সর্বশেষ আপডেট : ২৫ মিনিট ৫১ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বড়লেখায় শেষ মুহূর্তে জমে ওঠেছে ঈদ বাজার

04e7b5d0-9718-4367-9c8e-170f01099e7aবড়লেখা প্রতিনিধি ::
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় শেষ মুহূর্তে জমে ওঠেছে ঈদ বাজার। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে বেচাকেনার ধুম। পৌর শহরের অভিজাত বিপণী বিতান থেকে শুরু করে ফুটপাত পর্যন্ত প্রতিটি দোকানে এখন ক্রেতাদের উপচেপড়া ভীড়। ক্রেতা-বিক্রেতা কারোরই যেনো দম ফেলার ফুসরত নেই। পরিবার-পরিজনের জন্য ঈদের নতুন জামা-কাপড় কিনতে ঈদের বাজারে ছুটছেন সব শ্রেণীপেশার মানুষ। সাধ আর সাধ্যের সঙ্গে মিল রেখে আপনজনদের জন্য কেনাকাটা করছেন তারা। তবে নি¤œ আয়ের মানুষের ফুটপাতই ভরসা। শহরের কয়েকটি একদরের বিপণী বিতানে শতভাগ মুনাফা আদায় করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ােভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

শুক্রবার দুপুরে পৌর শহরের বিভিন্ন মার্কেটগুলো ঘুরে দেখা গেছে, দেশীয় পোশাকের পাশাপাশি ভারতীয় পোশাকের বিপুল সমাহার। শাড়ি, থ্রি-পিস, পাঞ্জাবিসহ ছোটদের নানান ধরণের পোশাকও সাজানো রয়েছে। ব্যবসায়ীরা তাদের দোকানগুলোতে সাজিয়েছেন বিভিন্ন জনপ্রিয় মুভি ও সিরিয়ালের নাম অনুসারে দেশি-বিদেশি পোশাকে। মেয়েদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে বাজিরাও মাস্তানি, দিলওয়ালে, বাজরাঙ্গি ভাইজান, কিরণমালা, পাখি, সাহারা নামের নানান ডিজাইনের পোশাক। যুগের সাথে তাল মেলাতে ক্রেতারাও ঝুঁকছেন এসব পোশাকের দিকে। গুণগত মান যাই হোক, শুধু নামের কারণে এসব পোশাক বিক্রি হচ্ছে চড়াদামে। আবার বেশিরভাগ মেয়ে ঝুঁকছেন বাহারি সব থ্রি-পিসের দিকে। ছেলেদের পছন্দ পাঞ্জাবি, শার্ট, জিন্স প্যান্ট আর মোদি কটিও রয়েছে পছন্দের শীর্ষে।

ঈদের কেনাকাটা করতে আসা সোলায়মান আহমদ জানান, প্রতি বছরের মতো এবারও এসেছেন ছেলে-মেয়ে ও মা-বাবাসহ পরিবারের সকল সদস্যের জন্য নতুন পোশাক কিনতে। কিন্তু এবার ব্যবসায়ীরা ভালো মানের শাড়ি, ছেলে-মেয়ের পোশাকের দাম গত বছরের চাইতে বেশি হাঁকাচ্ছে।
পৌর শহরের জহির ম্যানশনের তালহা কালেকশনের স্বত্ত্বাধিকারী সুলতান আহমদ খলিল জানান, ক্রেতাদের কথা মাথায় রেখে পছন্দই পোশাকের সমাহারে সাজানো হয়েছে। বিক্রিও বেশ ভালো হচ্ছে। বড় মসজিদ মার্কেটের অপরূপা বস্ত্রালয়ের স্বত্ত্বাধিকারী তাজুল ইসলাম জানান, এবারের ঈদবাজার বেশি জমে উঠেছে ১৫ রমজানের পর থেকে। ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বিক্রিও বাড়ছে।

পৌর শহরের আব্দুল আলী ট্রেড সেন্টারের শাড়ী বাজারের ব্যবসায়ী রায়হান আহমদ ও আসুক আহমদ জানান, পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন যতো ঘনিয়ে আসছে ততোই ক্রেতাদের চাপ বাড়ছে। তরুণী ও নারীদের পছন্দসই শাড়ি, থ্রি-পিসের সমাহার থাকায় বিক্রিও ভালো হচ্ছে।
পোষাক ক্রেতা মিছবাহ উদ্দিন, সাহেদ আহমদ, মোর্শেদ আলম অভিযোগ করেন, কিছু অসাধু বিপণী বিতান একদরের সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে শতভাগ মুনাফা আদায় করছে।

এদিকে দিন-রাত কাজ করে নির্ঘুম কাটাচ্ছেন পৌর শহরের বিভিন্ন মার্কেটের দর্জিরা। প্রতিবারের তুলনায় এবারও পোশাকের বেশি বেশি অর্ডার থাকায় তারা এখন দিনরাত শ্রম দিচ্ছেন। কাজের চাপে ১৫ রমজানের পর থেকে অনেক দর্জি অর্ডার নেয়াও বন্ধ করে দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, কোনো পণ্যে ২০ পার্সেন্টের অধিক মুনাফা অর্জন ভোক্তা অধিকার আইন লঙ্ঘন এবং এটি একটি শাস্তিমূলক অপরাধ। অত্যাধিক মুনাফা আদায়ের অভিযোগে গত ২৫ জুন পৌর শহরের আব্দুল আলী ট্রেড সেন্টার ও হ্যাপি মার্কেটের একদরের অভিজাত কয়েকটি বিপণী বিতানে মোবাইল কোর্ট চালিয়ে জরিমানা আদায় করা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: