সর্বশেষ আপডেট : ৩ মিনিট ৪ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

‘ঈদের আগে মায়ের জন্য ভাইয়ের লাশ নিচ্ছি’

1467403328নিউজ ডেস্ক : ‘ঈদের আগে মায়ের জন্য ভাইয়ের লাশ নিচ্ছি’—এ কথা বলতে বলতে অঝোরে কাঁদছিলেন নিহত পুলিশ কর্মকর্তা রবিউল করিমের ভাই শামসুজ্জামান শামস।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গের সামনে দাঁড়িয়ে শামস বলছিলেন, ‘এটা ফেয়ার হলো না, ভাইয়া। ফেয়ার হলো না। ঈদের আগে আমি আমার মায়ের জন্য ভাইয়ের লাশ নিয়ে যাচ্ছি।’

গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহকারী কমিশনার রবিউল গতকাল শুক্রবার গুলশানের রেস্তোরাঁয় সশস্ত্র হামলাকারী সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হয়েছেন। তাঁর শরীরে বুলেট ও স্প্লিন্টার দুই-ই পাওয়া গেছে।

শামস জানালেন, তাঁরা দুই ভাই। রবিউল বড় ছিলেন। বাবা উন্নয়নকর্মী ছিলেন। নয় বছর আগে তাঁদের বাবা মারা গেছেন। বাবার দেখানো স্বপ্ন পূরণ করতে রবিউল মানিকগঞ্জের কাটিগ্রামে ব্লুমস নামে প্রতিবন্ধীদের জন্য একটি বিদ্যালয় গড়ে তুলেছিলেন। ২৪ রোজায় তাদের নতুন কাপড় দিতে গিয়েছিলেন। তাদের সঙ্গে ইফতার করে ঢাকায় ফেরেন। আজ আবার যাওয়ার কথা ছিল। আজ যাচ্ছেন, তবে জীবিত নয়; লাশ হয়ে।

রবিউলের স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা জানিয়ে শামস বলেন, ভাবি ঢাকায় ভাইয়ের সঙ্গেই ছিলেন। সন্তান জন্মের সময় ঘনিয়ে আসায় শ্বশুরবাড়ি চলে যান। তাঁকে মৃত্যুসংবাদ দিতে না চাইলেও তিনি জেনে যান।

অঝোরে কাঁদতে থাকা শামস জানেন না মা করিমুন্নেসা, ভাবি উম্মে সালমা আর ভাইপো মো. সামিরকে কী বলে সান্ত্বনা দেবেন। জানালেন, মানিকগঞ্জের কাটিগ্রামে বাবার কবরের পাশে ভাইকে দাফন করা হবে।

মর্গের সামনে থাকা কাটিগ্রামের ছেলে অভি হাসান বলেন, ‘ছোটবেলায় রবিউল ভাইকে দেখিয়ে আব্বা-আম্মা বলত, ওর মতো হও।’

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: