওয়া, কমর আলী স্কুল ও লালপুলের উত্তরে আরো ৪/৫টি ডাকাতির ঘটনায় এ ইসলাম উদ্দিন চক্রের সক্রিয় সদস্যরা জড়িত রয়েছে বলে পুলিশ জানায়। এতে দলীয় বলয়ে থাকায় এ ডাকাত চক্রের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র থাকতে পারে বলে পুলিশ ধারনা করছে। থানায় একটি ডাকাতি মামলা রুজু করা হয়েছে। তবে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জোর তৎপরতা চলছে। ##

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: